
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নৈতিক স্খলনের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে সংসদীয় দুটি কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে নতুন দুই সদস্যের নাম প্রস্তাব করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে নতুন দুই সদস্য সংক্রান্ত প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে গাজী নজরুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন গাইবান্ধার জামায়াতদলীয় সংসদ সদস্য আবদুল ওয়ারেছ। আর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য গঠিত বিশেষ কমিটিতে তাঁর পরিবর্তে যুক্ত হয়েছেন জামায়াতের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান।
জাতীয় সংসদে কমিটি দুটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব দেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটি পুনর্গঠনের আগে তিনি জানান, বিরোধীদলীয় নেতা একজন সদস্যের পরিবর্তে নতুন একজনের নাম প্রস্তাব করেছেন। সে অনুযায়ী কমিটিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
পরে সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে সংবিধান ও কার্যপ্রণালি বিধি অনুসরণ করে কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব দেন চিফ হুইপ। গাজী নজরুল ইসলামের পরিবর্তে আবদুল ওয়ারেছকে সদস্য করার প্রস্তাবটি এরপর কণ্ঠভোটে পাস হয়।
গত ১৪ জুলাই সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে সভাপতি করে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তখন বিরোধী দলের প্রতিনিধি হিসেবে কমিটিতে ছিলেন গাজী নজরুল ইসলাম, রোকেয়া বেগম ও আবদুল হান্নান মাসউদ।
পুনর্গঠিত কমিটিতে এখন বিরোধী দলের সদস্য হিসেবে রয়েছেন আবদুল ওয়ারেছ, রায়হান সিরাজী ও রোকেয়া বেগম।
অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতেই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। গত ১২ মার্চ সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীনকে সভাপতি করে গঠিত ওই কমিটিতেও বিরোধী দলের প্রতিনিধি ছিলেন গাজী নজরুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার সেই কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়। গাজী নজরুল ইসলামের জায়গায় নাজিবুর রহমানকে সদস্য করার প্রস্তাব দেন চিফ হুইপ। সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয় গত জুলাইয়ে। নৈতিক স্খলনের অভিযোগে ২২ জুলাই সাতক্ষীরা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্যকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরদিন ২৩ জুলাই তাঁর বহিষ্কারের বিষয়টি স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে লিখিতভাবে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে দলটি।
এরপর সংসদীয় কার্যক্রমেও তাঁর অবস্থানে পরিবর্তন দেখা যায়। গত ১৮ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে গাজী নজরুল ইসলামকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এবার ওই কমিটির পাশাপাশি বিশেষ কমিটি থেকেও তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ দেওয়া হলো।

নৈতিক স্খলনের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে সংসদীয় দুটি কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে নতুন দুই সদস্যের নাম প্রস্তাব করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে নতুন দুই সদস্য সংক্রান্ত প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে গাজী নজরুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন গাইবান্ধার জামায়াতদলীয় সংসদ সদস্য আবদুল ওয়ারেছ। আর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য গঠিত বিশেষ কমিটিতে তাঁর পরিবর্তে যুক্ত হয়েছেন জামায়াতের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান।
জাতীয় সংসদে কমিটি দুটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব দেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটি পুনর্গঠনের আগে তিনি জানান, বিরোধীদলীয় নেতা একজন সদস্যের পরিবর্তে নতুন একজনের নাম প্রস্তাব করেছেন। সে অনুযায়ী কমিটিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
পরে সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে সংবিধান ও কার্যপ্রণালি বিধি অনুসরণ করে কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব দেন চিফ হুইপ। গাজী নজরুল ইসলামের পরিবর্তে আবদুল ওয়ারেছকে সদস্য করার প্রস্তাবটি এরপর কণ্ঠভোটে পাস হয়।
গত ১৪ জুলাই সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে সভাপতি করে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তখন বিরোধী দলের প্রতিনিধি হিসেবে কমিটিতে ছিলেন গাজী নজরুল ইসলাম, রোকেয়া বেগম ও আবদুল হান্নান মাসউদ।
পুনর্গঠিত কমিটিতে এখন বিরোধী দলের সদস্য হিসেবে রয়েছেন আবদুল ওয়ারেছ, রায়হান সিরাজী ও রোকেয়া বেগম।
অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতেই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। গত ১২ মার্চ সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীনকে সভাপতি করে গঠিত ওই কমিটিতেও বিরোধী দলের প্রতিনিধি ছিলেন গাজী নজরুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার সেই কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়। গাজী নজরুল ইসলামের জায়গায় নাজিবুর রহমানকে সদস্য করার প্রস্তাব দেন চিফ হুইপ। সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয় গত জুলাইয়ে। নৈতিক স্খলনের অভিযোগে ২২ জুলাই সাতক্ষীরা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্যকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরদিন ২৩ জুলাই তাঁর বহিষ্কারের বিষয়টি স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে লিখিতভাবে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে দলটি।
এরপর সংসদীয় কার্যক্রমেও তাঁর অবস্থানে পরিবর্তন দেখা যায়। গত ১৮ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে গাজী নজরুল ইসলামকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এবার ওই কমিটির পাশাপাশি বিশেষ কমিটি থেকেও তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ দেওয়া হলো।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে। আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।
১ দিন আগে
বর্তমান জাতীয় সংসদে সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন পাসের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী— এই তৎকালীন শব্দটা আগে
১ দিন আগে