
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে ডিল করে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এনসিপির হাতে তাদের পতন হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘বিএনপির বর্তমানে যে ইকোনমিক পলিসি তা দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উত্তরণ সম্ভব নয়। বিএনপি যদি জোর-জবরদস্তি করে ড. ইউনূসের সঙ্গে ডিল করে, লন্ডনে ডিল করেছিল, নতুনভাবে সেই ডিল নবায়ন করে যদি ক্ষমতায় যায় তাহলে এনসিপির হাতে তাদের পতন হবে।’
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান একজন লাকি ম্যান ছিলেন, ক্ষমতা না চাইতেও তিনি পেয়ে ছিলেন। তার (জিয়াউর রহমান) কিছু ক্যারিশমেটিক জায়গা ছিল, সেই জায়গা থেকে তিনি অর্থনৈতিক কিছু স্বনির্ভরতার জায়গায় বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন। কিন্তু সে সময় সুযোগ ছিল বাংলাদেশকে নতুন করে পুনর্গঠন করার।
এনসিপির এই নেতা আরো বলেন, জিয়াউর রহমান অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করেছেন। রাজনৈতিক পুনর্গঠনের কিছু চেষ্টা চালিয়েছেন কিন্তু তিনি সফল হননি। তিনি যদি চাইতেন, তার হাতে এত ক্ষমতা ছিল জনগণ যেভাবে সাপোর্ট দিয়েছিল, বাংলাদেশের গতিপথ তিনি ঘুরিয়ে দিতে পারতেন। ওই সময় বাংলাদেশে নতুন একটা রিফর্ম প্রসেসের মধ্যে যেতে পারত। কিন্তু জিয়াউর রহমান ঐতিহাসিকভাবে এই সুযোগ মিস করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে ডিল করে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এনসিপির হাতে তাদের পতন হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘বিএনপির বর্তমানে যে ইকোনমিক পলিসি তা দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উত্তরণ সম্ভব নয়। বিএনপি যদি জোর-জবরদস্তি করে ড. ইউনূসের সঙ্গে ডিল করে, লন্ডনে ডিল করেছিল, নতুনভাবে সেই ডিল নবায়ন করে যদি ক্ষমতায় যায় তাহলে এনসিপির হাতে তাদের পতন হবে।’
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান একজন লাকি ম্যান ছিলেন, ক্ষমতা না চাইতেও তিনি পেয়ে ছিলেন। তার (জিয়াউর রহমান) কিছু ক্যারিশমেটিক জায়গা ছিল, সেই জায়গা থেকে তিনি অর্থনৈতিক কিছু স্বনির্ভরতার জায়গায় বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন। কিন্তু সে সময় সুযোগ ছিল বাংলাদেশকে নতুন করে পুনর্গঠন করার।
এনসিপির এই নেতা আরো বলেন, জিয়াউর রহমান অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করেছেন। রাজনৈতিক পুনর্গঠনের কিছু চেষ্টা চালিয়েছেন কিন্তু তিনি সফল হননি। তিনি যদি চাইতেন, তার হাতে এত ক্ষমতা ছিল জনগণ যেভাবে সাপোর্ট দিয়েছিল, বাংলাদেশের গতিপথ তিনি ঘুরিয়ে দিতে পারতেন। ওই সময় বাংলাদেশে নতুন একটা রিফর্ম প্রসেসের মধ্যে যেতে পারত। কিন্তু জিয়াউর রহমান ঐতিহাসিকভাবে এই সুযোগ মিস করেছেন।

জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে