
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে দেওয়া নিজের বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসুদ। সেই সঙ্গে তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এনসিপির ফেসবুক পেজে হান্নান মাসুদের জোট সংক্রান্ত বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।
হান্নান মাসুদ বলেছেন, সম্প্রতি ‘Star News’-এর একটি টকশোতে দেওয়া আমার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কিছু ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য আমার অবস্থান পরিষ্কারভাবে তুলে ধরছি।
আমি বলেছিলাম, ‘আমাদের প্রত্যাশা ছিল আমরা এককভাবে ৩০০ আসনে ইলেকশন করব, সেখান থেকে ৩০০ আসনে ইলেকশন করে আমরা যদি ৬টা আসন পাইতাম সেটা আরো বেশি সম্মানজনক মনে হইতো। কিন্তু আসলে আমরা সেরকম পরিবেশ তৈরি করতে পারি নাই।’
এছাড়াও আমি বলেছিলাম, ‘জামায়াতের সাথে জোট করাটা ভুল ছিল বলব না। পরিবেশ এবং সময় সেদিকে যেতে বাধ্য করেছে। আমরা যদি না যেতাম আরো ভাল হতো।’
বক্তব্যের আরেকটি অংশে আমি বলেছিলাম, ‘জামায়াতের সঙ্গে জোট না হলে এককভাবে এনসিপি হয়তো ৩–৪টি আসন পেতো। কিন্তু কোথাও আমি বলিনি যে, জোট না করলে আমরা ৩–৪টি আসন বেশি পেতাম। এই দুটি বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহন করে।’
তিনি বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে, কিছু ব্যক্তি, পেজ ও নিউজ পোর্টাল আমার বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে এবং এমনভাবে প্রচার করছে যেন আমি বলেছি, জামায়াতের সঙ্গে জোট না করলে আমরা আরও ৩–৪টি আসন বেশি পেতাম। এটি আমার বক্তব্যের সম্পূর্ণ মনগড়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা।’
হান্নান মাসুদ বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই-আমার বক্তব্য ছিল রাজনৈতিক বাস্তবতা, সম্ভাবনা ও আত্মসমালোচনার জায়গা থেকে; কাউকে দোষারোপ করা বা বিভ্রান্তিকর বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়। সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে, আমার বক্তব্য উদ্ধৃত করার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট ও ভাষ্য বিবেচনায় নেয়ার অনুরোধ রইল।’

জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে দেওয়া নিজের বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসুদ। সেই সঙ্গে তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এনসিপির ফেসবুক পেজে হান্নান মাসুদের জোট সংক্রান্ত বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।
হান্নান মাসুদ বলেছেন, সম্প্রতি ‘Star News’-এর একটি টকশোতে দেওয়া আমার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কিছু ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য আমার অবস্থান পরিষ্কারভাবে তুলে ধরছি।
আমি বলেছিলাম, ‘আমাদের প্রত্যাশা ছিল আমরা এককভাবে ৩০০ আসনে ইলেকশন করব, সেখান থেকে ৩০০ আসনে ইলেকশন করে আমরা যদি ৬টা আসন পাইতাম সেটা আরো বেশি সম্মানজনক মনে হইতো। কিন্তু আসলে আমরা সেরকম পরিবেশ তৈরি করতে পারি নাই।’
এছাড়াও আমি বলেছিলাম, ‘জামায়াতের সাথে জোট করাটা ভুল ছিল বলব না। পরিবেশ এবং সময় সেদিকে যেতে বাধ্য করেছে। আমরা যদি না যেতাম আরো ভাল হতো।’
বক্তব্যের আরেকটি অংশে আমি বলেছিলাম, ‘জামায়াতের সঙ্গে জোট না হলে এককভাবে এনসিপি হয়তো ৩–৪টি আসন পেতো। কিন্তু কোথাও আমি বলিনি যে, জোট না করলে আমরা ৩–৪টি আসন বেশি পেতাম। এই দুটি বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহন করে।’
তিনি বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে, কিছু ব্যক্তি, পেজ ও নিউজ পোর্টাল আমার বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে এবং এমনভাবে প্রচার করছে যেন আমি বলেছি, জামায়াতের সঙ্গে জোট না করলে আমরা আরও ৩–৪টি আসন বেশি পেতাম। এটি আমার বক্তব্যের সম্পূর্ণ মনগড়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা।’
হান্নান মাসুদ বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই-আমার বক্তব্য ছিল রাজনৈতিক বাস্তবতা, সম্ভাবনা ও আত্মসমালোচনার জায়গা থেকে; কাউকে দোষারোপ করা বা বিভ্রান্তিকর বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়। সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে, আমার বক্তব্য উদ্ধৃত করার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট ও ভাষ্য বিবেচনায় নেয়ার অনুরোধ রইল।’

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে