
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী প্রীতম দাশের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে এনসিপি প্রার্থীসহ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
মৌলভীবাজারের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, আসনটিতে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৯৬। আসনটিতে মোট ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৮৮৮ জন।
এনসিপি প্রার্থী প্রীতম দাশ ভোট পেয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৫৬৩টি। অর্থাৎ মোট ভোটারের বিপরীতে শূন্য দশমিক ৯৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন তিনি। এ আসন থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী পেয়েছেন ৫০ হাজার ২০৪ ভোট।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্রে বলা আছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। এ পরিপত্র অনুযায়ী, মৌলভীবাজার-৪ আসনে প্রীতম দাস পেয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৫৬৩ ভোট, যা মোট বৈধ ভোটের মাত্র ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। ফলে বাজেয়াপ্ত হবে তার জামানত।
শুধু এনসিপি প্রার্থীই নয়, এ আসনে আরও দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল মনোনীত আবুল হাসান মই প্রতীক পেয়েছে ৯৮১ ভোট এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত জরিপ হোসেন লাঙ্গল প্রতীক পেয়েছে ৯২৪ ভোট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী প্রীতম দাশের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে এনসিপি প্রার্থীসহ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
মৌলভীবাজারের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, আসনটিতে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৯৬। আসনটিতে মোট ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৮৮৮ জন।
এনসিপি প্রার্থী প্রীতম দাশ ভোট পেয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৫৬৩টি। অর্থাৎ মোট ভোটারের বিপরীতে শূন্য দশমিক ৯৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন তিনি। এ আসন থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী পেয়েছেন ৫০ হাজার ২০৪ ভোট।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্রে বলা আছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। এ পরিপত্র অনুযায়ী, মৌলভীবাজার-৪ আসনে প্রীতম দাস পেয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৫৬৩ ভোট, যা মোট বৈধ ভোটের মাত্র ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। ফলে বাজেয়াপ্ত হবে তার জামানত।
শুধু এনসিপি প্রার্থীই নয়, এ আসনে আরও দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল মনোনীত আবুল হাসান মই প্রতীক পেয়েছে ৯৮১ ভোট এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত জরিপ হোসেন লাঙ্গল প্রতীক পেয়েছে ৯২৪ ভোট।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
১ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
১ দিন আগে
নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে। আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।
২ দিন আগে
বর্তমান জাতীয় সংসদে সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন পাসের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী— এই তৎকালীন শব্দটা আগে
২ দিন আগে