
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলে দলটির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, এনসিপির নেতারা বিলাসবহুল অফিস পরিচালনা, গাড়িবহর ও প্রটোকল ব্যবহার করছেন। এসব ব্যয়ের অর্থ কোথা থেকে আসছে, তা জনগণের সামনে স্পষ্ট করা উচিত।
আজ বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নিজ রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
রাশেদ খাঁন বলেন, ‘এ্যানি ভাই কোরবানি দিচ্ছেন সেই প্রশ্ন করছেন। কিন্তু আপনারা রূপায়নে একটি অফিস নিয়ে লাখ লাখ টাকা ভাড়া দিচ্ছেন, সেই টাকা কোথায় পাচ্ছেন? নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গাড়িতে ঘুরে বেড়ায়। সাথে প্রটোকল নিয়ে যায়। সেই টাকা কোথায় পায়? সার্জিস আলম নাহিদ ইসলামের আয়ের উৎস কোথায়’?
রাশেদ খাঁন বলেন, মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে বিএনপি বা জামায়াতের কোনো হাত নেই। এই চুক্তি এনসিপি করিয়েছে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, রাজনৈতিক শিষ্টাচার ভুলে গিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অমানুষের মতো আজেবাজে কথা বলছে। ঝিনাইদহ সফরকালে সে অস্ত্রধারী ক্যাডার নিয়ে এসেছিল। তার ওপরে ছাত্রদলের কেউ হামলা করেনি। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন দেওয়া ছাড়া উপায় নেই। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দেশের যেখানে যাবে, তাকে আরও হেনস্তার শিকার হতে হবে। বিএনপি নয়, সাধারণ জনগণ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মতো বেয়াদবদের শায়েস্তা করবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, জামায়াত কখনোই দেশের ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি। জামায়াত সব সময় অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচার সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করেছে। আজ তারা বিএনপি সরকারকে পতনে ভয় দেখায়। জামায়াত-এনসিপি মিলে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এই অপশক্তিকে আর দেশের মানুষ গ্রহণ করবে না।
সেসময় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির হাসান মোহন, উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতা তবিবুর রহমান মিনি উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলে দলটির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, এনসিপির নেতারা বিলাসবহুল অফিস পরিচালনা, গাড়িবহর ও প্রটোকল ব্যবহার করছেন। এসব ব্যয়ের অর্থ কোথা থেকে আসছে, তা জনগণের সামনে স্পষ্ট করা উচিত।
আজ বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নিজ রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
রাশেদ খাঁন বলেন, ‘এ্যানি ভাই কোরবানি দিচ্ছেন সেই প্রশ্ন করছেন। কিন্তু আপনারা রূপায়নে একটি অফিস নিয়ে লাখ লাখ টাকা ভাড়া দিচ্ছেন, সেই টাকা কোথায় পাচ্ছেন? নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গাড়িতে ঘুরে বেড়ায়। সাথে প্রটোকল নিয়ে যায়। সেই টাকা কোথায় পায়? সার্জিস আলম নাহিদ ইসলামের আয়ের উৎস কোথায়’?
রাশেদ খাঁন বলেন, মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে বিএনপি বা জামায়াতের কোনো হাত নেই। এই চুক্তি এনসিপি করিয়েছে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, রাজনৈতিক শিষ্টাচার ভুলে গিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অমানুষের মতো আজেবাজে কথা বলছে। ঝিনাইদহ সফরকালে সে অস্ত্রধারী ক্যাডার নিয়ে এসেছিল। তার ওপরে ছাত্রদলের কেউ হামলা করেনি। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন দেওয়া ছাড়া উপায় নেই। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দেশের যেখানে যাবে, তাকে আরও হেনস্তার শিকার হতে হবে। বিএনপি নয়, সাধারণ জনগণ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মতো বেয়াদবদের শায়েস্তা করবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, জামায়াত কখনোই দেশের ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি। জামায়াত সব সময় অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচার সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করেছে। আজ তারা বিএনপি সরকারকে পতনে ভয় দেখায়। জামায়াত-এনসিপি মিলে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এই অপশক্তিকে আর দেশের মানুষ গ্রহণ করবে না।
সেসময় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির হাসান মোহন, উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতা তবিবুর রহমান মিনি উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে