
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ করার গভীর চক্রান্ত শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তার ভাষ্য, উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিটের আলোচনা সামনে এনে সরকারের প্রতি মানুষের অনাস্থা তৈরির চেষ্টা চলছে।
বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য আছে সেই ঐক্য নষ্ট হলে এই সুযোগ কাজে লাগাবে আওয়ামী লীগ—এমনটাই দাবি করেন রাশেদ খান।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ করার গভীর চক্রান্ত শুরু হয়েছে। সরকারের সমালোচনা করা, আর ১/১১ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র এক জিনিস নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিটের আলোচনা জাতির সামনে হাজির করে সরকারের প্রতি মানুষের অনাস্থা তৈরির প্রচেষ্টা চলছে এবং সরকারের প্রতি এই অনাস্থা সরকারকে ব্যর্থতায় পর্যবসিত করবে।’
তিনি বলেন, ‘সেফ এক্সিটের বিষয়ে একটা অনুষ্ঠানে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে পেয়ে আমি হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করলাম, সেফ এক্সিটের জন্য কি ব্যাগেজ লাগেজ রেডি করেছেন? তারা হাসতে হাসতে বলল, আমরা সেফ এক্সিট চিন্তা কেন করব? এমন কোনো অপরাধ করিনি যে আমাদের সেফ এক্সিটের প্রয়োজন হবে।
বরং যারা এসব কথা বলছে, সবার আগে তাদের সেফ এক্সিটের প্রয়োজন হতে পারে। আবার যারা এই সরকারের আমলে পুরোপুরি জুলাই সনদে বাস্তবায়নের কথা বলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভেঙে দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনের কথা বলছে, তারা কি এই নিশ্চয়তা দিতে পারবে যে, সব দল তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে এখন ঐক্যমতে পৌঁছাতে পারবে?’
রাশেদ খান বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে দিতে নতুন ফরমেটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের অনৈক্যের সুযোগে আরেকটি ১/১১ সৃষ্টি হতে পারে। তখন সত্যিই উপদেষ্টাসহ আমাদের সবার সেফ এক্সিটের প্রয়োজন হতে পারে। এমন না যা তখন শুধু উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিট হলেই বাকিরা মাফ পেয়ে যাবে।
বরং ১/১১ সৃষ্টির ফলে আওয়ামী লীগ ফিরে আসার মধ্য দিয়ে পুরো গণ-অভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে এবং গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিকে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে। তাই সবার প্রতি অনুরোধ ঐক্য ধরে রাখুন। ঐক্য বিনষ্ট হলেই বিভাজনের সুযোগে দ্বিগুণ শক্তিতে ফিরবে আওয়ামী লীগ।’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ করার গভীর চক্রান্ত শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তার ভাষ্য, উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিটের আলোচনা সামনে এনে সরকারের প্রতি মানুষের অনাস্থা তৈরির চেষ্টা চলছে।
বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য আছে সেই ঐক্য নষ্ট হলে এই সুযোগ কাজে লাগাবে আওয়ামী লীগ—এমনটাই দাবি করেন রাশেদ খান।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ করার গভীর চক্রান্ত শুরু হয়েছে। সরকারের সমালোচনা করা, আর ১/১১ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র এক জিনিস নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিটের আলোচনা জাতির সামনে হাজির করে সরকারের প্রতি মানুষের অনাস্থা তৈরির প্রচেষ্টা চলছে এবং সরকারের প্রতি এই অনাস্থা সরকারকে ব্যর্থতায় পর্যবসিত করবে।’
তিনি বলেন, ‘সেফ এক্সিটের বিষয়ে একটা অনুষ্ঠানে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে পেয়ে আমি হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করলাম, সেফ এক্সিটের জন্য কি ব্যাগেজ লাগেজ রেডি করেছেন? তারা হাসতে হাসতে বলল, আমরা সেফ এক্সিট চিন্তা কেন করব? এমন কোনো অপরাধ করিনি যে আমাদের সেফ এক্সিটের প্রয়োজন হবে।
বরং যারা এসব কথা বলছে, সবার আগে তাদের সেফ এক্সিটের প্রয়োজন হতে পারে। আবার যারা এই সরকারের আমলে পুরোপুরি জুলাই সনদে বাস্তবায়নের কথা বলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভেঙে দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনের কথা বলছে, তারা কি এই নিশ্চয়তা দিতে পারবে যে, সব দল তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে এখন ঐক্যমতে পৌঁছাতে পারবে?’
রাশেদ খান বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে দিতে নতুন ফরমেটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের অনৈক্যের সুযোগে আরেকটি ১/১১ সৃষ্টি হতে পারে। তখন সত্যিই উপদেষ্টাসহ আমাদের সবার সেফ এক্সিটের প্রয়োজন হতে পারে। এমন না যা তখন শুধু উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিট হলেই বাকিরা মাফ পেয়ে যাবে।
বরং ১/১১ সৃষ্টির ফলে আওয়ামী লীগ ফিরে আসার মধ্য দিয়ে পুরো গণ-অভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে এবং গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিকে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে। তাই সবার প্রতি অনুরোধ ঐক্য ধরে রাখুন। ঐক্য বিনষ্ট হলেই বিভাজনের সুযোগে দ্বিগুণ শক্তিতে ফিরবে আওয়ামী লীগ।’

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে