
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করাসহ তিন দাবিতে ফের শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়েছে ছা্ত্র-জনতা। সেখানে থেমে থেমে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার (১০ মে) সকাল থেকেই আবার শাহবাগে জড়ো হতে থাকে আন্দোলনকারীরা। তাদের অবস্থান কর্মসূচির ফলে সকাল থেকে শাহবাগ মোড়ের চারদিকের রাস্তা বন্ধ রয়েছে। তবে অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবার গাড়িগুলো চলাচল করছে।
আন্দোলনকারীরা বলছেন, আওয়ামী লীগ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে নিষিদ্ধের আগ পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করে দল হিসেবে আওয়ামী লীগবে বিচারের আওতায় আনার দাবিও জানান তারা।
আওয়ামী লীগের বিচার ও দলটিকে নিষিদ্ধের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। পরে সেখানে যোগ দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ অন্যরা। সেখান থেকে শুক্রবার সকালে সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।
যমুনার সামনে শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের পর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সমাবেশ থেকে ঘোষণা করা হয় ‘শাহবাগ ব্লকেড’ কর্মসূচি। এরপর বিকেলেই যমুনার সামনে থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগ অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা।
শুক্রবার বিকেল থেকে মধ্যরাত পেরিয়ে দিবাগত রাত ৩টার দিকে শাহবাগের কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। জানান, সকাল থেকে আবার অবস্থান কর্মসূচি শুরু হবে। বিকেলে হবে গণজমায়াতে হবে। পাশাপাশি জেলা-উপজেলাতেও এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করাসহ তিন দাবিতে ফের শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়েছে ছা্ত্র-জনতা। সেখানে থেমে থেমে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার (১০ মে) সকাল থেকেই আবার শাহবাগে জড়ো হতে থাকে আন্দোলনকারীরা। তাদের অবস্থান কর্মসূচির ফলে সকাল থেকে শাহবাগ মোড়ের চারদিকের রাস্তা বন্ধ রয়েছে। তবে অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবার গাড়িগুলো চলাচল করছে।
আন্দোলনকারীরা বলছেন, আওয়ামী লীগ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে নিষিদ্ধের আগ পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করে দল হিসেবে আওয়ামী লীগবে বিচারের আওতায় আনার দাবিও জানান তারা।
আওয়ামী লীগের বিচার ও দলটিকে নিষিদ্ধের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। পরে সেখানে যোগ দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ অন্যরা। সেখান থেকে শুক্রবার সকালে সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।
যমুনার সামনে শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের পর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সমাবেশ থেকে ঘোষণা করা হয় ‘শাহবাগ ব্লকেড’ কর্মসূচি। এরপর বিকেলেই যমুনার সামনে থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগ অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা।
শুক্রবার বিকেল থেকে মধ্যরাত পেরিয়ে দিবাগত রাত ৩টার দিকে শাহবাগের কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। জানান, সকাল থেকে আবার অবস্থান কর্মসূচি শুরু হবে। বিকেলে হবে গণজমায়াতে হবে। পাশাপাশি জেলা-উপজেলাতেও এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২ দিন আগে