
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গত জুলাই ও আগস্ট মাসে বাংলাদেশে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ওপর শেখ হাসিনা সরকার ও আওয়ামী লীগ যে দমন-নিপীড়ন ও হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, এর পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়কে (ওএইচসিএইচআর) ধন্যবাদ জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। এ দিন দুপুরে ওএইচসিএইচআর ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমন্ত্রণে ওএইচসিএইচআর স্বাধীনভাবে এ তদন্ত করেছে। প্রতিবেদনে গত জুলাই-আগস্ট মাসে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দ্বারা সংগঠিত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচারে গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগের মতো ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উঠে এসেছে। এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন গোষ্ঠী, সংগঠন এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা জড়িত ছিল বলে প্রতিবেদনটিতে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৎকালীন সরকার এবং এর নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আওয়ামী লীগ এবং এর সহিংস গোষ্ঠী ও সংগঠনের সঙ্গে একত্রিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত ছিল। তারা কয়েক শ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে গুরুতরভাবে শারীরিক নিপীড়ন ও বলপ্রয়োগ করেছে। ব্যাপক হারে নির্বিচারে গ্রেপ্তার, আটক এবং নির্যাতনসহ অন্যান্য ধরনের নিপীড়ন করেছে।
ওএইচসিএইচআর বলছে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং নিরাপত্তা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিকল্পনা, সমন্বয় ও নির্দেশনায় এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো ঘটেছিল বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে ওএইচসিএইচআর বলছে, বিক্ষোভ চলাকালে এক হাজার ৪০০ জনের বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। এদের বেশিরভাগই সামরিক রাইফেল এবং প্রাণঘাতি মেটাল প্যালেটস লোড করা শটগানে নিহত হয়েছেন। এ ধরনের শটগান সাধারণত বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবহার করে থাকে। বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন, কেউ কেউ স্থায়ীভাবে আজীবনের জন্য কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি পুলিশ, প্রসিকিউটর এবং বিচারকসহ বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত সবাইকে আইনের শাসন সমুন্নত রাখার জন্য কাজ করার আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি অন্তর্বর্তী সরকারে কর্মরত সব ব্যক্তি এবং কোটি কোটি নাগরিককে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশকে এমন একটি দেশে রূপান্তরিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে সব মানুষ নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে।’
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার শাসনামলে কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং বিচার খাতে কাঠামোগত ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা এ প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আমরা এমন একটি সমাজ গড়তে চাই যেখানে সব মানুষ নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে। এ জন্য এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মরত সবাইকে আহ্বান জানাই, আপনারা ন্যায়বিচার, আইন ও বাংলাদেশের জনগণের অধিকার সমুন্নত রাখুন।
‘যারা আইন ভঙ্গ করেছেন এবং মানুষের মানবিক ও নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন করেছেন, তাদের জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসুন,’— বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

গত জুলাই ও আগস্ট মাসে বাংলাদেশে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ওপর শেখ হাসিনা সরকার ও আওয়ামী লীগ যে দমন-নিপীড়ন ও হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, এর পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়কে (ওএইচসিএইচআর) ধন্যবাদ জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। এ দিন দুপুরে ওএইচসিএইচআর ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমন্ত্রণে ওএইচসিএইচআর স্বাধীনভাবে এ তদন্ত করেছে। প্রতিবেদনে গত জুলাই-আগস্ট মাসে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দ্বারা সংগঠিত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচারে গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগের মতো ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উঠে এসেছে। এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন গোষ্ঠী, সংগঠন এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা জড়িত ছিল বলে প্রতিবেদনটিতে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৎকালীন সরকার এবং এর নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আওয়ামী লীগ এবং এর সহিংস গোষ্ঠী ও সংগঠনের সঙ্গে একত্রিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত ছিল। তারা কয়েক শ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে গুরুতরভাবে শারীরিক নিপীড়ন ও বলপ্রয়োগ করেছে। ব্যাপক হারে নির্বিচারে গ্রেপ্তার, আটক এবং নির্যাতনসহ অন্যান্য ধরনের নিপীড়ন করেছে।
ওএইচসিএইচআর বলছে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং নিরাপত্তা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিকল্পনা, সমন্বয় ও নির্দেশনায় এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো ঘটেছিল বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে ওএইচসিএইচআর বলছে, বিক্ষোভ চলাকালে এক হাজার ৪০০ জনের বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। এদের বেশিরভাগই সামরিক রাইফেল এবং প্রাণঘাতি মেটাল প্যালেটস লোড করা শটগানে নিহত হয়েছেন। এ ধরনের শটগান সাধারণত বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবহার করে থাকে। বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন, কেউ কেউ স্থায়ীভাবে আজীবনের জন্য কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি পুলিশ, প্রসিকিউটর এবং বিচারকসহ বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত সবাইকে আইনের শাসন সমুন্নত রাখার জন্য কাজ করার আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি অন্তর্বর্তী সরকারে কর্মরত সব ব্যক্তি এবং কোটি কোটি নাগরিককে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশকে এমন একটি দেশে রূপান্তরিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে সব মানুষ নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে।’
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার শাসনামলে কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং বিচার খাতে কাঠামোগত ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা এ প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আমরা এমন একটি সমাজ গড়তে চাই যেখানে সব মানুষ নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে। এ জন্য এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মরত সবাইকে আহ্বান জানাই, আপনারা ন্যায়বিচার, আইন ও বাংলাদেশের জনগণের অধিকার সমুন্নত রাখুন।
‘যারা আইন ভঙ্গ করেছেন এবং মানুষের মানবিক ও নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন করেছেন, তাদের জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসুন,’— বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

এই পথসভায় দেশের মানুষের জন্য একগুচ্ছ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষা পরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। এছাড়া কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে ‘কৃষি কার্ড’ প্রবর্তনের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ১০ হ
৮ ঘণ্টা আগে
ইতোপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আমানুল্লাহ আমান (মাস্টার), নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য মো. ইশতিয়াক আহমেদ হিরা, নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সদস্য সরদার আফজাল হোসেন, দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলা বিএনপির সদস্য ও ৮ নম্ব
৯ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য নোয়াখালী জেলাধীন সোনাইমুড়ি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ মাসুদ, সদস্য মোহাম্মদ নুরুল আমিন স্বপন, সাখাওয়াত হোসেন সাকু, অম্বরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. শাহজালাল, মৌলভীবাজার জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি হেলেনা চৌধুরী, ম
১০ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের বিজয় হলে ঢাকা শহরে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী তারেক রহমান।
১২ ঘণ্টা আগে