দলটির ঘোষণা অনুযায়ী মিসেস জিয়া তিনটি আসনে দলীয় প্রার্থী হবেন আর গত কয়েক বছর ধরে দলটির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়ার একটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘যারা জীবনে মাথা তুলে কথা বলতে পারেনি, তারা আজকে মাথা তুলে কথা বলে। চোখে চোখ রেখে কথা বলে। এই সাহস, এই শক্তি কোথায় পেল? এরা কারা? এরা কোত্থেকে এলো? এদের জনভিত্তি কী? এগুলোর ভিত্তি আছে বাংলাদেশের কোথাও? একটা নির্বাচন দিলে বোঝা যেত কে কয়টা ভোট পায়।’
দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনে পুনরায় প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল। আর কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে পুনরায় মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক হুইপ ও জেলা বি
ফেসবুকে নিজের আইডিতে এক পোস্টে নয়ন লেখেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সাহেবের নির্দেশনা, মাগুরা-২ সংসদীয় আসনে বিএনপির সব পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে সব ধরনের সংঘাত এড়িয়ে চলার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। কেউ বিশৃঙ্খলা করে ধানের শীষের ক্ষতি করবেন না, ধানের শীষ আমাদের অস্তিত্ব।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘বিএনপির বর্তমানে যে ইকোনমিক পলিসি তা দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উত্তরণ সম্ভব নয়। বিএনপি যদি জোর-জবরদস্তি করে ড. ইউনূসের সঙ্গে ডিল করে, লন্ডনে ডিল করেছিল, নতুনভাবে সেই ডিল নবায়ন করে যদি ক্ষমতায় যায় তাহলে এনসিপির হাতে তাদের পতন হবে।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল লিখেছেন, ‘এই নির্বাচন আমার শেষ নির্বাচন। যারা মনোনয়ন পাননি, বিশ্বাস রাখুন। ইনশাআল্লাহ দল আপনাদের যথাযথ দায়িত্ব ও সম্মান দেবে।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনিবার্য কারণে ঘোষিত মাদারীপুর-১ (শিবচর উপজেলা) আসন ও দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম স্থগিত রাখা হলো।
একাধিক দলীয় সূত্র জানিয়েছে, এরই মধ্যে ১০টি দলের ১২ জন নেতাকে বিএনপির পক্ষ থেকে সবুজ সংকেতও দিয়ে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে গণঅধিকার পরিষদ ও এলডিপি থেকে দুজন করে নেতাকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে বিএনপির পক্ষ থেকে। বাকি আটটি দলের প্রার্থী রয়েছেন একজন করে।
ঘোষিত তালিকার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিএনপির পুরনো নেতাদের পাশাপাশি এবার এসেছে অনেক নতুন মুখ। ২৩৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮১ জন এবারই প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ১৫১ জন আগে কোনো না কোনো নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন। বিএনপির নেতৃত্ব বলছে, এটি প্রবীণ ও নবীনদের সমন্বয়ে গঠিত একটি ভারসাম্য
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৩৭টি আসনে প্রার্থীদের প্রাথমিক নামের তালিকা ঘোষণা করেছে বিএনপি। সে অনুযায়ী ঢাকা-৬ আসন থেকে লড়বেন আলোচিত তরুণ বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর খোকাপুত্র ফেসবুকে নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৩৭টি সংসদীয় আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তালিকা ঘোষণা করেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) একটি ‘কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ গঠন করেছে। মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে প্রধান করে ১০ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। কমিটির সেক্রেটারি করা হয়েছে এনসিপির সিনি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবাইকে নিয়েই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দেখতে চাই মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্য থাকতেই পারে, তবে তা যেন মতবিরোধে পরিণত না হয় সেজন্য সতর্ক করেছেন সবাইকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩৭টি আসনে প্রার্থীদের সম্ভাব্য নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি ৬৩টি আসনে। যদিও এই প্রার্থীরা চূড়ান্ত নন, তবে অ্যাপ্রোপ্রিয়েট। প্রয়োজনে যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার সন্ধ্যার পর সীতাকুণ্ডের কদমরসুল, ভাটিয়ারী বাজার ও জলিল গেইট এলাকায় মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, ভাঙচুর, হানাহানি ও সড়ক অবরোধসহ নানাবিধ অবৈধ কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আলাউদ্দিন মনি, সাধারণ সম্পাদক হেলাল উ
দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিনটি আসনে প্রার্থী হওয়ায় ২৩৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ২৩৫ জন, যার মধ্যে নারী প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র ১০ জন। শতাংশের হিসাবে নারী প্রার্থীর পরিমাণ মোট প্রার্থীর মাত্র ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ।
সারজিস আলম বলেন, আওয়ামী লীগ এবং তাদের দোসর জাতীয় পার্টির আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার কোনো অধিকার নেই। তারা যখন বলে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। তাদের জন্মদাতা যে আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগ যে তাদের পেলেপোষে বড় করেছে এর প্রমাণ তারা আবার নতুন করে দিচ্ছে। একদম স্প