টাঙ্গাইলে মে দিবসের সমাবেশ থেকে ১৪ দাবি উত্থাপন

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলে শহিদ স্মৃতি পৌর পার্কে মে দিবসে শ্রমিকদের আয়োজনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: রাজনীতি ডটকম

‘শ্রমিক-মালিক এক হয়ে গড়ব এ দেশ নতুন করে’ স্লোগান নিয়ে টাঙ্গাইলে পৃথকভাবে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে মে দিবস পালন করা হয়েছে। এর মধ্যে শ্রমিকদের আয়োজনে এক সমাবেশ নিজেদের অধিকারের সুরক্ষায় ১৪ দফা দাবি তুলে ধরেছেন শ্রমিকরা।

বৃহস্পতিবার (১ মে) সকালে জেলা প্রশাসন এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যাগে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক। সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল্যাহ আল মামুন।

সকাল ১১টার দিকে শহরের শহিদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে শ্রমিকদের উদ্যোগে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা মে দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক শ্যামল হোড়ের সভাপতিত্বে সমাবেশ থেকে শ্রমিক নেতারা ১৪ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো তারা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

সমাবেশে জেলার বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ দিন সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে পৌর উদ্যানে জড়ো হতে থাকেন।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ঈদের রাতে বাস-লেগুনা মুখোমুখি, প্রাণ গেল ৩ জনের

ঈদের রাতে বাস-লেগুনা মুখোমুখি, প্রাণ গেল ৩ জনের

১১ ঘণ্টা আগে

কোরবানিহীনদের ‘কোরবানির বাজার’

ঢাকা শহরের টিকাটুলির হাটখোলা মোড় কিংবা বুড়িগঙ্গার ওপারে কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা মিলল এই অস্থায়ী হাটের। ভ্যানের ওপর লাল প্লাস্টিক বিছিয়ে স্তূপ করে রাখা হয়েছে মাংস। তবে এই মাংস কোনো কসাইয়ের দোকান থেকে আসেনি, এসেছে শত শত মানুষের দুয়ার ঘুরে সংগ্রহ করা কোরবানির দান থেকে।

১ দিন আগে

ঈদের কেনাকাটা করে বাড়ি ফেরা হলো না শিশু হাছেন ও তার মায়ের

নিহতদের পরিবার জানায়, স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে গতকাল বিকেলে ঈদের কেনাকাটার জন্য কারারচর থেকে নরসিংদী শহরে এসেছিলেন সুজন মিয়া। কেনাকাটা শেষে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নরসিংদী রেলস্টেশনে আসেন তারা। রেললাইন পার হয়ে হাজেরা টাওয়ারের সামনে থেকে বাড়ির উদ্দেশে অটোরিকশায় উঠার কথা ছিল তাদের। স্টেশনে এসে দেখেন, ঢাকাগা

১ দিন আগে

‘ইচ্ছা আছিল‌ ধান বেইচ্চা কোরবানি দিমু, হেই ইচ্ছা আর পূরণ করতাম পারলাম না’

কেবল রুবেল বা তোফাজ্জল নয়, মিঠামইনের এই হাওরের সব কৃষকের ঘরে ঘরে এখন হাহাকার। কৃষকদের দাবি, ৬০ হাজার কৃষকের কষ্টের ফসল বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। অথচ এই ধান দিয়েই তাদের সারা বছরের খোড়াক চলে তথা খাবারের ব্যবস্থা হয়। কিছু ধান বিক্রি করে অন্যান্য খরচের সংস্থান হয় তাদের। ধান তলিয়ে যাওয়ায় এবার অন্য খরচ

১ দিন আগে