
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় স্ত্রী পারভীন আক্তার হত্যা মামলায় তার স্বামী মো. শফিকুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় শ্বশুর মো. তোরাব আলী ও শাশুড়ি সখিনা খাতুনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। পাশাপাশি শফিকুল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০ বছর আগে কলমাকান্দা উপজেলার ক্ষুদ্র সিধলী গ্রামের শফিকুল ইসলামের সঙ্গে পারভীন আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের দুই ছেলে রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে পারভীনের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
২০১৯ সালের ২৫ মার্চ পারভীনের বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য চাপ দেন শফিকুল। এতে অপারগতা জানালে তাকে মারধর করা হয়। পরে পারভীন বাবার বাড়িতে চলে যান। স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে সমঝোতার পর আবার তাকে স্বামীর সংসারে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
এর এক মাস পর, ২০১৯ সালের ২৬ এপ্রিল গভীর রাতে পারভীনের মৃত্যুর খবর পান তার ভাই আবু ইউসুফ। ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বজনরা শ্বশুরবাড়ির বারান্দায় তার মরদেহ দেখতে পান। তাদের দাবি, পারভীনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল।
পরে এ ঘটনায় পারভীনের ছোট ভাই আবু ইউসুফ বাদী হয়ে কলমাকান্দা থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত স্বামী শফিকুল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন।
বাদী আবু ইউসুফ বর্তমানে হজে থাকায় তার মা আলেয়া আক্তার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নূরুল কবীর রুবেল। তিনি বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত শফিকুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন এবং অপর দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন।
রাজনীতি/আরআইআর

নেত্রকোনায় স্ত্রী পারভীন আক্তার হত্যা মামলায় তার স্বামী মো. শফিকুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় শ্বশুর মো. তোরাব আলী ও শাশুড়ি সখিনা খাতুনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। পাশাপাশি শফিকুল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০ বছর আগে কলমাকান্দা উপজেলার ক্ষুদ্র সিধলী গ্রামের শফিকুল ইসলামের সঙ্গে পারভীন আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের দুই ছেলে রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে পারভীনের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
২০১৯ সালের ২৫ মার্চ পারভীনের বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য চাপ দেন শফিকুল। এতে অপারগতা জানালে তাকে মারধর করা হয়। পরে পারভীন বাবার বাড়িতে চলে যান। স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে সমঝোতার পর আবার তাকে স্বামীর সংসারে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
এর এক মাস পর, ২০১৯ সালের ২৬ এপ্রিল গভীর রাতে পারভীনের মৃত্যুর খবর পান তার ভাই আবু ইউসুফ। ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বজনরা শ্বশুরবাড়ির বারান্দায় তার মরদেহ দেখতে পান। তাদের দাবি, পারভীনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল।
পরে এ ঘটনায় পারভীনের ছোট ভাই আবু ইউসুফ বাদী হয়ে কলমাকান্দা থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত স্বামী শফিকুল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন।
বাদী আবু ইউসুফ বর্তমানে হজে থাকায় তার মা আলেয়া আক্তার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নূরুল কবীর রুবেল। তিনি বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত শফিকুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন এবং অপর দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন।
রাজনীতি/আরআইআর

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে উড়ালসড়কের সিঁড়ির কাছে এক যুবককে ছিনতাইকারী সন্দেহে আটক করেন কয়েকজন। তাঁর বয়স আনুমানিক ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তাকে ঘিরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মারধর শুরু হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, নুরুল আলম ‘ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে’ মারা গেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি মসজিদের ইমাম মো. আমির হোসেনের (৪৩) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বাংলাবাজার ঘোড়ামারা এলাকার রাজা মিয়া সওদাগর জামে মসজিদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
৮ ঘণ্টা আগে