
চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় মামলা করেছে পুলিশ। ওই পাহাড়ি এলাকার নিয়ন্ত্রক শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিনকে মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে। হামলার পর আটক পাঁচজনকেও মামলার আসামি করা হয়েছে। আসামি হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছে আরও ৩৬ জনের। ২০০ জনকে করা হয়েছে অজ্ঞাত আসামি।
সোমবার (২৫ মে) রাতে সীতাকুণ্ড থানার ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক সোহেল রানা মামলাটি করেন। এর আগে গত রোববার (২৪ মে) দিবাগত রাত ২টার দিকে জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে হামলা চালিয়ে যৌথবাহিনীর নবনির্মিত একটি ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।
মঙ্গলবার রাতে সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার পাঁচজন ও সন্ত্রাসী ইয়াসিনসহ মোট ৪২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে মামলায়। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, পুলিশের ওপর সংঘবদ্ধ সশস্ত্র হামলা, সরকারি কাজে বাধা, সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের অভিযোগ এবং বিস্ফোরক আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলাটিতে অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার দিবাগত রাতে ওই হামলার আগে সন্ত্রাসীরা ক্যাম্পের আশপাশে অন্তত চারটি স্থানে রাস্তা কেটে দেয়। এরপর তিন দিকে পাহাড়ের ওপর থেকে গুলি করতে শুরু করে। প্রায় ৩০০ সশস্ত্র সন্ত্রাসী ক্যাম্পের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ঘেরাও করে হামলা চালায়।
পরে যৌথ বাহিনীর অভিযানের মুখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে দুপক্ষের মধ্যে পালটাপালটি গুলি বিনিময় হয়েছে বলে র্যাব জানায়।
এর আগে গত ৯ মার্চ বড় অভিযান চালিয়ে জঙ্গল সলিমপুরের নিয়ন্ত্রণ নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরপর আলীনগর উচ্চবিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ভবনে যৌথ বাহিনীর একটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। সেখানে পুলিশ, এপিবিএন, আরআরএফ ও র্যাবের ১৩০ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
র্যাবের চট্টগ্রাম জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, ইয়াসিন বাহিনীর সদস্যরা এ হামলার সঙ্গে জড়িত। একে-৪৭ রাইফেলসহ ভারি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সন্ত্রাসীরা হামলা করেছিল। র্যাব সদস্যরা টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও রাইফেলের গুলি ছুড়ে প্রতিরোধ করে।
জঙ্গল সলিমপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র উদ্ধারে দুই প্লাটুন বিজিবি চেয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ-সংক্রান্ত আবেদন করেন। গতকাল সোমবার সেই আবেদন অনুমোদন দেওয়া হয়। ৩১ মে পর্যন্ত সেখানে বিজিবি মোতায়েন থাকবে।
জঙ্গল সলিমপুর সীতাকুণ্ড উপজেলার অধীন হলেও সেখানে যাতায়াত করতে হয় চট্টগ্রাম নগর হয়ে। বায়েজিদ-ফৌজদারহাট সড়ক থেকে পাহাড়ি পথ ধরে এলাকাটিতে প্রবেশ করতে হয়। ছিন্নমূল ও আলীনগর— এ দুই অংশ নিয়ে গড়ে উঠেছে জঙ্গল সলিমপুর। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, সেখানে প্রায় তিন হাজার ১০০ একর খাসজমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি বিভিন্ন ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় মামলা করেছে পুলিশ। ওই পাহাড়ি এলাকার নিয়ন্ত্রক শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিনকে মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে। হামলার পর আটক পাঁচজনকেও মামলার আসামি করা হয়েছে। আসামি হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছে আরও ৩৬ জনের। ২০০ জনকে করা হয়েছে অজ্ঞাত আসামি।
সোমবার (২৫ মে) রাতে সীতাকুণ্ড থানার ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক সোহেল রানা মামলাটি করেন। এর আগে গত রোববার (২৪ মে) দিবাগত রাত ২টার দিকে জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে হামলা চালিয়ে যৌথবাহিনীর নবনির্মিত একটি ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।
মঙ্গলবার রাতে সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার পাঁচজন ও সন্ত্রাসী ইয়াসিনসহ মোট ৪২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে মামলায়। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, পুলিশের ওপর সংঘবদ্ধ সশস্ত্র হামলা, সরকারি কাজে বাধা, সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের অভিযোগ এবং বিস্ফোরক আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলাটিতে অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার দিবাগত রাতে ওই হামলার আগে সন্ত্রাসীরা ক্যাম্পের আশপাশে অন্তত চারটি স্থানে রাস্তা কেটে দেয়। এরপর তিন দিকে পাহাড়ের ওপর থেকে গুলি করতে শুরু করে। প্রায় ৩০০ সশস্ত্র সন্ত্রাসী ক্যাম্পের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ঘেরাও করে হামলা চালায়।
পরে যৌথ বাহিনীর অভিযানের মুখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে দুপক্ষের মধ্যে পালটাপালটি গুলি বিনিময় হয়েছে বলে র্যাব জানায়।
এর আগে গত ৯ মার্চ বড় অভিযান চালিয়ে জঙ্গল সলিমপুরের নিয়ন্ত্রণ নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরপর আলীনগর উচ্চবিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ভবনে যৌথ বাহিনীর একটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। সেখানে পুলিশ, এপিবিএন, আরআরএফ ও র্যাবের ১৩০ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
র্যাবের চট্টগ্রাম জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, ইয়াসিন বাহিনীর সদস্যরা এ হামলার সঙ্গে জড়িত। একে-৪৭ রাইফেলসহ ভারি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সন্ত্রাসীরা হামলা করেছিল। র্যাব সদস্যরা টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও রাইফেলের গুলি ছুড়ে প্রতিরোধ করে।
জঙ্গল সলিমপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র উদ্ধারে দুই প্লাটুন বিজিবি চেয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ-সংক্রান্ত আবেদন করেন। গতকাল সোমবার সেই আবেদন অনুমোদন দেওয়া হয়। ৩১ মে পর্যন্ত সেখানে বিজিবি মোতায়েন থাকবে।
জঙ্গল সলিমপুর সীতাকুণ্ড উপজেলার অধীন হলেও সেখানে যাতায়াত করতে হয় চট্টগ্রাম নগর হয়ে। বায়েজিদ-ফৌজদারহাট সড়ক থেকে পাহাড়ি পথ ধরে এলাকাটিতে প্রবেশ করতে হয়। ছিন্নমূল ও আলীনগর— এ দুই অংশ নিয়ে গড়ে উঠেছে জঙ্গল সলিমপুর। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, সেখানে প্রায় তিন হাজার ১০০ একর খাসজমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি বিভিন্ন ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে শামসুল হুদা মাছ ধরার উদ্দেশ্যে নিজ গ্রামের পাশের মোড়াইল বিলে যান। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে