
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গোপালগঞ্জের জনজীবন। তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, ভোরে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি বলেন, বাতাসের আর্দ্রতা রয়েছে ৯৭ শতাংশ। দুপুরের পর সূর্যের দেখা মিলতে পারে এবং এমন আবহাওয়া জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
তীব্র শীতে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু ও বয়স্করা। প্রচণ্ড ঠান্ডা ও কুয়াশার কারণে সকাল থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি। এতে বোরো ধান রোপণসহ কৃষিকাজে ব্যাঘাত ঘটছে।
অন্যদিকে, খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। জীবিকার তাগিদে অনেকেই বাধ্য হয়ে ঠান্ডা উপেক্ষা করে কাজে বের হচ্ছেন।
এদিকে, ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। চালকরা জানান, সামনে কিছুই স্পষ্ট না দেখা যাওয়ায় ধীরগতিতে এবং চরম ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালাতে হচ্ছে।

ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গোপালগঞ্জের জনজীবন। তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, ভোরে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি বলেন, বাতাসের আর্দ্রতা রয়েছে ৯৭ শতাংশ। দুপুরের পর সূর্যের দেখা মিলতে পারে এবং এমন আবহাওয়া জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
তীব্র শীতে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু ও বয়স্করা। প্রচণ্ড ঠান্ডা ও কুয়াশার কারণে সকাল থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি। এতে বোরো ধান রোপণসহ কৃষিকাজে ব্যাঘাত ঘটছে।
অন্যদিকে, খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। জীবিকার তাগিদে অনেকেই বাধ্য হয়ে ঠান্ডা উপেক্ষা করে কাজে বের হচ্ছেন।
এদিকে, ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। চালকরা জানান, সামনে কিছুই স্পষ্ট না দেখা যাওয়ায় ধীরগতিতে এবং চরম ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালাতে হচ্ছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৭ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে