
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে (৩৮) প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় অজ্ঞাত ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।
নিহত তুহিনের বড় ভাই মোহাম্মদ সেলিম বাদী হয়ে শুক্রবার (৮ আগস্ট) সকালে বাসন থানায় এ মামলা করেন।
বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন খান মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজে তুহিনের মরদেহের ময়নাতদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের পর আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পরিবার জানিয়েছে, গাজীপুর চন্দনা চৌরাস্তায় তুহিনের প্রথম জানাজা হবে। এরপর তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায়। সেখানেই তাকে দাফন করা হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত পৌনে ৮টার দিকে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় মসজিদ মার্কেটের সামনে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন। স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকাতেই থাকতেন।
পুলিশ জানিয়েছে, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী চক্র সাংবাদিক তুহিনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এক ব্যক্তিকে ধাওয়া করার দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করার সময় তুহিন তাদের নজরে পড়েন। পরে সন্ত্রাসীরা তাকে ধাওয়া করে এবং কুপিয়ে হত্যা করে।
ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসি ক্যমেরা) ফুটেজ পুলিশ হাতে পেয়েছে। গাজীপুর মহানগর পুলিশের একটি সূত্র বলছে, গাজীপুর নগরের বাসন, ভোগরা ও চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় একটি চক্র আছে, যারা ছিনতাইয়ে জড়িত। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে যাদের দেখা গেছে, তারা সবাই ছিনতাইকারী দলের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ভিডিওতে যে নারীকে দেখা গেছে, তিনিও ওই চক্রের সদস্য হতে পারেন। চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ পেতে ওই চক্র ছিনতাই করে থাকে।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার রবিউল হাসান বলেন, আমরা ধারণা করছি, সিসি ক্যামেরার ফুটেজের ওই নারী ছিনতাইকারী দলের সদস্য। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে এরই মধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে।

গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে (৩৮) প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় অজ্ঞাত ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।
নিহত তুহিনের বড় ভাই মোহাম্মদ সেলিম বাদী হয়ে শুক্রবার (৮ আগস্ট) সকালে বাসন থানায় এ মামলা করেন।
বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন খান মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজে তুহিনের মরদেহের ময়নাতদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের পর আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পরিবার জানিয়েছে, গাজীপুর চন্দনা চৌরাস্তায় তুহিনের প্রথম জানাজা হবে। এরপর তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায়। সেখানেই তাকে দাফন করা হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত পৌনে ৮টার দিকে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় মসজিদ মার্কেটের সামনে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন। স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকাতেই থাকতেন।
পুলিশ জানিয়েছে, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী চক্র সাংবাদিক তুহিনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এক ব্যক্তিকে ধাওয়া করার দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করার সময় তুহিন তাদের নজরে পড়েন। পরে সন্ত্রাসীরা তাকে ধাওয়া করে এবং কুপিয়ে হত্যা করে।
ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসি ক্যমেরা) ফুটেজ পুলিশ হাতে পেয়েছে। গাজীপুর মহানগর পুলিশের একটি সূত্র বলছে, গাজীপুর নগরের বাসন, ভোগরা ও চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় একটি চক্র আছে, যারা ছিনতাইয়ে জড়িত। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে যাদের দেখা গেছে, তারা সবাই ছিনতাইকারী দলের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ভিডিওতে যে নারীকে দেখা গেছে, তিনিও ওই চক্রের সদস্য হতে পারেন। চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ পেতে ওই চক্র ছিনতাই করে থাকে।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার রবিউল হাসান বলেন, আমরা ধারণা করছি, সিসি ক্যামেরার ফুটেজের ওই নারী ছিনতাইকারী দলের সদস্য। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে এরই মধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে