
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে জেরা মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দগ্ধ হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিজস্ব ক্যান্টিনে দুপুরের বুফে খাবার খাচ্ছিলেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ সময় হঠাৎ ক্যান্টিনের ভেতরে গ্যাস লিকেজ থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে সেখানে থাকা কয়েকজন দগ্ধ হন। পরে সহকর্মীরা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে ঢাকায় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান।
দগ্ধরা হলেন—নাজমুল শেখ (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), আমির (২৫), শংকর (২৫), কাওছার (৩০), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), আল-আমিন (৪০), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২) ও বদরুল হায়দার (৫০)। তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ, বিশেষ করে হাত, মুখ ও পা দগ্ধ হয়েছে বলে জানা গেছে।
ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দুপুরে দগ্ধ ১২ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। বর্তমানে তাদের জরুরি বিভাগে পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কার শরীরের কত শতাংশ পুড়েছে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হচ্ছে।
এদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সেফটি কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম বলেন, দগ্ধদের মধ্যে আমির, শংকর, কাওছার ও আল-আমিন ক্যান্টিন বয় হিসেবে কর্মরত। বাকিরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে জেরা মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দগ্ধ হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিজস্ব ক্যান্টিনে দুপুরের বুফে খাবার খাচ্ছিলেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ সময় হঠাৎ ক্যান্টিনের ভেতরে গ্যাস লিকেজ থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে সেখানে থাকা কয়েকজন দগ্ধ হন। পরে সহকর্মীরা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে ঢাকায় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান।
দগ্ধরা হলেন—নাজমুল শেখ (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), আমির (২৫), শংকর (২৫), কাওছার (৩০), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), আল-আমিন (৪০), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২) ও বদরুল হায়দার (৫০)। তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ, বিশেষ করে হাত, মুখ ও পা দগ্ধ হয়েছে বলে জানা গেছে।
ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দুপুরে দগ্ধ ১২ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। বর্তমানে তাদের জরুরি বিভাগে পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কার শরীরের কত শতাংশ পুড়েছে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হচ্ছে।
এদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সেফটি কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম বলেন, দগ্ধদের মধ্যে আমির, শংকর, কাওছার ও আল-আমিন ক্যান্টিন বয় হিসেবে কর্মরত। বাকিরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৮ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে