
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

২০০১-২০০৬ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির নেতারা।
বাবর স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনা নিয়ে দেওয়া এ বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলও করেছেন তারা। রোববার (২৭ জুলাই) রাত ৮টার সময় নেত্রকোনা জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে।
এ দিন দুপুরে এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি ছিল নেত্রকোনায়। সেখানে সাবেক প্রতিমন্ত্রী বাবরের উদ্দেশে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘১০ ট্রাক অস্ত্র চালান করলেন। যদি তা হ্যান্ডেলিং করতেই না পারবেন, তবে আনলেন কেন? এই ১০ ট্রাক অস্ত্রের কারণে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশের জনগণের জীবন বিপন্নতার মধ্যে পড়েছে।’
নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর এ বক্তব্য ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। স্থানীয় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে তারা রাতে বের করেন বিক্ষোভ মিছিল।
জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ছোট বাজার এলাকায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়। এ সময় এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মনিরুজ্জামান দুদুর সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আশরাফ উদ্দীন খান, আব্দুল মান্নান তালুকদার, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ রানা চৌধুরীসহ অন্যরা।
এদিকে নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্য ঘিরে বিক্ষোভ হয়েছে ঢাকাতেও। রোববার রাতে জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে পল্টনেএলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল হয়। তবে ঢাকার এ মিছিল বিএনপি দলীয়ভাবে করেনি। ‘সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানার নিয়ে বাবরের পক্ষে স্লোগান দিয়ে মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।

২০০১-২০০৬ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির নেতারা।
বাবর স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনা নিয়ে দেওয়া এ বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলও করেছেন তারা। রোববার (২৭ জুলাই) রাত ৮টার সময় নেত্রকোনা জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে।
এ দিন দুপুরে এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি ছিল নেত্রকোনায়। সেখানে সাবেক প্রতিমন্ত্রী বাবরের উদ্দেশে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘১০ ট্রাক অস্ত্র চালান করলেন। যদি তা হ্যান্ডেলিং করতেই না পারবেন, তবে আনলেন কেন? এই ১০ ট্রাক অস্ত্রের কারণে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশের জনগণের জীবন বিপন্নতার মধ্যে পড়েছে।’
নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর এ বক্তব্য ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। স্থানীয় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে তারা রাতে বের করেন বিক্ষোভ মিছিল।
জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ছোট বাজার এলাকায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়। এ সময় এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মনিরুজ্জামান দুদুর সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আশরাফ উদ্দীন খান, আব্দুল মান্নান তালুকদার, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ রানা চৌধুরীসহ অন্যরা।
এদিকে নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্য ঘিরে বিক্ষোভ হয়েছে ঢাকাতেও। রোববার রাতে জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে পল্টনেএলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল হয়। তবে ঢাকার এ মিছিল বিএনপি দলীয়ভাবে করেনি। ‘সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানার নিয়ে বাবরের পক্ষে স্লোগান দিয়ে মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।

বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে