
রাজশাহী ব্যুরো

নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তর নিয়ে আলোচনার মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মিজানুর রহমান মিনু। বলেছেন, ‘কোনো ঠিকাদারের কথায় নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় যাবে না।’
প্রশ্ন উঠেছে— কার উদ্দেশে ‘ঠিকাদার’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন ভূমিমন্ত্রী। নেতাকর্মীরা অবশ্য বলছেন, এ প্রশ্নের উত্তর কঠিন কিছু নয়। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে লক্ষ্য করেই ‘ঠিকাদার’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন ভূমিমন্ত্রী। কারণ প্রতিমন্ত্রীই নেসকোর কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তরের কথা বলেছিলেন। আবার তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানও আছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, এখানে (নেসকো) কয়েকজন চাকরি করেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ ফ্যাসিস্টদের দালাল। তারা বিষয়টি নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন। কিন্তু কে কী বলল, কোন ঠিকাদার (কন্ট্রাক্টর) কী বলল, তাতে কিছু আসে যায় না। কোনো কন্ট্রাক্টরের কথায় নেসকো কোথাও যাবে না। দিস ইজ রাজশাহী।
রাজশাহীর স্বার্থ রক্ষায় নিজেকে আপসহীন অভিহিত করে মিনু বলেন, রাজশাহীর প্রতিষ্ঠান রাজশাহীতেই থাকবে। কোনো কন্ট্রাক্টর কোথায় কী বলল, তাতে কিছু যায় আসে না। নেসকো কেন, রাজশাহীর কোনো প্রতিষ্ঠানই কোথাও যাবে না।
নেসকোর কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তরের আলোচনা উসকে দিয়েছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ও বগুড়ার সংসদ সদস্য মীর শাহে আলম। প্রতিমন্ত্রী এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘রাজশাহীবাসী সারা দিন চিৎকার করে। হোক না বগুড়ায় (নেসকোর) হেড অফিস, আপনারা জোনাল অফিস নেন।’
এর আগে নেসকোর প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় স্থানান্তরের দাবিতে মীর শাহে আলম বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে একটি ডিও লেটারও দেন।
প্রতিমন্ত্রীর ওই ডিও লেটার ও বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দেয়। বিশেষ করে রাজশাহীতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরাও প্রতিমন্ত্রীর সমালোচনায় মুখর হন।
এদিকে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পেশায় ব্যবসায়ী। ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি আগে থেকেই। গণমাধ্যমের খবরে এসেছে, প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর তার নিজের ও পরিবারের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের প্রায় ৪০ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে। এসব কারণে অনেকেই মীর শাহে আলমকে ‘ঠিকাদার প্রতিমন্ত্রী’ও বলে থাকেন।
এসব কারণেই ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু নেসকোর কার্যালয় স্থানান্তর ইস্যুতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কারও নাম উল্লেখ না করলেও ‘কন্ট্রাক্টর’ বলতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকেই বুঝিয়েছেন— এমনটিই ভাষ্য নেতাকর্মীদের।
মন্ত্রী মিনু রাজশাহীর প্রতি তার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বারবার পুনর্ব্যক্ত করেন বুধবারের অনুষ্ঠানে। বলেন, রাজশাহী হবে ফার্স্ট। আমার কাছে মন্ত্রীত্ব, এমপি বা মেয়রের পদ বড় নয়। এই মাটিতেই আমার জন্ম, এই মাটিতেই আমার মৃত্যু হবে। আল্লাহ আমাকে অনেক সম্মান দিয়েছেন। তাই কোনো কন্ট্রাক্টর কোথায় কী বলল, তাতে কিছু আসে যায় না।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন।

নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তর নিয়ে আলোচনার মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মিজানুর রহমান মিনু। বলেছেন, ‘কোনো ঠিকাদারের কথায় নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় যাবে না।’
প্রশ্ন উঠেছে— কার উদ্দেশে ‘ঠিকাদার’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন ভূমিমন্ত্রী। নেতাকর্মীরা অবশ্য বলছেন, এ প্রশ্নের উত্তর কঠিন কিছু নয়। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে লক্ষ্য করেই ‘ঠিকাদার’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন ভূমিমন্ত্রী। কারণ প্রতিমন্ত্রীই নেসকোর কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তরের কথা বলেছিলেন। আবার তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানও আছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, এখানে (নেসকো) কয়েকজন চাকরি করেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ ফ্যাসিস্টদের দালাল। তারা বিষয়টি নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন। কিন্তু কে কী বলল, কোন ঠিকাদার (কন্ট্রাক্টর) কী বলল, তাতে কিছু আসে যায় না। কোনো কন্ট্রাক্টরের কথায় নেসকো কোথাও যাবে না। দিস ইজ রাজশাহী।
রাজশাহীর স্বার্থ রক্ষায় নিজেকে আপসহীন অভিহিত করে মিনু বলেন, রাজশাহীর প্রতিষ্ঠান রাজশাহীতেই থাকবে। কোনো কন্ট্রাক্টর কোথায় কী বলল, তাতে কিছু যায় আসে না। নেসকো কেন, রাজশাহীর কোনো প্রতিষ্ঠানই কোথাও যাবে না।
নেসকোর কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তরের আলোচনা উসকে দিয়েছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ও বগুড়ার সংসদ সদস্য মীর শাহে আলম। প্রতিমন্ত্রী এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘রাজশাহীবাসী সারা দিন চিৎকার করে। হোক না বগুড়ায় (নেসকোর) হেড অফিস, আপনারা জোনাল অফিস নেন।’
এর আগে নেসকোর প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় স্থানান্তরের দাবিতে মীর শাহে আলম বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে একটি ডিও লেটারও দেন।
প্রতিমন্ত্রীর ওই ডিও লেটার ও বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দেয়। বিশেষ করে রাজশাহীতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরাও প্রতিমন্ত্রীর সমালোচনায় মুখর হন।
এদিকে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পেশায় ব্যবসায়ী। ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি আগে থেকেই। গণমাধ্যমের খবরে এসেছে, প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর তার নিজের ও পরিবারের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের প্রায় ৪০ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে। এসব কারণে অনেকেই মীর শাহে আলমকে ‘ঠিকাদার প্রতিমন্ত্রী’ও বলে থাকেন।
এসব কারণেই ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু নেসকোর কার্যালয় স্থানান্তর ইস্যুতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কারও নাম উল্লেখ না করলেও ‘কন্ট্রাক্টর’ বলতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকেই বুঝিয়েছেন— এমনটিই ভাষ্য নেতাকর্মীদের।
মন্ত্রী মিনু রাজশাহীর প্রতি তার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বারবার পুনর্ব্যক্ত করেন বুধবারের অনুষ্ঠানে। বলেন, রাজশাহী হবে ফার্স্ট। আমার কাছে মন্ত্রীত্ব, এমপি বা মেয়রের পদ বড় নয়। এই মাটিতেই আমার জন্ম, এই মাটিতেই আমার মৃত্যু হবে। আল্লাহ আমাকে অনেক সম্মান দিয়েছেন। তাই কোনো কন্ট্রাক্টর কোথায় কী বলল, তাতে কিছু আসে যায় না।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২০ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে