
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

শিশু ধর্ষণের এক মামলা প্রত্যাহার না করার কারণে দায়ের কোপে ওই শিশুটির মায়ের কান কেটে নিয়েছেন আসামি পক্ষের এক নারী। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, এ ঘটনাতেও একটি মামলা হবে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সুনামগঞ্জের মোহনপুর ইউনিয়নের তাজনগর হাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই নারীকে পুলিশ আটক করেছে।
পুলিশ জানায়, ওই গ্রামের আগের এক শিশু ধর্ষণ মামলার আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের শিকার শিশুটির মাকে মামলা প্রত্যাহারের চাপসহ হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিলেন। হুমকির মুখে মেয়েটির মা থানায় জিডি করলে আসামিপক্ষ আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এর জের ধরে শনিবার বিকেলে দায়ের কোপে শিশুর মায়ের কান কেটে নেন আসামিপক্ষের এক নারী।
ঘটনাটি আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখের নির্দেশনায় এসআই অভিজিৎ, এসআই মিজান নারী পুলিশ সদস্যসহ অভিযান চালিয়ে দুই নারীকে আটক করেন। দায়ের কোপে কান বিচ্ছিন্ন হওয়া নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই নারীকে আটক করা হয়েছে। কান বিচ্ছিন্ন হওয়া নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

শিশু ধর্ষণের এক মামলা প্রত্যাহার না করার কারণে দায়ের কোপে ওই শিশুটির মায়ের কান কেটে নিয়েছেন আসামি পক্ষের এক নারী। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, এ ঘটনাতেও একটি মামলা হবে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সুনামগঞ্জের মোহনপুর ইউনিয়নের তাজনগর হাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই নারীকে পুলিশ আটক করেছে।
পুলিশ জানায়, ওই গ্রামের আগের এক শিশু ধর্ষণ মামলার আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের শিকার শিশুটির মাকে মামলা প্রত্যাহারের চাপসহ হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিলেন। হুমকির মুখে মেয়েটির মা থানায় জিডি করলে আসামিপক্ষ আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এর জের ধরে শনিবার বিকেলে দায়ের কোপে শিশুর মায়ের কান কেটে নেন আসামিপক্ষের এক নারী।
ঘটনাটি আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখের নির্দেশনায় এসআই অভিজিৎ, এসআই মিজান নারী পুলিশ সদস্যসহ অভিযান চালিয়ে দুই নারীকে আটক করেন। দায়ের কোপে কান বিচ্ছিন্ন হওয়া নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই নারীকে আটক করা হয়েছে। কান বিচ্ছিন্ন হওয়া নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৮ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে