
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সুনামগঞ্জের সুরমা নদীতে নৌকাডুবে মা-মেয়েসহ ৩ জন নিখোঁজের প্রায় ৫৮ ঘণ্টা পর একজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) রাতে ভোজনারপার গ্রামের উদনার চর এলাকা থেকে মানসিক প্রতিবন্ধী জোছনা বেগমের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জোছনা বেগম দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম মাছিমপুর গ্রামের আইন উদ্দিনের স্ত্রী।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে ছোট খেয়া নৌকায় উপজেলার আজমপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা নারী ও শিশুসহ ৭ জন আজমপুর খেয়াঘাট এলাকায় সুরমা নদী পার হচ্ছিলেন। এসময় প্রচণ্ড স্রোতের কবলে পড়ে নৌকাটি ডুবে যায়। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে শিশুসহ ৪ জনকে উদ্ধার করে। তবে নিখোঁজ ছিলেন ৩ জন। তাদের মধ্যে জোছনা বেগমের লাশ রাতে উদ্ধার করা গেলেও এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন আরও দুজন। এরা হলেন, নিহত জোছনা বেগমের সন্তান এক বছর বয়সী শিশু ময়না ও গুলো বিবি (৭০)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দোয়ারাবাজার থানার ওসি বদরুল হাসান। তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে নদী পারাপারের সময় প্রচণ্ড স্রোতের কারণে নৌকাটি ডুবে যায়। সেদিনই খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এবং স্থানীয়দেরকে নিয়ে ৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করি। কিন্তু নদীতে প্রচণ্ড স্রোত থাকায় ৩ জন নিখোঁজ ছিলেন। তাদে্র সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালিয়েও পাওয়া যায়নি। রাতে গ্রামের স্থানীয়রা লাশ ভেসে উঠার খবর দিলে নৌপুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। তারা মরদেহটি উদ্ধার করে।

সুনামগঞ্জের সুরমা নদীতে নৌকাডুবে মা-মেয়েসহ ৩ জন নিখোঁজের প্রায় ৫৮ ঘণ্টা পর একজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) রাতে ভোজনারপার গ্রামের উদনার চর এলাকা থেকে মানসিক প্রতিবন্ধী জোছনা বেগমের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জোছনা বেগম দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম মাছিমপুর গ্রামের আইন উদ্দিনের স্ত্রী।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে ছোট খেয়া নৌকায় উপজেলার আজমপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা নারী ও শিশুসহ ৭ জন আজমপুর খেয়াঘাট এলাকায় সুরমা নদী পার হচ্ছিলেন। এসময় প্রচণ্ড স্রোতের কবলে পড়ে নৌকাটি ডুবে যায়। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে শিশুসহ ৪ জনকে উদ্ধার করে। তবে নিখোঁজ ছিলেন ৩ জন। তাদের মধ্যে জোছনা বেগমের লাশ রাতে উদ্ধার করা গেলেও এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন আরও দুজন। এরা হলেন, নিহত জোছনা বেগমের সন্তান এক বছর বয়সী শিশু ময়না ও গুলো বিবি (৭০)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দোয়ারাবাজার থানার ওসি বদরুল হাসান। তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে নদী পারাপারের সময় প্রচণ্ড স্রোতের কারণে নৌকাটি ডুবে যায়। সেদিনই খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এবং স্থানীয়দেরকে নিয়ে ৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করি। কিন্তু নদীতে প্রচণ্ড স্রোত থাকায় ৩ জন নিখোঁজ ছিলেন। তাদে্র সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালিয়েও পাওয়া যায়নি। রাতে গ্রামের স্থানীয়রা লাশ ভেসে উঠার খবর দিলে নৌপুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। তারা মরদেহটি উদ্ধার করে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৯ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে