
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় বিরোধ মীমাংসার নামে ডেকে নিয়ে এক ব্যক্তিকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। নিহত ব্যক্তি হলেন হেমন্তগঞ্জ গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে আইয়ূব আলী (৫০)।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দিবাগত রাতে মিঠামইনের কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে প্রতিপক্ষ কাশেম চেয়ারম্যান গ্রুপের লোকজন আইয়ূব আলীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি বাড়িতে ফেরেননি। পরে হেমন্তগঞ্জ রাস্তার পাশে তার লাশ পাওয়া যায়।
নিহতের ছেলে জিয়াউর রহমান ও ভাতিজা বুলবুল অভিযোগ করেছেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে কাশেম গ্রুপের লোকজন মিথ্যা মীমাংসার কথা বলে ডেকে নিয়ে আইয়ূব আলীকে হত্যা করেছে।
মিঠামইন থানার ওসি মোঃ লিয়াকত আলী বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। তদন্ত চলমান, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এর আগে গত ২৩ মার্চ হেমন্তগঞ্জ গ্রামে কাশেম গ্রুপ ও একই গ্রামের নজির গ্রুপের মধ্যে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আসাদ (৩৫) ও কাতল মিয়াকে (৩০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া গুরুতর আহত ৫ জনকে কিশোরগঞ্জ সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি আহতদের মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ঈদের আগে থেকেই কাশেম চেয়ারম্যান গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র তৈরি করে মজুদ করেছে। তাদের পরিকল্পনা ছিল ঈদের নামাজের পর হামলা চালানো। তবে পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ায় তারা রাত থেকে হুমকি দিচ্ছিল। পরবর্তীতে লাউ কুড়ার মাঠে নজির গ্রুপের ওপর হামলা চালায়।
উল্লেখ্য, কাশেম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গত ৫ আগস্টের পর অন্তত ৩টি মামলা দায়ের হয়েছে। তিনি মাঝে মাঝে ইতালিতে চলে যান, তার ইতালির নাগরিকত্বও রয়েছে।

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় বিরোধ মীমাংসার নামে ডেকে নিয়ে এক ব্যক্তিকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। নিহত ব্যক্তি হলেন হেমন্তগঞ্জ গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে আইয়ূব আলী (৫০)।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দিবাগত রাতে মিঠামইনের কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে প্রতিপক্ষ কাশেম চেয়ারম্যান গ্রুপের লোকজন আইয়ূব আলীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি বাড়িতে ফেরেননি। পরে হেমন্তগঞ্জ রাস্তার পাশে তার লাশ পাওয়া যায়।
নিহতের ছেলে জিয়াউর রহমান ও ভাতিজা বুলবুল অভিযোগ করেছেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে কাশেম গ্রুপের লোকজন মিথ্যা মীমাংসার কথা বলে ডেকে নিয়ে আইয়ূব আলীকে হত্যা করেছে।
মিঠামইন থানার ওসি মোঃ লিয়াকত আলী বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। তদন্ত চলমান, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এর আগে গত ২৩ মার্চ হেমন্তগঞ্জ গ্রামে কাশেম গ্রুপ ও একই গ্রামের নজির গ্রুপের মধ্যে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আসাদ (৩৫) ও কাতল মিয়াকে (৩০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া গুরুতর আহত ৫ জনকে কিশোরগঞ্জ সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি আহতদের মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ঈদের আগে থেকেই কাশেম চেয়ারম্যান গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র তৈরি করে মজুদ করেছে। তাদের পরিকল্পনা ছিল ঈদের নামাজের পর হামলা চালানো। তবে পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ায় তারা রাত থেকে হুমকি দিচ্ছিল। পরবর্তীতে লাউ কুড়ার মাঠে নজির গ্রুপের ওপর হামলা চালায়।
উল্লেখ্য, কাশেম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গত ৫ আগস্টের পর অন্তত ৩টি মামলা দায়ের হয়েছে। তিনি মাঝে মাঝে ইতালিতে চলে যান, তার ইতালির নাগরিকত্বও রয়েছে।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
১০ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে