
রাজশাহী ব্যুরো

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) রাজশাহী অঞ্চলের অধীনে কর্মরত ২৯ জন শিক্ষককে অন্য একাধিক লাভজনক পেশায় যুক্ত থাকার অভিযোগে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গত ১৫ এপ্রিল মাউশি রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আজাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নোটিশ দেওয়া হয়।
নোটিশে বলা হয়, জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১-এর ধারা ১১.১৭ (ক) অনুযায়ী কোনো এমপিওভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক আর্থিকভাবে লাভজনক পদ বা পেশায় নিয়োজিত থাকতে পারেন না। তবে সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তালিকাভুক্ত এসব শিক্ষক-কর্মচারীর অনেকে শিক্ষকতার পাশাপাশি নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) ও হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা বিদ্যমান বিধিমালার পরিপন্থী।
শোকজপ্রাপ্তদের তালিকায় রাজশাহী জেলার বিভিন্ন উপজেলার ২১ জন, নাটোর জেলার ৪ জন, নওগাঁর ১ জন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১ জন শিক্ষকসহ মোট ২৯ জন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট ও মৌলভী রয়েছেন।
নোটিশে সংশ্লিষ্টদের আজ সোমবার মধ্যে মাউশি রাজশাহী অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে এমপিও বাতিলসহ বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে মাউশি রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আজাদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে আসার পরই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এটি বিধির পরিপন্থী। সংশ্লিষ্টদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আমরা সাত দিনের সময় দিয়েছি। তাদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আদেশটি বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিব, মাউশির মহাপরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শোকজপ্রাপ্তদের বাইরেও অনেক শিক্ষক ঠিকাদারি, কোচিং-সহ বিভিন্ন ব্যবসার সাথে জড়িত আছেন। এ ছাড়া, অনেকে সাংবাদিকতাও করছেন। তবে, এসব বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তথ্য চেয়েও পাওয়া যায়নি। ফলে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) রাজশাহী অঞ্চলের অধীনে কর্মরত ২৯ জন শিক্ষককে অন্য একাধিক লাভজনক পেশায় যুক্ত থাকার অভিযোগে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গত ১৫ এপ্রিল মাউশি রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আজাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নোটিশ দেওয়া হয়।
নোটিশে বলা হয়, জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১-এর ধারা ১১.১৭ (ক) অনুযায়ী কোনো এমপিওভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক আর্থিকভাবে লাভজনক পদ বা পেশায় নিয়োজিত থাকতে পারেন না। তবে সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তালিকাভুক্ত এসব শিক্ষক-কর্মচারীর অনেকে শিক্ষকতার পাশাপাশি নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) ও হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা বিদ্যমান বিধিমালার পরিপন্থী।
শোকজপ্রাপ্তদের তালিকায় রাজশাহী জেলার বিভিন্ন উপজেলার ২১ জন, নাটোর জেলার ৪ জন, নওগাঁর ১ জন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১ জন শিক্ষকসহ মোট ২৯ জন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট ও মৌলভী রয়েছেন।
নোটিশে সংশ্লিষ্টদের আজ সোমবার মধ্যে মাউশি রাজশাহী অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে এমপিও বাতিলসহ বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে মাউশি রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আজাদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে আসার পরই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এটি বিধির পরিপন্থী। সংশ্লিষ্টদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আমরা সাত দিনের সময় দিয়েছি। তাদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আদেশটি বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিব, মাউশির মহাপরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শোকজপ্রাপ্তদের বাইরেও অনেক শিক্ষক ঠিকাদারি, কোচিং-সহ বিভিন্ন ব্যবসার সাথে জড়িত আছেন। এ ছাড়া, অনেকে সাংবাদিকতাও করছেন। তবে, এসব বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তথ্য চেয়েও পাওয়া যায়নি। ফলে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) শাকিল আহমেদ (২২) নামের ওই শিক্ষার্থীকে পঞ্চগড়ের হাকিম আদালতে (দেবীগঞ্জ) হাজির করা হলে বিচারক মো. মোস্তাকিম ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বনানীতে সড়ক বিভাজকে উঠে যাওয়া একটি বাসের চাপায় দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে সড়ক ভবনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
এ সময় দুই ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ডে দণ্ডিতরা হলেন— শাহজাদপুর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের রেকাব আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম ও একই উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের জলিল মণ্ডলের ছেলে পিকআপ ভ্যানের চালক লাভলু মণ্ডল।
১ দিন আগে
মৌলভীবাজারের বড়লেখা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয়ের লাইনম্যান কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুস বাণিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা ও গ্রাহক হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। কাগজে-কলমে পদে লাইনম্যান হলেও মাঠপর্যায়ে তিনি ‘অলিখিত’ জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
১ দিন আগে