হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্র আরও কিছু দেশকে সঙ্গে নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের চেষ্টা করছে। এই প্রণালিতে অবাধে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই জোটের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। বার্তা সংস্থা রয়টার্স মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের নথির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে। বিষয়টি এমন এক সময়ে স
ইরানের তেলক্ষেত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তাকে ‘অর্থহীন পরামর্শ’ বলে কটাক্ষ করেছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের কালিবাফ। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের অবরোধের হুমকিই বরং বিশ্বব্যাপী তেলের দাম আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
দক্ষিণ লেবাননে মোতায়েন ইসরাইলি সেনাদল পরিদর্শনে গিয়ে ইয়াল জামির বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতৃত্ব আমাদের যে লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়েছে তা হলো, এমন একটি অবস্থানে থাকা যেন (ইসরাইলি) জনপদগুলোতে সরাসরি কোনো হামলা না হয়। আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছেছি এবং বর্তমানে এ অবস্থানেই আছি। আমাদের হয়তো এখানেই অবস্থান করতে হবে।'
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এবং লেবাননের কৃষি মন্ত্রণালয় বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ ৪০ হাজার (১.২৪ মিলিয়ন) মানুষ ‘সংকট পর্যায় বা তার চেয়েও গুরুতর’ খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকিতে রয়েছে।
মার্কিন কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে এই ব্যয় নিয়ে রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে। একদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন রিপাবলিকানরা হাউজে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে লড়াইয়ের মুখে, অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা জনমত জরিপে এগিয়ে থেকে এই ব্যয়বহুল ও অজনপ্রিয় যুদ্ধকে ‘দাম বেড়ে যাওয়ার’ ইস্যুর সঙ্গে
তিন দিনে (৭২ ঘণ্টার মধ্যে) ইরানের ৫২টি জাহাজ দেশটির জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অবরোধ ভেঙেছে বলে দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি। জাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩১টি তেলবাহী ট্যাংকার ও ২১টি পণ্যবাহী জাহাজ।
দীর্ঘ ৫৭ দিন বন্ধ থাকার পর ইরানের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইমাম খোমেনি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট আবারও চালু হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আকাশসীমা বন্ধ থাকায় তেহরানের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথটি দীর্ঘদিন অচল ছিল। আকাশসীমা পুনরায় খুলে দেওয়ার পর দুই দিন ধরে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু এক ভিডিও বার্তায় দাবি করেছেন, ইসরাইল লেবাননে একটি ‘বিশাল’ সুড়ঙ্গ ধ্বংস করেছে। তিনি বলেন, হিজবুল্লাহর অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিতে ইসরাইলি বাহিনী নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
এক সপ্তাহ আগে আল-রাশিদ টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরাকের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল-খাইকানি দাবি করেন, প্রতিবেশী তুরস্ক ও ইরান নাকি অভিযোগ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র বিমান ব্যবহার করে মেঘ 'ভেঙে ফেলা' এবং 'চুরি' করার চেষ্টা করছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ওপেক থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণাকে বৈশ্বিক তেল উৎপাদকদের জোটে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে ইরান যুদ্ধজনিত জ্বালানি সংকটের মধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে মতবিরোধ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপড়েন তৈরি হয়েছে।
আকরামিনিয়া স্পষ্ট করে বলেন, "আমরা যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে বলে মনে করি না। বর্তমান পরিস্থিতি এখনো আমাদের কাছে যুদ্ধকালীন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।" তিনি জানান, ইরান তার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করেছে। এবার কোনো আগ্রাসন ঘটলে শত্রুরা সম্পূর্ণ নতুন ধরনের সামরিক সরঞ্জাম, আধুনিক অস্ত্র এবং উন্নত সমরক
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই ইরান তাদের প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র সক্ষমতা ‘স্বাধীন দেশগুলোর’ সঙ্গে বিশেষ করে সাংহাই কোঅপারেশন অরগানাইজেশন (এসসিও)-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ভাগ করে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী রেজা তালাই-নিক।
মার্কিন নৌ অবরোধ উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে রাশিয়ান একটি নৌ-যান। এই সুপারইয়টটি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের গুরুত্বপূর্ণ একজন মিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। খবর বিবিসির।
ইরানের নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রাখা হবে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির পর বিষয়টি বিবেচনায় আনা হবে।
ইরানের পক্ষে সমর্থনের কথা জানিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে আমরা এমন সবকিছুই করব, যা আপনাদের স্বার্থ ও পুরো অঞ্চলের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে এবং যেন যত দ্রুতসম্ভব শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায়। আপনারা আমাদের অবস্থান ভালোভাবেই জানেন।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোকে কঠোর হুমকি দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, তাদের ওপর একটি হামলা হলে তার জবাব চার গুণ শক্তিতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
এক্স পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘তারা কার্ড নিয়ে গর্ব করে। চলুন দেখি: সরবরাহ কার্ড = চাহিদা কার্ড।’ তিনি আরও একটি সমীকরণ উপস্থাপন করে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি আংশিক ব্যবহৃত, বাব আল-মন্দেব প্রণালি ও তেল পাইপলাইন এখনো অব্যবহৃত’— যা ইরানের কৌশলগত বিকল্প হিসেবে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।