
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনায় ইরানের হাতে এখনো গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুবিধা ও ‘অব্যবহৃত হাতিয়ার’ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পর সেই বক্তব্যের জবাবে এ মন্তব্য করেন, যেখানে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন ‘যুক্তরাষ্ট্রের হাতে সব কার্ড রয়েছে, ইরানের হাতে কিছুই নেই’।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সির (ইরনা) খবরে বলা হয়েছে, রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ‘সরবরাহ ও চাহিদা’র ভারসাম্য তুলে ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান দুর্বল হচ্ছে এবং ইরানের এখনো গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প রয়েছে বলে দাবি করেন।
এক্স পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘তারা কার্ড নিয়ে গর্ব করে। চলুন দেখি: সরবরাহ কার্ড = চাহিদা কার্ড।’ তিনি আরও একটি সমীকরণ উপস্থাপন করে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি আংশিক ব্যবহৃত, বাব আল-মন্দেব প্রণালি ও তেল পাইপলাইন এখনো অব্যবহৃত’— যা ইরানের কৌশলগত বিকল্প হিসেবে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
গালিবাফের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে কৌশলগত তেল মজুদ ব্যবহার করেছে এবং আংশিকভাবে চাহিদা নিয়ন্ত্রণ নীতি গ্রহণ করেছে, তবে এখন বাজারের মূল্য পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। তিনি আরও লেখেন, গ্রীষ্মকালে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি চাহিদা বাড়লে, যদি তারা গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল না করে, তবে ওয়াশিংটনের নমনীয়তা আরও কমে যেতে পারে।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে, যা দিয়ে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। তেহরান জানিয়েছে, শত্রুপক্ষের জাহাজ ওই প্রণালি ব্যবহার করলে তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনায় ইরানের হাতে এখনো গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুবিধা ও ‘অব্যবহৃত হাতিয়ার’ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পর সেই বক্তব্যের জবাবে এ মন্তব্য করেন, যেখানে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন ‘যুক্তরাষ্ট্রের হাতে সব কার্ড রয়েছে, ইরানের হাতে কিছুই নেই’।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সির (ইরনা) খবরে বলা হয়েছে, রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ‘সরবরাহ ও চাহিদা’র ভারসাম্য তুলে ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান দুর্বল হচ্ছে এবং ইরানের এখনো গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প রয়েছে বলে দাবি করেন।
এক্স পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘তারা কার্ড নিয়ে গর্ব করে। চলুন দেখি: সরবরাহ কার্ড = চাহিদা কার্ড।’ তিনি আরও একটি সমীকরণ উপস্থাপন করে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি আংশিক ব্যবহৃত, বাব আল-মন্দেব প্রণালি ও তেল পাইপলাইন এখনো অব্যবহৃত’— যা ইরানের কৌশলগত বিকল্প হিসেবে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
গালিবাফের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে কৌশলগত তেল মজুদ ব্যবহার করেছে এবং আংশিকভাবে চাহিদা নিয়ন্ত্রণ নীতি গ্রহণ করেছে, তবে এখন বাজারের মূল্য পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। তিনি আরও লেখেন, গ্রীষ্মকালে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি চাহিদা বাড়লে, যদি তারা গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল না করে, তবে ওয়াশিংটনের নমনীয়তা আরও কমে যেতে পারে।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে, যা দিয়ে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। তেহরান জানিয়েছে, শত্রুপক্ষের জাহাজ ওই প্রণালি ব্যবহার করলে তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৭ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৮ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
১০ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে