হাসনাতের আশঙ্কা এসব জালিয়াতি প্রকাশ করতে না দেওয়া ও ভোট চুরির সুযোগ দেওয়ার জন্যই ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, হয়তো এসব জালিয়াতির ভিডিও যেন কেউ করতে না পারে, সে জন্য ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এটি সুস্পষ্টভাবে ভোট চুরির সুযোগ করে দেওয়া। অ
নাহিদ ইসলাম বলেন, গত দেড় বছরে আমরা অনেক কিছুই অর্জন করতে পারিনি। সে হতাশা, সে ক্ষোভ আমাদের আছে। আমরা আমাদের অনভিজ্ঞতা ও সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে নিচ্ছি। সবকিছু স্বীকার করে নিয়েই আমরা আপনাদের কাছে আরেকটিবার সুযোগ চাইছি। এবারের নির্বাচনে আপনারা এনসিপি ও ১১-দলীয় জোটকে সমর্থন করুন।’
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ফেসবুক ব্যবহারকারী সাদিকুর রহমান খান এক পোস্টে লেখেন, ‘আজ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ডাকা বিক্ষোভে পাটওয়ারী নিজেই সবার আগে হাজির হয়ে বসেছিল।’ তার ওই মন্তব্য নিয়েও অনলাইনে আলোচনা চলছে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে যাবে, আগামী ১০০ বছর বাংলাদেশের মানুষের ললাটে কেমন ধরনের রাষ্ট্র কাঠামো নির্মিতি হবে, প্রশাসন কেমন হবে, পুলিশের আচরণ কেমন হবে, বিচার বিভাগ কেমন হবে—তা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারণ হবে।
ঢাকা-১১ আসনের অন্তর্ভুক্ত এলাকার অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, এই অঞ্চলের নাগরিক সুবিধা আমরা নিশ্চিত করব। যে সব মানুষ ভূমি হারিয়েছে, তাদের ভূমি আমরা ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করব।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘সরকার মনে করে, সে (তারেক রহমান) কোনো পারমাণবিক বোমা। আরে, তারেক রহমান একটা বেলুন— একটা সুঁই দিয়ে একটু টোকা দিবেন, এইটা ফুস হয়ে যাবে। ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নাই।’
ঢাকা-১১ আসনের ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে তাদের শঙ্কা রয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ হবে ঢাকা থেকে এবং এ দেশ পরিচালিত হবে বাংলাদেশের জনগণের ইচ্ছায়। তিনি বলেন, যারা দিল্লির তাবেদারি করে রাজনীতি করেছে বা নতুন করে সে ধরনের রাজনীতি কায়েম করতে চায়, বাংলাদেশে তাদের আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই।
৫ আগস্টের পর নতুন করে চাঁদাবাজি, জমি দখল ও ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের নীতি যারা নিয়েছে, তারাই বাংলাদেশে ‘নতুন জালেম’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে বলেও মন্তব্য করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এই জালেমদের রুখে দেওয়ার দিনই হচ্ছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।’
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নির্বাচনি মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহাবুব আলম গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এই তথ্য জানান।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বিগত তিনটি পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেছিলেন। কিন্তু প্রয়োজনে দেশের মানুষ ভোটাধিকার রক্ষায় জীবন দিতেও প্রস্তুত রয়েছে।
জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাবেক উপদেষ্টা ও জুলাই বিপ্লবের আরেক মহানায়ক আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে বিপ্লবের পক্ষের শক্তিকে বিজয়ী করতে হবে। আগামী দিনে জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হতে চাইলে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ডা. আব্দুল আহাদ ভাইকে শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দিন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আপিল বিভাগের আজকের আদেশে জনগণের বিজয় হয়েছে; জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের জয় হয়েছে। ব্যাংক ডাকাতি করে কেউ জনগণের ভোট আদায় করে সংসদে যেতে পারবে না। এ সময় আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা ও আলী আজগর শরীফী উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পার্শ্ববর্তী দেশ নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে অভিযোগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, কোনো দেশ যদি বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে, তাহলে এ দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত সব কর্মচারীই অবগত আছেন যে তিনি এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ওই বাসায় থাকছেন না এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী খন্দকার মমিনুর রহমানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বাসাটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নাহিদ বলেন, আমরা নতুন বন্দোবস্তের লক্ষ্য থেকে সরে আসিনি। সংস্কারের প্রতিশ্রুতি আমরা পেয়েছি যেগুলো গণভোটের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। জোট ক্ষমতায় এলে অংশীদারির ভিত্তিতে এ বিষয়গুলো আমরা বাস্তবায়ন করব। ভিন্ন ভিন্ন দল থাকলেও এই জোট সরকার গঠন করলে কোনো একটি নির্দিষ্ট দলের পরিকল্পনায় কাজ করবে না।
মাদক ব্যবসায়ী, মাদক সেবক ও এর সঙ্গে জড়িতদের উদ্দেশ্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আপনারা ভুল থেকে ফিরে আসুন। কর্মসংস্থানের প্রয়োজন হলে আমাদের জানান। বৈধ উপায়ে জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।