
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

স্ত্রীসহ সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও জামালপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রেজাউল করিম হিরাকে শেরপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৭ মে) বিকেলে শেরপুরের সাব-রেজিস্টার অফিস থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জানা যায়, গোয়েন্দা সংস্থা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেরপুর জেলার সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে জমি বিক্রির সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় ছাত্র-জনতা, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা তাকে ঘিরে বিক্ষোভ মিছিল করে এবং শাস্তির দাবি জানান। পরে পুলিশ তাকে আটক করে শেরপুর সদর থানায় নিয়ে যায়। এ সময় তার সঙ্গে তার স্ত্রীও ছিলেন।
রেজাউল করিম হীরা ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন ১৯৯৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। ওই নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিএনপির প্রার্থী সিরাজুল হককে পরাজিত করেন। পরে ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনেও একই প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে সংসদে নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দ্বিতীয় মন্ত্রিসভা গঠিত হলে হীরা ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। এরপর ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেওয়ায় তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টি-জেপির বাবর আলী খানকে ১৯ হাজার ৩৪৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
একই বছরের ১ মার্চ তিনি দশম জাতীয় সংসদের ভূমি মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তবে দলের সিদ্ধান্তে পরবর্তীতে তা প্রত্যাহার করে নেন।

স্ত্রীসহ সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও জামালপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রেজাউল করিম হিরাকে শেরপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৭ মে) বিকেলে শেরপুরের সাব-রেজিস্টার অফিস থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জানা যায়, গোয়েন্দা সংস্থা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেরপুর জেলার সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে জমি বিক্রির সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় ছাত্র-জনতা, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা তাকে ঘিরে বিক্ষোভ মিছিল করে এবং শাস্তির দাবি জানান। পরে পুলিশ তাকে আটক করে শেরপুর সদর থানায় নিয়ে যায়। এ সময় তার সঙ্গে তার স্ত্রীও ছিলেন।
রেজাউল করিম হীরা ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন ১৯৯৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। ওই নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিএনপির প্রার্থী সিরাজুল হককে পরাজিত করেন। পরে ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনেও একই প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে সংসদে নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দ্বিতীয় মন্ত্রিসভা গঠিত হলে হীরা ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। এরপর ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেওয়ায় তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টি-জেপির বাবর আলী খানকে ১৯ হাজার ৩৪৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
একই বছরের ১ মার্চ তিনি দশম জাতীয় সংসদের ভূমি মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তবে দলের সিদ্ধান্তে পরবর্তীতে তা প্রত্যাহার করে নেন।

নির্বাচনকালীন রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবির প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
বিজিবি সদর দফতর সূত্র জানায়, দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই সারা দেশে ৩৭ হাজারেরও অধিক বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টি উপজেলায় বিজিবি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
আটককৃতদের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, থাইল্যান্ড, নাইজেরিয়া ও চীনের নাগরিক রয়েছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে