
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যের বরাতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সরকার পাচার হওয়া এসব অর্থ ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, অর্থ পাচারের গন্তব্য দেশগুলোর মধ্যে প্রাথমিকভাবে ১০টি দেশ চিহ্নিত করে তাদের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
সরকারপ্রধান জানান, অর্থ পাচারের গন্তব্য দেশগুলোর মধ্যে প্রাথমিকভাবে যে ১০টি দেশ চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলো হলো— যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও হংকং। এর মধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং ও সংযুক্ত আরব আমিরাত চুক্তি সইয়ের বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে। বাকি সাতটি দেশের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন।
তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতি, মানিলন্ডারিং ও আর্থিক অপরাধ দমনে বৃহত্তর কৌশলের গুরত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। পাচার হওয়া অর্থ একাধিক দেশে স্থানান্তরিত হওয়ার অভিযোগ থাকায় তা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ শনাক্তকরণ ও পারস্পরিক আইনি সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ লক্ষ্যে পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তি (মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রিটি, এমএলএটি) ও মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) বিনিময় প্রক্রিয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
তারেক রহমান লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন, এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সভাপতিত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এই টাস্কফোর্স কর্তৃক চিহ্নিত অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কেইসগুলোর অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের নেতৃত্বে এবং বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।
এই তদন্ত দল গঠনের পর অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলাগুলোর অগ্রগতিও সংসদে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। অগ্রগতিগুলো হলো—
আওয়ামী আমলে সংঘটিত অর্থপাচার ও দুর্নীতির অনুসন্ধান করে একটি পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশ ও এতে চিহ্নিত দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যের বরাতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সরকার পাচার হওয়া এসব অর্থ ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, অর্থ পাচারের গন্তব্য দেশগুলোর মধ্যে প্রাথমিকভাবে ১০টি দেশ চিহ্নিত করে তাদের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
সরকারপ্রধান জানান, অর্থ পাচারের গন্তব্য দেশগুলোর মধ্যে প্রাথমিকভাবে যে ১০টি দেশ চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলো হলো— যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও হংকং। এর মধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং ও সংযুক্ত আরব আমিরাত চুক্তি সইয়ের বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে। বাকি সাতটি দেশের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন।
তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতি, মানিলন্ডারিং ও আর্থিক অপরাধ দমনে বৃহত্তর কৌশলের গুরত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। পাচার হওয়া অর্থ একাধিক দেশে স্থানান্তরিত হওয়ার অভিযোগ থাকায় তা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ শনাক্তকরণ ও পারস্পরিক আইনি সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ লক্ষ্যে পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তি (মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রিটি, এমএলএটি) ও মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) বিনিময় প্রক্রিয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
তারেক রহমান লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন, এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সভাপতিত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এই টাস্কফোর্স কর্তৃক চিহ্নিত অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কেইসগুলোর অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের নেতৃত্বে এবং বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।
এই তদন্ত দল গঠনের পর অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলাগুলোর অগ্রগতিও সংসদে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। অগ্রগতিগুলো হলো—
আওয়ামী আমলে সংঘটিত অর্থপাচার ও দুর্নীতির অনুসন্ধান করে একটি পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশ ও এতে চিহ্নিত দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

দীর্ঘ ১০ বছর পর সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় প্রথম কোনো অভিযুক্ত সেনাবাহিনীর সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপনে চাকরির বিধি অনুযায়ী তারা অবসরজনিত সুবিধা প্রাপ্ত হবেন বলে জানানো হয়েছে। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে জুতা বিতরণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১৭ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ফরিদা খানমকে ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
১৮ ঘণ্টা আগে