চবির ১১ ছাত্রী ও এক ছাত্রকে বহিষ্কার\n
তখনই সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একজন ছাত্রীদের ‘হাসিনার দোসর’ ও ‘ফ্যাসিস্ট’ বলে গালি দেন উল্লেখ করে ছাত্রীরা বলেন, ছাত্রীরা এ অপমানজনক আচরণের তীব্র প্রতিবাদ করেন। আধা ঘণ্টা ধরে চলতে থাকা এসব ঘটনা প্রক্টরকে জানানো হলেও তিনি আশানুরূপ ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ ছাত্রীদের।
নিরাপত্তা সংকটে ভুগতে থাকা শিক্ষার্থীরা পরে প্রতিবাদ জানিয়ে উপাচার্যের বাসভবনে যান বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন ছাত্রীরা। বলেন, সেখানে গাড়ি থেকে নেমেই একজন অশোভন আচরণ শুরু করেন। গাড়ি থেকে নামা ব্যক্তিরাও ‘হাসিনার দোসর’, ‘ফ্যাসিস্ট’ বলে গালাগাল শুরু করেন। শিক্ষার্থীরা প্রথমে বুঝতেই পারেননি যে তাঁরা প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য।
ছাত্রীরা সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, আমরা একাধিকবার প্রশাসনকে হলের নাম পরিবর্তন ও ফটকের সামনে থাকা নৌকা অপসারণ করার কথা বলেছি। প্রশাসনের কাছে দুবার লিখিত আবেদনও দিয়েছি। কিন্তু প্রশাসন সেটা করেনি। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার এই দায়ভার প্রশাসন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে।
ছাত্রীরা বলেন, প্রশাসন ছাত্রীদের হল এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। বারবার বলার পরও প্রক্টর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেননি। ছাত্রীদের সঙ্গে সহকারী প্রক্টর অশোভন আচরণ করেছেন। ‘হাসিনার দোসর’, ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়েছেন। অশোভন আচরণ করা সহকারী একজন প্রক্টরকে একজন ছাত্রী আঘাত করেছেন, যা অনুচিত ও বিচারযোগ্য। রাতে ছাত্রদের মেয়েদের হলে যাওয়া নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ প্রশাসন নিজেদের অপরাধ ও অপকর্ম ঢাকতেই কেবল মেয়েদেরই শাস্তি দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে ছাত্রীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো—
এর আগে ৫ ফেব্রুয়ারির ওই ঘটনার জের ধরে সহকারী প্রক্টরকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার দায়ে গত বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) একজনকে স্থায়ী বহিষ্কার করে সনদ বাতিলসহ আরও ৯ জনকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করে চবি কর্তৃপক্ষ।