
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত এক সচিবকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার (২৪ মার্চ) ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ওই সচিবের নাম প্রশান্ত কুমার রায়। তিনি ২০১৬–১৭ সালের দিকে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মীর আহমেদ আলী সালাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের পিপি বলেন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১ কোটি ২০ লাখ ৪৯ হাজার ৮১৬ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত বছরের ৫ জুন সাবেক সচিব প্রশান্ত কুমার রায়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়।
সেই মামলায় প্রশান্ত কুমার আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। অপর দিকে দুদকের পক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত প্রশান্ত কুমার রায়কে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার এজাহারের থেকে জানা যায়, প্রশান্ত কুমার রায় ও তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে সোনালী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, প্রাইম ব্যাংক ও মেঘনা ব্যাংকের ১২টি শাখায় ১৩ কোটি ২৪ লাখ ৩ হাজার ৮৫০ টাকা জমা করা হয়। আর উত্তোলন করা হয়েছে ১২ কোটি ৯৮ লাখ ৭২ হাজার ১৮৩ টাকা। সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে তাঁর ও তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের লেনদেন অস্বাভাবিক ও অসংগতিপূর্ণ।
মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক মশিউর রহমান এজাহারে উল্লেখ করেন, প্রশান্ত কুমারের দুই মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করেন। দুটি ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩৫ লাখ টাকা পাঠান। পাশাপাশি ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে হুন্ডির মাধ্যমে তিনি অর্থ পাঠিয়েছেন।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত এক সচিবকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার (২৪ মার্চ) ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ওই সচিবের নাম প্রশান্ত কুমার রায়। তিনি ২০১৬–১৭ সালের দিকে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মীর আহমেদ আলী সালাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের পিপি বলেন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১ কোটি ২০ লাখ ৪৯ হাজার ৮১৬ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত বছরের ৫ জুন সাবেক সচিব প্রশান্ত কুমার রায়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়।
সেই মামলায় প্রশান্ত কুমার আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। অপর দিকে দুদকের পক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত প্রশান্ত কুমার রায়কে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার এজাহারের থেকে জানা যায়, প্রশান্ত কুমার রায় ও তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে সোনালী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, প্রাইম ব্যাংক ও মেঘনা ব্যাংকের ১২টি শাখায় ১৩ কোটি ২৪ লাখ ৩ হাজার ৮৫০ টাকা জমা করা হয়। আর উত্তোলন করা হয়েছে ১২ কোটি ৯৮ লাখ ৭২ হাজার ১৮৩ টাকা। সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে তাঁর ও তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের লেনদেন অস্বাভাবিক ও অসংগতিপূর্ণ।
মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক মশিউর রহমান এজাহারে উল্লেখ করেন, প্রশান্ত কুমারের দুই মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করেন। দুটি ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩৫ লাখ টাকা পাঠান। পাশাপাশি ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে হুন্ডির মাধ্যমে তিনি অর্থ পাঠিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে বলেছেন, ‘এই বাংলাদেশে আর যেন কোনো ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার কায়েম হতে না পারে, এই বাংলাদেশকে যেন আর কেউ তাদের তাবেদার রাষ্ট্র বানাতে না পারে, এই হোক আমাদের আজকের প্রত্যয়।’
২ ঘণ্টা আগে
রিমান্ড শেষে আজ আশিকা সুলতানাকে আদালতে হাজির করে আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মামুন হোসাইন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
২ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৯ জুন) বঙ্গভবনের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
২ ঘণ্টা আগে
আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘এই যে নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি…এগুলো বললে তারা (রাজনৈতিক দল) একটু হাসবে হয়তো। কারণ, এগুলো তাদের অভ্যাস। এই ধোঁকাবাজিটা তাদের রাজনীতিরই একটা অংশ।’
৩ ঘণ্টা আগে