
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ৪ আসামির জামিনের মেয়াদ ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়েছেন ঢাকার শ্রম আদালত। সোমবার (১১ মার্চ) ড. ইউনূস ছাড়াও গ্রামীণ টেলিকমের তিন শীর্ষ কর্মকর্তার জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি করেন আদালত।
লিখিত আদেশে বলা হয়, ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত ড. ইউনূস জামিনে থাকবেন। ওইদিন তিনিসহ ৪ জনকে ফের হাজির হতে হবে। আদালত আরও বলেন, ১৬ এপ্রিল আপিল শুনানির দিন ধার্য করা হলো। একই সঙ্গে শ্রম আদালত থেকে পাঠানো মামলার এলসিআর গ্রহণ করা হলো।
গত বুধবার (৬ মার্চ) শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ গ্রামীণ টেলিকমের চার শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের দেয়া রায় ও আদেশ স্থগিত করা প্রশ্নে রুলের ওপর শুনানি হয়েছে। এর আগে তৃতীয় শ্রম আদালতের রায় ও আদেশ স্থগিত করে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের গত ২৮ জানুয়ারি দেয়া আদেশের অংশবিশেষের বৈধতা নিয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আবেদন (ক্রিমিনাল রিভিশন) করেন মামলার বাদী। পরে মামলার বাদী ও কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শকের করা আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন।
রুলে তৃতীয় শ্রম আদালতের ১ জানুয়ারি দেয়া রায় ও আদেশের কার্যক্রম স্থগিত করে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের ২৮ জানুয়ারি দেয়া আদেশ কেন বাতিল হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। ওইদিন আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। এছাড়া ড. ইউনূসসহ চারজনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন ও খাজা তানভীর আহমেদ।
এদিকে, রোববার (১০ মার্চ) শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে দেশের বাইরে যেতে চেয়ে আবেদন করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আবেদনে বলা হয়েছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যেতে চান। কিন্তু আদালত যেহেতু দেশের বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে অবহিত করতে বলেছেন, তাই এই আবেদন করা হলো।

শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ৪ আসামির জামিনের মেয়াদ ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়েছেন ঢাকার শ্রম আদালত। সোমবার (১১ মার্চ) ড. ইউনূস ছাড়াও গ্রামীণ টেলিকমের তিন শীর্ষ কর্মকর্তার জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি করেন আদালত।
লিখিত আদেশে বলা হয়, ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত ড. ইউনূস জামিনে থাকবেন। ওইদিন তিনিসহ ৪ জনকে ফের হাজির হতে হবে। আদালত আরও বলেন, ১৬ এপ্রিল আপিল শুনানির দিন ধার্য করা হলো। একই সঙ্গে শ্রম আদালত থেকে পাঠানো মামলার এলসিআর গ্রহণ করা হলো।
গত বুধবার (৬ মার্চ) শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ গ্রামীণ টেলিকমের চার শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের দেয়া রায় ও আদেশ স্থগিত করা প্রশ্নে রুলের ওপর শুনানি হয়েছে। এর আগে তৃতীয় শ্রম আদালতের রায় ও আদেশ স্থগিত করে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের গত ২৮ জানুয়ারি দেয়া আদেশের অংশবিশেষের বৈধতা নিয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আবেদন (ক্রিমিনাল রিভিশন) করেন মামলার বাদী। পরে মামলার বাদী ও কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শকের করা আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন।
রুলে তৃতীয় শ্রম আদালতের ১ জানুয়ারি দেয়া রায় ও আদেশের কার্যক্রম স্থগিত করে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের ২৮ জানুয়ারি দেয়া আদেশ কেন বাতিল হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। ওইদিন আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। এছাড়া ড. ইউনূসসহ চারজনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন ও খাজা তানভীর আহমেদ।
এদিকে, রোববার (১০ মার্চ) শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে দেশের বাইরে যেতে চেয়ে আবেদন করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আবেদনে বলা হয়েছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যেতে চান। কিন্তু আদালত যেহেতু দেশের বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে অবহিত করতে বলেছেন, তাই এই আবেদন করা হলো।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে বলেছেন, ‘এই বাংলাদেশে আর যেন কোনো ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার কায়েম হতে না পারে, এই বাংলাদেশকে যেন আর কেউ তাদের তাবেদার রাষ্ট্র বানাতে না পারে, এই হোক আমাদের আজকের প্রত্যয়।’
৩ ঘণ্টা আগে
রিমান্ড শেষে আজ আশিকা সুলতানাকে আদালতে হাজির করে আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মামুন হোসাইন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৯ জুন) বঙ্গভবনের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
৪ ঘণ্টা আগে
আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘এই যে নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি…এগুলো বললে তারা (রাজনৈতিক দল) একটু হাসবে হয়তো। কারণ, এগুলো তাদের অভ্যাস। এই ধোঁকাবাজিটা তাদের রাজনীতিরই একটা অংশ।’
৫ ঘণ্টা আগে