
রূপগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জমি ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে আমাল হোসেন (৩৫) হত্যার মামলায় ৬ জনকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত। একই সাথে আদালত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন।
গতকাল রোববার (২৪ মার্চ) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক উম্মে সরাবন তহুরা এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আদালতে ৪ জন উপস্থিত ছিলেন এবং বাকি দুইজন পলাতক ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রূপগঞ্জের গুতিয়ার এলাকার মো. মনরুদ্দিনের ছেলে মো. মাহবুব রহমান (৫৫), খোরশেদ আলমের ছেলে মো. সবুজ মিয়া (৪২) ও মো. শরীফ মিয়া (৩০), মো. জুলহাস ওরফে দোলার ছেলে মো. পারভেজ (৩৬), শহীদুল্লাহর মো. আসাদুল্লাহ (৩৩) ও হালিমের ছেলে মো. সাদ্দাম হোসেন (৩৬)। তাদের মধ্যে মো. শরীফ মিয়া ও মো. সাদ্দাম হোসেন ছাড়া বাকীরা সকলেই আদালতে উপস্থিত ছিলো।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, ২০১৪ সালের ২৪ জুন রূপগঞ্জ থানায় করা মামলায় ছয়জনের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত। তাদের মধ্যে দুইজন পলাতক ছিলেন এবং বাকিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহিম বলেন, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের গুতিয়াব নামাপাড়া এলাকার মৃত ওয়াজ উদ্দিনের বড় ছেলে আমাল হোসেন জমির ব্যবসা করতেন। সেই সাথে জমি বিক্রয়ের শর্তে দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মাহবুব রহমানের কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা বায়না গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মাহবুব জমির টাকা দিতে না পারায় আমাল হোসেন বায়না টাকা ফেরত দিবেন বলে আশ্বস্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সেই সাথে ২০১৪ সালের ২৪ জুন মাহবুবসহ দণ্ডপ্রাপ্তরা আমাল হোসেনের বাড়িতে গিয়ে মারধর করে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে এই ঘটনায় আমাল হোসেনের মা ছমিরন বেগম থানায় গিয়ে মামলা করেন। আদালত সেই মামলায় ৭ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণের ভিত্তিতে বিচার কার্যক্রম শেষে এই রায় ঘোষণা করেন।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জমি ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে আমাল হোসেন (৩৫) হত্যার মামলায় ৬ জনকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত। একই সাথে আদালত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন।
গতকাল রোববার (২৪ মার্চ) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক উম্মে সরাবন তহুরা এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আদালতে ৪ জন উপস্থিত ছিলেন এবং বাকি দুইজন পলাতক ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রূপগঞ্জের গুতিয়ার এলাকার মো. মনরুদ্দিনের ছেলে মো. মাহবুব রহমান (৫৫), খোরশেদ আলমের ছেলে মো. সবুজ মিয়া (৪২) ও মো. শরীফ মিয়া (৩০), মো. জুলহাস ওরফে দোলার ছেলে মো. পারভেজ (৩৬), শহীদুল্লাহর মো. আসাদুল্লাহ (৩৩) ও হালিমের ছেলে মো. সাদ্দাম হোসেন (৩৬)। তাদের মধ্যে মো. শরীফ মিয়া ও মো. সাদ্দাম হোসেন ছাড়া বাকীরা সকলেই আদালতে উপস্থিত ছিলো।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, ২০১৪ সালের ২৪ জুন রূপগঞ্জ থানায় করা মামলায় ছয়জনের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত। তাদের মধ্যে দুইজন পলাতক ছিলেন এবং বাকিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহিম বলেন, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের গুতিয়াব নামাপাড়া এলাকার মৃত ওয়াজ উদ্দিনের বড় ছেলে আমাল হোসেন জমির ব্যবসা করতেন। সেই সাথে জমি বিক্রয়ের শর্তে দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মাহবুব রহমানের কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা বায়না গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মাহবুব জমির টাকা দিতে না পারায় আমাল হোসেন বায়না টাকা ফেরত দিবেন বলে আশ্বস্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সেই সাথে ২০১৪ সালের ২৪ জুন মাহবুবসহ দণ্ডপ্রাপ্তরা আমাল হোসেনের বাড়িতে গিয়ে মারধর করে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে এই ঘটনায় আমাল হোসেনের মা ছমিরন বেগম থানায় গিয়ে মামলা করেন। আদালত সেই মামলায় ৭ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণের ভিত্তিতে বিচার কার্যক্রম শেষে এই রায় ঘোষণা করেন।

আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘এই যে নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি…এগুলো বললে তারা (রাজনৈতিক দল) একটু হাসবে হয়তো। কারণ, এগুলো তাদের অভ্যাস। এই ধোঁকাবাজিটা তাদের রাজনীতিরই একটা অংশ।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন থাকার বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আরও কয়েকটি ক্ষেত্রে শুল্ক-কর কমানোর পাশাপাশি ‘কালো টাকা সাদা করা’র বিতর্কিত বিধান প্রত্যাহার করতে অর্থমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ইস্যুতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা নামের কাঙাল নয়, আমরা কামের কাঙাল।’ একই সঙ্গে তিনি শিগগিরই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
বাজেট আলোচনায় অংশ নেওয়া সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই সংসদেরও দুইটা টায়ার। একটা সরকারি দল, আরেকটা বিরোধী দল। যেকোনো একটা টায়ার অকেজো হয়ে গেলে যান চলবে না। এক টায়ারে আপনি পিন লাগাবেন, পেরেক মারবেন, তাহলে কিন্তু ওই টায়ারটা ফুটো হয়ে যাবে। ওইটা ফুটো হয়ে গেলে ওই টায়ার (দ্বিতীয়ট) চলব
৩ ঘণ্টা আগে