
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ও মেডআই বাংলাদেশ লিমিটেড (মেডআই)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। এর ফলে ডিআরইউর সদস্যরা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা ঘরে বসেই মেডআই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ডিআরইউর শফিকুল কবির মিলনায়তনে সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়। আয়োজকদের মতে, এ উদ্যোগ সাংবাদিকদের জন্য সহজ, দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন, সহসভাপতি মেহ্দী আজাদ মাসুম, মেডআই বাংলাদেশের ক্লিনিক্যাল টিমের হেড ডা. সুমাইয়া তাসনীম খান এবং হেড অব অপারেশন সুস্মিতা সাহা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউর অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম, দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিজান চৌধুরী, কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা, কার্যনির্বাহী সদস্য সুমন চৌধুরী, মেডআইয়ের ইন-হাউজ ডক্টর জাকিয়া ফারহানা, বিজনেস এক্সিকিউটিভ মেহেদী হাসান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, ‘আমরা আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করলাম। তবে আমাদের দোয়া থাকবে, চিকিৎসকের কাছে যেন যেতে না হয়। সুস্থতা আল্লাহর সবচেয়ে বড় নেয়ামত। সবাই সুস্থ থাকুন, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন এবং স্বাস্থ্য সচেতন জীবনযাপন করুন।’
ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, ‘সদস্যদের কল্যাণে নতুন নতুন সেবা যুক্ত করার ধারাবাহিকতায় এই সমঝোতা স্মারক একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। এর মাধ্যমে সদস্য ও তাদের পরিবার সহজেই ঘরে বসে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।’
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবার এ উদ্যোগ সাংবাদিকদের ব্যস্ত কর্মজীবনে সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ও মেডআই বাংলাদেশ লিমিটেড (মেডআই)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। এর ফলে ডিআরইউর সদস্যরা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা ঘরে বসেই মেডআই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ডিআরইউর শফিকুল কবির মিলনায়তনে সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়। আয়োজকদের মতে, এ উদ্যোগ সাংবাদিকদের জন্য সহজ, দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন, সহসভাপতি মেহ্দী আজাদ মাসুম, মেডআই বাংলাদেশের ক্লিনিক্যাল টিমের হেড ডা. সুমাইয়া তাসনীম খান এবং হেড অব অপারেশন সুস্মিতা সাহা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউর অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম, দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিজান চৌধুরী, কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা, কার্যনির্বাহী সদস্য সুমন চৌধুরী, মেডআইয়ের ইন-হাউজ ডক্টর জাকিয়া ফারহানা, বিজনেস এক্সিকিউটিভ মেহেদী হাসান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, ‘আমরা আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করলাম। তবে আমাদের দোয়া থাকবে, চিকিৎসকের কাছে যেন যেতে না হয়। সুস্থতা আল্লাহর সবচেয়ে বড় নেয়ামত। সবাই সুস্থ থাকুন, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন এবং স্বাস্থ্য সচেতন জীবনযাপন করুন।’
ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, ‘সদস্যদের কল্যাণে নতুন নতুন সেবা যুক্ত করার ধারাবাহিকতায় এই সমঝোতা স্মারক একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। এর মাধ্যমে সদস্য ও তাদের পরিবার সহজেই ঘরে বসে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।’
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবার এ উদ্যোগ সাংবাদিকদের ব্যস্ত কর্মজীবনে সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

পদ্মা রেল সংযোগ সেতুর পিলারের নিচে মাটি কেটে নেওয়া ‘ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার স্বার্থেই’ এবং এতে কোনো ধরনের ‘ঝুঁকি নেই’ বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
৬ ঘণ্টা আগে
এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ২৭২ শিশু মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৮৮, সিলেটে ৮২, চট্টগ্রামে ৫১, বরিশালে ৪০, ময়মনসিংহে ৬২, খুলনায় ২৮ এবং রংপুরে ৮ শিশু মারা গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
১৬টি দেশ থেকে অংশ নেওয়া ৭৬টি দলকে হারিয়ে দেশের জন্য অনন্য এ গৌরব বয়ে এনেছে এমআইএসটির ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইসিই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত দলটি।
৭ ঘণ্টা আগে
ঢাকার মহাখালী এলাকায় পাঁচ বছর আগে স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো করার দায়ে স্ত্রী ফাতেমা বেগম ওরফে শিল্পীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার ষোড়শ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নাজমুন নাহার নিপু এই রায় ঘোষণা করেন।
৭ ঘণ্টা আগে