শিক্ষকদের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকলে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বাড়ে: প্রধানমন্ত্রী
-463252-480x270.webp)
শিক্ষকদের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকলে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বাড়ে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং শিক্ষকতা পেশাকে সুযোগ ও সম্মানের দিক থেকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, শিক্ষকতা কোনো উপায়হীন বিকল্প বা সাধারণ চাকরি হতে পারে না। শিক্ষা ও দীক্ষায় সবচেয়ে মেধাবী মানুষ যাতে কর্মজীবনে শিক্ষকতাকে প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নেন, সে লক্ষ্যেই শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষকদের, বিশেষ করে স্কুল-মাদ্রাসার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষকতা পেশাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে সরকার কাজ করছে। রাষ্ট্র ও সমাজে শিক্ষকদের সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে রাষ্ট্রের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি জড়িত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিদ্যালয় পর্যন্ত শতাধিক গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেন প্রধানমন্ত্রী। সম্মাননার অংশ হিসেবে প্রত্যেক শিক্ষককে দুই লাখ টাকা, একটি ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ দেওয়া হয়।
প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ জন, মাধ্যমিক পর্যায়ে ২০ জন, কলেজ পর্যায়ে ২৫ জন, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ২০ জন, চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ১০ জন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তিনজন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তিনজন এবং অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চারজন শিক্ষক এ সম্মাননা পেয়েছেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত সাতজন শিক্ষককেও সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার ও পেশাগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং মানসম্মত শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে শিক্ষক দিবস পালিত হয়।
















-9c3647-256x144.webp)
