বিএনপি এ সিদ্ধান্ত জানালে সোমবার গণঅধিকার পরিষদের জাতীয় নির্বাহী কমিটি বৈঠকে বসে। বৈঠকে গণঅধিকার পরিষদের নেতারা জানান, বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাত্র দুটি আসনে সমঝোতায় তারা রাজি নন। অন্তত ১০টি আসন পেলে আসন সমঝোতা করা সম্ভব বলে মত দেন অধিকাংশ নেতা।
ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চ আরও বলছে, এ ট্রাইব্যুনালের কাজে সহায়তার জন্য প্রয়োজনে এফবিআই বা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের মতো পেশাদার সংস্থাকে কাজে লাগাতে হবে। রাষ্ট্রকে সবার সামনে এসে জানাতে হবে, তারা কী পদক্ষেপ নিয়েছে।
পরিদর্শনকালে আবুল হাসান রুবেল বলেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ইতিবাচক ধারায় গণতান্ত্রিক পথে রাজনীতি বিনির্মাণ করছিলেন। নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে জনগণের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তিনি মানুষের কাছে আপন হয়ে উঠেছিলেন। তার ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ড দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির ওপর সরাসরি আঘাত। অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্ত
জুলাই ঐক্যের পোস্টে আরও বলা হয়েছে, শহিদ ওসমান বিন হাদি আমাদের জুলাইয়ের অস্তিত্ব। তার প্রতি ফোঁটা রক্তের বদলা বাংলাদেশের মাটিতে নেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। আমরা দেশের বিপ্লবী সকল জনগণকে ধৈর্য ধারণ করার অহ্বান জানাচ্ছি।
ইনকিলাব মঞ্চ তাদের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে লিখেছে, ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের মোকাবিলায় মহান বিপ্লবী ওসমান হাদীকে আল্লাহ শহিদ হিসেবে কবুল করেছেন।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দ্বারস্থ হয়েছেন দুই সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী। তাঁরা হলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে দলের প্রার্
রাশেদ খান বলেন, আমরা দেখেছি, আমাদের একজন বিপ্লবী যোদ্ধা ও সাহসী কণ্ঠস্বর আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে যিনি সোচ্চার ছিলেন ওসমান হাদি ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় গুলি করা হয়েছে। অথচ এখন পর্যন্ত হামলার সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, একটা রাষ্ট্র অথবা একটা জাতিকে জাতির হয়ে ওঠার যে সংগ্রাম-লড়াই তার ভিত্তি হয়ে উঠে তার শক্র চেনার মধ্য দিয়ে। গত ৫৪ বছর সবচেয়ে ক্ষতিকর শক্রকে বন্ধু আকারে আমাদের পরিচয় করানো হয়েছে। গত ৫৪ বছরে আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, আত্মমর্যাদা বারবার ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। রাজনৈতি
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন তেমনই এক জনসংযোগের সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন হাদি। তার গত কয়েক মাসের ফেসবুক স্ট্যাটাসসহ বক্তব্য বলছে, এর আগেও তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা জানিয়েছেন, হামলার জন্য তৈরি করা তালিকায় পর্যন্ত নাম ছিল হাদির।
ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, হাদির শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। তার মাথার ভেতরে গুলি রয়েছে। অস্ত্রোপচার করা হচ্ছে। তাকে লাইফ সাপোর্টও দেওয়া হয়েছে।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি আরও বলেন, ‘দায়িত্বে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই মানুষের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে। বয়সের অনভিজ্ঞতা কিংবা ম্যাচিউরিটির অভাবে হয়তো সেও কিছু ভুল করেছে। আমার কাছে সংগ্রামের অবদানে তার সে ভুল তুচ্ছ। আসিফকে সংগ্রামের রাজনীতিতে স্বাগতম জানাই।’
আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল লিখিত বক্তব্যে এ আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য জুলহাসনাইন বাবু। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, কেন্দ্রীয় সদস্য বাচ্চু ভূ
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) নিবন্ধন পুনর্বহাল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আবেদন অনুমোদন করে তাদের প্রতীকও পরিবর্তন করা হয়েছে। ‘হুক্কা’র পরিবর্তে এই দলকে নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ‘চশমা’।
জোটের নেতৃত্বে থাকা জাপা আওয়ামী লীগের একসময়ের জোটসঙ্গী ও আওয়ামী লীগ-নিয়ন্ত্রিত বিরোধী দল হিসেবে পরিচিত। নেতৃত্বে থাকা আরেক দল জেপি বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের ১৪ দলীয় জোটের শরিক।
এ সময় তিনি বলেন, এ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জোটে খালেদা জিয়ার অসাধারণ অবদান ছিল। তিনি অনেক কষ্ট করেছেন, অনেক নির্যাতন সহ্য করেছেন। সবাই চাই তিনিও এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় থাকুন। তার স্বাস্থ্য বিষয়ে সবার মধ্যে একটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সে কারণে নির্বাচনের অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয় কি না, এটা আমাদের
জুলাই অভ্যুত্থানের অঙ্গীকার রক্ষা এবং দেশে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তৈরির লক্ষ্য সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) তিনটি রাজনৈতিক দল নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক জোট ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’।
এ সময় নুরুল হক নুর বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে শেখ হাসিনা গণঅধিকার পরিষদকে টাকা ও আসন অফার করেছিল। কিন্তু আমরা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপোষ করিনি। মূলত গণ অধিকার পরিষদ ২-৪টা আসনের জন্য কারও সঙ্গে জোট করবে না। যদি দেশের প্রয়োজনে জোট করতে হয় তা হবে ন্যায্যতার বিচারে সম্মানজনক আসন সমঝোতার ভিত্তিতে হবে।