১৯০৫ সালে তাঁর মা অ্যান রিভস জার্ভিস মারা যান। অ্যান ছিলেন একজন সমাজকর্মী। তিনি জীবনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছিলেন গৃহযুদ্ধের সময় আহত সৈনিকদের সেবা করা, এবং নারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য কাজ করে। তাঁর ইচ্ছা ছিল, মায়েদের প্রতি সম্মান জানানোর জন্য একটি দিন থাকুক। আনা এই ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দিতে উদ্যো
যুক্তরাষ্ট্রের মায়ো ক্লিনিকের পারিবারিক চিকিৎসক ড. লিসা হেন বলেন, "যখন মূত্রনালির সংক্রমণ হয়, তখন প্রস্রাবের সময় তীব্র জ্বালা হয়। এটা এমন এক অনুভূতি, যেন কাটা ঘায়ে লবণ পড়েছে।"
বাংলা সাহিত্যের মহান এই দুই কবির মধ্যে সম্পর্কের গভীরতা কেমন ছিল, সেই কৌতূহল থাকা স্বাভাবিক। কবিগুরু ও নজরুলের মধ্যে সম্পর্কের মাঝে বয়সের ব্যবধান কি খুব বড় বাধা ছিল?
এই নবজাগরণ ছিল বহুমুখী। হিন্দু-মুসলিম সহাবস্থান, সুফিবাদ ও ভক্তি আন্দোলনের সমন্বয়, তীর্থযাত্রা কর, গো হত্যা নিষেধাজ্ঞা কিংবা মসজিদ-মন্দির নির্মাণে সমান উৎসাহ—এই সবকিছুর মধ্যেই আকবরের সাম্রাজ্যবাদী বুদ্ধিমত্তা ও বাস্তবতাবাদ কাজ করেছিল।
হামলার টার্গেট ছিল পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বালাকোট শহরের কাছে অবস্থিত একটি পাহাড়ি এলাকা। এটি ছিল পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের বাইরে, অর্থাৎ পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডে সরাসরি ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রথম অভিযান।
এই পদগুলোর ভাষা ছিল এমন এক রূপ, যা এখনকার বাংলা ভাষার আদি রূপ হিসেবে ধরা হয়। তাই চর্যাপদ শুধু ধর্মীয় বা কাব্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, ভাষাতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকেও দারুণ গুরুত্বপূর্ণ।
ইতিহাসবিদ পিটার হার্ভে বলেন—“পানি পথই ছিল সেই স্থান, যেখানে মুঘল স্থায়িত্বের ধারণাটি প্রথম পরীক্ষা ও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।”
হেমু নিজের বাহিনীর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন সামনে থেকে। তিনি সাঁজোয়া যুদ্ধহাতিতে বসে ছিলেন, হাতে ছিল বিক্রমাদিত্যের চিহ্ন সম্বলিত ধ্বজা। শুরুতেই হেমুর বাহিনী মুঘলদের ওপর আক্রমণ করে এবং প্রাথমিক ধাক্কায় অনেক মুঘল সৈন্য হতাহত হয়।
বিশ্বজুড়ে গবেষকরা নারীদের চুল পড়া নিয়ে নানা গবেষণা চালাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের 'আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব ডার্মাটোলজি'-র সদস্য এবং চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ড. ক্যারলিন জ্যাকব জানান, নারীদের চুল পড়ার মূল কারণ সাধারণত শরীরের ভেতরের সমস্যাগুলো, বাইরের যত্ন নয়।
গবেষণায় দেখা যায় কিছু কিছু রিস্ক ফেক্টর আছে যাদের এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যেমন: ডায়াবেটিস মেলাইটাস, আঘাত জনিত কারণে, অনেকদিন জয়েন্ট নড়াচড়া না করলে, ফুসফুস/হৃদপিন্ডের কোন ধরনের অপারেশনের পরবর্তীতে, থাইরয়েড রোগ থাকলে, হাতের হাড় ভেঙ্গে গেলে প্লাষ্টার পরবর্তীতে ফ্রোজেন শোল্ডার হতে পারে।
বর্তমানে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে, দাগ কমাতে এবং চেহারায় জৌলুস ফেরাতে রাইস সিরাম অত্যন্ত কার্যকর ও জনপ্রিয়। তবে আমাদের সংস্কৃতিতে রূপচর্চার ঘরোয়া টোটকা হিসেবে চালের গুঁড়ার ব্যবহার চলে আসছে শতাব্দী ধরে। রাইস সিরাম মূলত চালের পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি তরল সিরাম, যা তৈরি করা হয় মূলত রাইস ওয়াটার বা চালের পা
প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটলে নানারকম শারীরিক ও মানসিক উপকারিতা পাওয়া যায়। যারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে চান তারা প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটতে পারেন। এ ছাড়া রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর অন্যতম উপায় হচ্ছে হাঁটা।
গল্পটা মাত্র তিন পৃষ্ঠার। তবুও তাতে শার্লক হোমস আর ডা. ওয়াটসনের পরিচিত আলাপচারিতা আছে। গল্পে শার্লক হোমস বলে দেয়, ওয়াটসন সেলকির্কে যাচ্ছেন ব্রিজ মেরামতের কাজে, অথচ ওয়াটসন নিজে সেটা বলেননি।
হেমুর জীবনগাথা যেন এক অলৌকিক উত্থান। তাঁর জন্ম হয়েছিল বিহারের এক সাধারণ হিন্দু বৈশ্য পরিবারে। প্রথম জীবনে তিনি চাল, ঘি, লবণ ইত্যাদি বিক্রি করতেন, পরে দিল্লিতে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন।
এই বইয়ের গল্পগুলো একদিকে যেমন রম্যরচনা, অন্যদিকে তেমনি গভীর রাজনৈতিক ব্যাখ্যা। ১৯৪৩ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সেই সময়ের শাসকদের ব্যর্থতা, উদাসীনতা, দুর্নীতি আর অসততা—সব কিছুই মিশে আছে এই গ্রন্থে। তবে কঠিন ভাষায় নয়, লেখক এগুলো বলেছেন এমন সহজ-সরল ভাষায়, যা সা
বক্সারের যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনাদের নেতৃত্বে ছিলেন হেক্টর মুনরো। তিনি কোম্পানির অভিজ্ঞ ও কৌশলী এক সামরিক কর্মকর্তা। যুদ্ধের আগে থেকেই কোম্পানির মধ্যে মীর কাশিমের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
তিনি ছিলেন তৈমুর লং ও চেঙ্গিস খানের বংশধর। তাঁর চোখ ছিল ভারতের বিপুল সম্পদ আর দুর্বল কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে। বাবর ভারতের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন বহু আগেই। তিনি পাঁচবার ভারত অভিযানে আসেন, কিন্তু পঞ্চমবারেই ঘটল সবচাইতে বড় পরিবর্তন।