
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই বোলারদের দাপটে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে টেনে নেয় বাংলাদেশ। সকালের সেশনে পাকিস্তানের টপ অর্ডার দ্রুত গুঁড়িয়ে দেওয়ার পরও লেজের সারির কিছু প্রতিরোধে সফরকারীরা অলআউট হলেও খুব বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি। ফলে প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের মূল্যবান লিড পায় স্বাগতিকরা।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২৭৮ রানের জবাবে পাকিস্তান থেমে যায় ২৩২ রানে। দিনের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম সেশনের মধ্যেই চার উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। মিডল অর্ডারে একমাত্র বাবর আজম কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও শেষ পর্যন্ত বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তিনি।
৬৮ রান করা বাবর আজম নাহিদ রানার গতিময় ডেলিভারিতে আউট হন। এরপর একে একে সাজঘরে ফেরেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আগা। ১৮৪ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে প্রায় ইনিংস হারানোর শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান। তবে লেজের সারির ব্যাটারদের কিছুটা প্রতিরোধে স্কোর ২০০ পার করে সফরকারীরা। ৯ নম্বরে নেমে সাজিদ খান খেলেন ৩৮ রানের কার্যকর ইনিংস, যা দলকে অন্তত লজ্জাজনক পরিস্থিতি থেকে বাঁচায়। শেষ পর্যন্ত ২৩২ রানে থামে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস।
লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শুরুতে ধাক্কা খেলেও দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায়। ইনিংসের শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিম ফিরে গেলেও দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল হক ও মাহমুদুল হাসান জয় দায়িত্ব নিয়ে খেলেন। বিশেষ করে জয় ছিলেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। শুরু থেকেই শট সিলেকশনে আত্মবিশ্বাসী এই ওপেনার দ্রুত রান তোলেন এবং ফিফটির দেখা পান।
৬১ বলে ফিফটি ছুঁয়ে শেষ পর্যন্ত ৬৪ বলে ৫২ রান করে আউট হন জয়। এরপর কিছুক্ষণ পরই ফিরে যান মুমিনুল হক। ৬০ বল মোকাবিলা করে ৩০ রানে থামেন তিনি, যদিও ইনিংস বড় করার ভালো সম্ভাবনা ছিল তার সামনে। দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় ক্রিজে থেকে যান আরেক ব্যাটার।
দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১১০ রান। হাতে ৭ উইকেট রেখে ১৫৬ রানের লিডে এগিয়ে আছে স্বাগতিকরা। দুই ইনিংস মিলিয়ে এখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ স্পষ্টভাবেই বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকে আছে, যদিও শেষ দিনের লড়াই এখনো বাকি।
রাজনীতি/একে

দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই বোলারদের দাপটে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে টেনে নেয় বাংলাদেশ। সকালের সেশনে পাকিস্তানের টপ অর্ডার দ্রুত গুঁড়িয়ে দেওয়ার পরও লেজের সারির কিছু প্রতিরোধে সফরকারীরা অলআউট হলেও খুব বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি। ফলে প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের মূল্যবান লিড পায় স্বাগতিকরা।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২৭৮ রানের জবাবে পাকিস্তান থেমে যায় ২৩২ রানে। দিনের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম সেশনের মধ্যেই চার উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। মিডল অর্ডারে একমাত্র বাবর আজম কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও শেষ পর্যন্ত বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তিনি।
৬৮ রান করা বাবর আজম নাহিদ রানার গতিময় ডেলিভারিতে আউট হন। এরপর একে একে সাজঘরে ফেরেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আগা। ১৮৪ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে প্রায় ইনিংস হারানোর শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান। তবে লেজের সারির ব্যাটারদের কিছুটা প্রতিরোধে স্কোর ২০০ পার করে সফরকারীরা। ৯ নম্বরে নেমে সাজিদ খান খেলেন ৩৮ রানের কার্যকর ইনিংস, যা দলকে অন্তত লজ্জাজনক পরিস্থিতি থেকে বাঁচায়। শেষ পর্যন্ত ২৩২ রানে থামে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস।
লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শুরুতে ধাক্কা খেলেও দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায়। ইনিংসের শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিম ফিরে গেলেও দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল হক ও মাহমুদুল হাসান জয় দায়িত্ব নিয়ে খেলেন। বিশেষ করে জয় ছিলেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। শুরু থেকেই শট সিলেকশনে আত্মবিশ্বাসী এই ওপেনার দ্রুত রান তোলেন এবং ফিফটির দেখা পান।
৬১ বলে ফিফটি ছুঁয়ে শেষ পর্যন্ত ৬৪ বলে ৫২ রান করে আউট হন জয়। এরপর কিছুক্ষণ পরই ফিরে যান মুমিনুল হক। ৬০ বল মোকাবিলা করে ৩০ রানে থামেন তিনি, যদিও ইনিংস বড় করার ভালো সম্ভাবনা ছিল তার সামনে। দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় ক্রিজে থেকে যান আরেক ব্যাটার।
দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১১০ রান। হাতে ৭ উইকেট রেখে ১৫৬ রানের লিডে এগিয়ে আছে স্বাগতিকরা। দুই ইনিংস মিলিয়ে এখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ স্পষ্টভাবেই বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকে আছে, যদিও শেষ দিনের লড়াই এখনো বাকি।
রাজনীতি/একে

নকআউট মিশনেও নেইমারকে ছাড়াই মাঠে নেমছে ব্রাজিল। কার্লোস আনিচেলত্তির দল বলের দখল আর আক্রমণের ধারা অব্যাহত রেখেছিল। কিন্তু প্রথমার্ধেই গোল করে এগিয়ে গেছে এশিয়ার পরাশক্তি জাপান।
১ দিন আগে
দলকে ঘিরে সমালোচনা কিংবা প্রশংসা—কোনোটিকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘অন্যরা কী বলছেন, সেটার পুনরাবৃত্তি আমরা করছি না। আমরা পুরোপুরি ম্যাচ, প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা এবং কীভাবে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে সমস্যাগুলো এড়ানো যায়—সেদিকেই মনোযোগ দিচ্ছি।
১ দিন আগে
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেওয়ার চেষ্টা করে। দক্ষিণ আফ্রিকা তুলনামূলকভাবে রক্ষণে জোর দিয়ে কাউন্টার অ্যাটাকের কৌশল বেছে নিয়েছিল। জবাবে কানাডা প্রথম থেকেই দারুণ প্রেসিংয়ে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে। তবে দুই দলেরই রক্ষণভাগ শক্তিশালী হওয়ায় কেউ খুব একটা সুবিধা করতে পারছিল না।
২ দিন আগে
চার বছর পর পূর্ণাঙ্গ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ে সফরে গেছে বাংলাদেশ। একমাত্র টেস্টের পর দুই দল তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে।
২ দিন আগে