
ক্রীড় ডেস্ক

সিলেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনে রানের পাহাড় গড়ার পথে রয়েছে বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের জোড়া হাফ সেঞ্চুরি এবং দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে বড় লিড পেয়েছে স্বাগতিকরা। তৃতীয় দিনের চা বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২৭৮ রান।
প্রথম ইনিংসের ৪৬ রানসহ মোট লিড দাঁড়িয়েছে ৩৫৩ রানে। ক্রিজে মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গ দিচ্ছেন নতুন ব্যাটার তাইজুল ইসলাম। ৯০ রান করে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় আছেন মুশফিকুর রহিম, তাইজুল অপরাজিত আছেন ৮ রানে।
সিলেটে আজ মুশফিক এমন কীর্তি গড়েছেন, যা বাংলাদেশের আর কোনো ক্রিকেটার করতে পারেননি। বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১৬ হাজার রানের কীর্তি গড়েছেন। দীর্ঘ ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তার রান ১৬০১০। বাংলাদেশের জার্সিতে এখন পর্যন্ত ১০২টি করে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তিনি। ওয়ানডে খেলেছেন ২৭৪টি।
এর আগে সকালের সেশনের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দিনের চতুর্থ ওভারেই সাজঘরে ফিরতে হয় টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে। পাকিস্তানি পেসার খুররম শাহজাদের ইনসুইঙ্গারে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন তিনি। ৪৬ বলে ১৫ রান করে শান্ত বিদায় নিলে ১১৫ রানে ৪র্থ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল স্বাগতিকরা।
তবে সেই ধাক্কা সামলে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও প্রথম ইনিংসের শতকধারী লিটন দাস। এই দুই নির্ভরযোগ্য ব্যাটারের প্রতিরোধে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪ উইকেটে ২০৩ রান তুলে মধ্যাহ্নবিরতিতে যায় বাংলাদেশ। ততক্ষণে স্বাগতিকদের লিড দাঁড়ায় ২৪৯ রান।
লাঞ্চ থেকে ফিরেই প্রথম ওভারে খুররম শাহজাদকে বাউন্ডারি মেরে টেস্ট ক্যারিয়ারের ২০তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন দাস (৬৭ বলে)। এর কিছুক্ষণ পর ১০৩ বলে টেস্ট ক্রিকেটে নিজের ৩০তম অর্ধশতক পূর্ণ করেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমও। পঞ্চম উইকেটে দুজনে মিলে গড়ে তোলেন ১২৩ রানের এক বিপজ্জনক জুটি।
তবে হাফ সেঞ্চুরির পর বেশি দূর যেতে পারেননি লিটন। পাকিস্তানি পেসার হাসান আলীর বলে শাকিলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৯২ বলে ৪টি চারের সাহায্যে ৬৯ রানের এক চমৎকার ইনিংস খেলেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। লিটনের বিদায়ের পর দলীয় ২৪১ রানে ৫ম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
লিটন দাসের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ক্রিজে সেট হয়ে যাওয়া মুশফিককে দারুণ সঙ্গ দিচ্ছিলেন তিনি। ইনিংসের ৬৭.৩ ওভারে স্বাগতিকরা দলীয় ২৫০ রানের গণ্ডি স্পর্শ করে। তবে চা বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে খুররম শাহজাদের একটি দুর্দান্ত ডেলিভারির লাইন মিস করে বোল্ড হন মিরাজ। বিদায়ের আগে ৩৯ বলে ১৯ রান করেন তিনি। মিরাজ যখন বিদায় নেন, তখন বাংলাদেশের লিড ছিল ৩১৮ রান।

সিলেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনে রানের পাহাড় গড়ার পথে রয়েছে বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের জোড়া হাফ সেঞ্চুরি এবং দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে বড় লিড পেয়েছে স্বাগতিকরা। তৃতীয় দিনের চা বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২৭৮ রান।
প্রথম ইনিংসের ৪৬ রানসহ মোট লিড দাঁড়িয়েছে ৩৫৩ রানে। ক্রিজে মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গ দিচ্ছেন নতুন ব্যাটার তাইজুল ইসলাম। ৯০ রান করে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় আছেন মুশফিকুর রহিম, তাইজুল অপরাজিত আছেন ৮ রানে।
সিলেটে আজ মুশফিক এমন কীর্তি গড়েছেন, যা বাংলাদেশের আর কোনো ক্রিকেটার করতে পারেননি। বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১৬ হাজার রানের কীর্তি গড়েছেন। দীর্ঘ ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তার রান ১৬০১০। বাংলাদেশের জার্সিতে এখন পর্যন্ত ১০২টি করে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তিনি। ওয়ানডে খেলেছেন ২৭৪টি।
এর আগে সকালের সেশনের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দিনের চতুর্থ ওভারেই সাজঘরে ফিরতে হয় টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে। পাকিস্তানি পেসার খুররম শাহজাদের ইনসুইঙ্গারে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন তিনি। ৪৬ বলে ১৫ রান করে শান্ত বিদায় নিলে ১১৫ রানে ৪র্থ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল স্বাগতিকরা।
তবে সেই ধাক্কা সামলে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও প্রথম ইনিংসের শতকধারী লিটন দাস। এই দুই নির্ভরযোগ্য ব্যাটারের প্রতিরোধে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪ উইকেটে ২০৩ রান তুলে মধ্যাহ্নবিরতিতে যায় বাংলাদেশ। ততক্ষণে স্বাগতিকদের লিড দাঁড়ায় ২৪৯ রান।
লাঞ্চ থেকে ফিরেই প্রথম ওভারে খুররম শাহজাদকে বাউন্ডারি মেরে টেস্ট ক্যারিয়ারের ২০তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন দাস (৬৭ বলে)। এর কিছুক্ষণ পর ১০৩ বলে টেস্ট ক্রিকেটে নিজের ৩০তম অর্ধশতক পূর্ণ করেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমও। পঞ্চম উইকেটে দুজনে মিলে গড়ে তোলেন ১২৩ রানের এক বিপজ্জনক জুটি।
তবে হাফ সেঞ্চুরির পর বেশি দূর যেতে পারেননি লিটন। পাকিস্তানি পেসার হাসান আলীর বলে শাকিলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৯২ বলে ৪টি চারের সাহায্যে ৬৯ রানের এক চমৎকার ইনিংস খেলেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। লিটনের বিদায়ের পর দলীয় ২৪১ রানে ৫ম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
লিটন দাসের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ক্রিজে সেট হয়ে যাওয়া মুশফিককে দারুণ সঙ্গ দিচ্ছিলেন তিনি। ইনিংসের ৬৭.৩ ওভারে স্বাগতিকরা দলীয় ২৫০ রানের গণ্ডি স্পর্শ করে। তবে চা বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে খুররম শাহজাদের একটি দুর্দান্ত ডেলিভারির লাইন মিস করে বোল্ড হন মিরাজ। বিদায়ের আগে ৩৯ বলে ১৯ রান করেন তিনি। মিরাজ যখন বিদায় নেন, তখন বাংলাদেশের লিড ছিল ৩১৮ রান।

মধ্যাহ্ন বিরতি যখন হয়েছে, তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫৩ ওভারে ৪ উইকেটে ২০৩ রান। মুশফিক অপরাজিত রয়েছেন ৮০ বলে ৩৯ রানে। লিটনের সংগ্রহ ৬৬ বল থেকে ৪৮ রান। ২২ ওভার ২ বল থেকে দুজনের জুটিতে এসেছে এখন পর্যন্ত ৮৮ রান।
১৪ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই বোলারদের দাপটে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে টেনে নেয় বাংলাদেশ। সকালের সেশনে পাকিস্তানের টপ অর্ডার দ্রুত গুঁড়িয়ে দেওয়ার পরও লেজের সারির কিছু প্রতিরোধে সফরকারীরা অলআউট হলেও খুব বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি। ফলে প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের মূল্যবান লিড পায় স্বাগতিকরা।
১ দিন আগে
সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে পুরো দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে পাকিস্তানকে মাত্র ২৩২ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৪৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড পেয়েছে স্বাগতিকরা। দিনের দুই সেশনেই সমান চারটি করে উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারীদের চাপে রাখে টাইগার বোলাররা।
১ দিন আগে
লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে ভর করে প্রথম ইনিংসে লড়াই করার মতো সংগ্রহ পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে সেই রানও পাকিস্তানের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে সফরকারীরা। দ্বিতীয় সেশন শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে এখনও ৭২ রানে পিছিয়ে আছে পাকিস্তান
১ দিন আগে