
ক্রীড়া প্রতিবেদক

ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার অনন্য হাতছানির মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে টাইগাররা। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেই ব্যাটে-বলে দাপুটে জয় তুলে নেওয়ায় সে হাতছানিও অসম্ভব মনে হচ্ছে না।
মিরপুরে রোববার (১৪ জুন) সকাল ১১টায় মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। এরই মধ্যে দুই ম্যাচ জিতে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। এবার টাইগারদের সামনে নতুন লক্ষ্য— অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করা।
প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং— তিন বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে পাঁচ উইকেটের জয় এনে দিয়ে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ফলে শেষ ম্যাচটি এখন বাংলাদেশের জন্য ইতিহাস আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ।
৯ জুন মিরপুরে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান তোলে। জবাবে অস্ট্রেলিয়া লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে নাহিদ রানার গতির সামনে ধুঁকতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি আইনে (ডিএলএস) ৮৬ রানে জেতে বাংলাদেশ। এটি ছিল ২০ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে জয়।
দ্বিতীয় ওয়ানডে দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। কোনো রান তোলার আগেই ৩ উইকেট হারায় তারা। পরে মার্নাস লাবুশেনের ৫৫ ও পেসার জেভিয়ার বার্টলেটের ৫২ রানে ঘুরে দাঁড়ায় অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার রান যখন ৪২ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৭, তখন বৃষ্টি নামে। পরে বৃষ্টি শেষ না হলে সেখানেই থামে তাদের ইনিংস। ডিএলএস মেথডে বাংলাদেশের টার্গেট দাঁড়ায় ৪১ ওভারে ১৯১ রান।
বাংলাদেশও শুরুতেই উইকেট হারায়। তবে সৌম্য সরকার আর নাজমুল হোসেন শান্তর জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায়। পরে ৩৫ ওভারে ১৯৫/৫ রান তুলে ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে এবং প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতে নেয়।
এ সিরিজে বাংলাদেশের পেসাররা অস্ট্রেলিয়ার জন্য সবচেয়ে দুশ্চিন্তার নাম। নাহিদ রানার এক্সপ্রেস গতির সঙ্গে মুস্তাফিজুর রহমান আর তাসকিনের সিম-সুইং দুই ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে। মেহেদি হাসান মিরাজ, তানভির ইসলাম আর মোসাদ্দেকের নিয়ন্ত্রিত স্পিনও অজি ব্যাটারদের জন্য ছিল চ্যালেঞ্জিং।
বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতেও রান পেয়েছেন তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহিদ হৃদয়। বিশেষ করে দ্বিতীয় ম্যাচে হৃদয়ের অপরাজিত ৪০ রানের ইনিংস জয় সহজ করে দেয়।
সফরে এসে অজি ব্যাটাররা নিজেদের খুঁজে ফিরছেন। প্রথম ম্যাচে ক্যামেরন গ্রিন অর্ধশতক পেলেও তা কেবল পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচে মারনাস লাবুশেন আর বার্টলেট ফিফটি পেলেও অস্ট্রেলিয়া ৬ উইকেট হারিয়েছে ৮১ রানেই। ওই দুই ফিফটি কেবল বাংলাদেশের টার্গেট বাড়িয়েছে।
অজি বোলারদের মধ্যে নাথান এলিস দুই ম্যাচেই ভালো করেছেন। এর বাইরে অন্য বোলাররা কেউ খুব ভালো করতে পারেননি।
ক্রিকেট ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সাফল্যের মুহূর্ত খুব বেশি নয়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঘরের মাঠে শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসছে টাইগাররা। এর আগের টানা তিন ওয়ানডে সিরিজও জিতেছে বাংলাদেশই। সেই ধারাবাহিকতায় এবার প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয় নিশ্চিত হয়েছে।
এখন রোববারের ম্যাচে জিততে পারলে শুধু সিরিজ জয় নয়, বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সফল দল অস্ট্রেলিয়াকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করার কীর্তিও গড়বে বাংলাদেশ।
সিরিজ নিশ্চিত হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে বাংলাদেশের। টপ অর্ডারের দায়িত্বশীল ব্যাটিং, মধ্যক্রমের কার্যকর অবদান এবং বোলারদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দলকে এগিয়ে রেখেছে।
বিশেষ করে মিরপুরের পরিচিত কন্ডিশনে বাংলাদেশের স্পিন ও পেস আক্রমণ অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রথম দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সও সেই বার্তাই দিয়েছে।

ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার অনন্য হাতছানির মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে টাইগাররা। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেই ব্যাটে-বলে দাপুটে জয় তুলে নেওয়ায় সে হাতছানিও অসম্ভব মনে হচ্ছে না।
মিরপুরে রোববার (১৪ জুন) সকাল ১১টায় মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। এরই মধ্যে দুই ম্যাচ জিতে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। এবার টাইগারদের সামনে নতুন লক্ষ্য— অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করা।
প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং— তিন বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে পাঁচ উইকেটের জয় এনে দিয়ে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ফলে শেষ ম্যাচটি এখন বাংলাদেশের জন্য ইতিহাস আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ।
৯ জুন মিরপুরে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান তোলে। জবাবে অস্ট্রেলিয়া লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে নাহিদ রানার গতির সামনে ধুঁকতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি আইনে (ডিএলএস) ৮৬ রানে জেতে বাংলাদেশ। এটি ছিল ২০ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে জয়।
দ্বিতীয় ওয়ানডে দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। কোনো রান তোলার আগেই ৩ উইকেট হারায় তারা। পরে মার্নাস লাবুশেনের ৫৫ ও পেসার জেভিয়ার বার্টলেটের ৫২ রানে ঘুরে দাঁড়ায় অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার রান যখন ৪২ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৭, তখন বৃষ্টি নামে। পরে বৃষ্টি শেষ না হলে সেখানেই থামে তাদের ইনিংস। ডিএলএস মেথডে বাংলাদেশের টার্গেট দাঁড়ায় ৪১ ওভারে ১৯১ রান।
বাংলাদেশও শুরুতেই উইকেট হারায়। তবে সৌম্য সরকার আর নাজমুল হোসেন শান্তর জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায়। পরে ৩৫ ওভারে ১৯৫/৫ রান তুলে ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে এবং প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতে নেয়।
এ সিরিজে বাংলাদেশের পেসাররা অস্ট্রেলিয়ার জন্য সবচেয়ে দুশ্চিন্তার নাম। নাহিদ রানার এক্সপ্রেস গতির সঙ্গে মুস্তাফিজুর রহমান আর তাসকিনের সিম-সুইং দুই ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে। মেহেদি হাসান মিরাজ, তানভির ইসলাম আর মোসাদ্দেকের নিয়ন্ত্রিত স্পিনও অজি ব্যাটারদের জন্য ছিল চ্যালেঞ্জিং।
বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতেও রান পেয়েছেন তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহিদ হৃদয়। বিশেষ করে দ্বিতীয় ম্যাচে হৃদয়ের অপরাজিত ৪০ রানের ইনিংস জয় সহজ করে দেয়।
সফরে এসে অজি ব্যাটাররা নিজেদের খুঁজে ফিরছেন। প্রথম ম্যাচে ক্যামেরন গ্রিন অর্ধশতক পেলেও তা কেবল পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচে মারনাস লাবুশেন আর বার্টলেট ফিফটি পেলেও অস্ট্রেলিয়া ৬ উইকেট হারিয়েছে ৮১ রানেই। ওই দুই ফিফটি কেবল বাংলাদেশের টার্গেট বাড়িয়েছে।
অজি বোলারদের মধ্যে নাথান এলিস দুই ম্যাচেই ভালো করেছেন। এর বাইরে অন্য বোলাররা কেউ খুব ভালো করতে পারেননি।
ক্রিকেট ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সাফল্যের মুহূর্ত খুব বেশি নয়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঘরের মাঠে শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসছে টাইগাররা। এর আগের টানা তিন ওয়ানডে সিরিজও জিতেছে বাংলাদেশই। সেই ধারাবাহিকতায় এবার প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয় নিশ্চিত হয়েছে।
এখন রোববারের ম্যাচে জিততে পারলে শুধু সিরিজ জয় নয়, বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সফল দল অস্ট্রেলিয়াকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করার কীর্তিও গড়বে বাংলাদেশ।
সিরিজ নিশ্চিত হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে বাংলাদেশের। টপ অর্ডারের দায়িত্বশীল ব্যাটিং, মধ্যক্রমের কার্যকর অবদান এবং বোলারদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দলকে এগিয়ে রেখেছে।
বিশেষ করে মিরপুরের পরিচিত কন্ডিশনে বাংলাদেশের স্পিন ও পেস আক্রমণ অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রথম দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সও সেই বার্তাই দিয়েছে।

‘রেফারি কোনোভাবেই শিথিলতা দেখাতে পারেন না কিংবা নিয়ম ভাঙার সুযোগ দিতে পারেন না। ফুটবলের বৈধতার যে সীমারেখা আছে, তা কোনোভাবেই অতিক্রম করা উচিত নয়।’
১৫ ঘণ্টা আগে
১৯৫৪ সালে অভিষেকের পর গ্যারি সোবার্সের ক্যারিয়ার থামে ১৯৭৪ সালে। এই দুই দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৯৩টি টেস্ট খেলেছেন তিনি। ৫৭.৭৮ গড়ে করেছেন ৮ হাজার ৩২ রান, ৩৪.০৩ গড়ে নিয়েছেন ২৩৫ উইকেট। ৩৯টি টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি।
১ দিন আগে
বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে শুধু ফুটবলপ্রেমীদের নয়, বিশ্বনেতাদেরও আগ্রহ তুঙ্গে। রোববার নিউ জার্সিতে আর্জেন্টিনা-স্পেনের ফাইনাল মাঠে বসে দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। গ্যালারিতে থাকবেন স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ, রানি লেতিসিয়া ও তাদের দুই কন্যা।
১ দিন আগে
প্রথম ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ। দুই ওপেনারের ১২০ রানের জুটির পর মাঝের ধসে চাপে পড়লেও শেষ দিকে ইয়াসির আলী ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ গড়ে সফরকারীরা। এরপর শুরুতেই জিম্বাবুয়েকে চাপে ফেলে পুরো ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে বাংলাদেশ।
১ দিন আগে