
ক্রীড়া ডেস্ক

১৬০ রান টি-টুয়েন্টিতে খুব বড় সংগ্রহ নয়। তবে পাকিস্তানি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ওমানের কাছে সেটিই পরিণত হলো পাহাড় সমান সংগ্রহে। মাত্র ৬৭ রানেই গুটিয়ে গেছে তাদের ইনিংস। পাকিস্তান পেয়েছে ৯৩ রানের বিশাল জয়।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান মুখোমুখি হয়েছিল ওমানের। তাতেই এসেছে বিশাল জয়।
টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তান সংগ্রহ করেছিল ৭ উইকেটে ১৬০ রান। প্রতিপক্ষ ওমান বিবেচনায় পাকিস্তানের প্রত্যাশা হয়তো আরেকটু বেশি ছিল। তবে পরে বোলিংয়ে নেমে পাকিস্তানি স্পিনারদের ঘূর্ণিতে খাবি খেয়েছেন ওমানের ব্যাটাররা।
১৬১ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ওমানের শুরুটাই ভালো হয়নি। পাওয়ার প্লের মধ্যেই ওমানের দুই ওপেনারকে তুলে নেন অফস্পিনার সাইম আইয়ুব। আরেক রিস্ট স্পিনার সুফিয়ান মুকিমও থেমে থাকেননি। তাদের সঙ্গে যোগ দেন ডানহাতি পেসার ফাহিম আশরাফ। তিনজনই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। বাঁহাতি স্পিনার মোহাম্মদ নওয়াজ ও লেগ স্পিনার আবরার নেন একটি করে উইকেট। একটি উইকেট পেয়েছেন শাহীন শাহ আফ্রিদিও।
ব্যাট হাতে পুরোপুরি ব্যর্থ ওমান ব্যাটারদের মধ্যে কেবল তিনজন দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পেরেছেন। তাদের মধ্যে হাম্মাদ মির্জা করেছেন ২৩ বলে ২৭ রান। ১১ বলে ১৩ রান করেছেন আমির কলিম। আর শেষের দিকে ২৩ বলে ১০ রান করে শাকিল আহমেদ কেবল ওমানের ইনিংসের সময়টা দীর্ঘায়িত করেছেন।
এর আগে পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংস মূলত আবর্তিত হয়েছে মোহাম্মদ হারিসের ব্যাটে। ৪৩ বলে ৬৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন তিনি। তাতে ৭টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছিল ৩টি ছক্কা। এই ইনিংসের জণ্য ম্যাচসেরাও হন তিনি।
হারিস ভালো করলেও পাকিস্তানের শুরুটা ভালো হয়নি। প্রথম পাঁচ ওভারে মাত্র দুইটি বাউন্ডারির সঙ্গে স্কোরবোর্ডে জমা হয় মাত্র ৩১ রান। ওই সময় শূন্য রানে ফিরেছেন সাইম আয়ুব। ষষ্ঠ তথা পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে গিয়ে গতি পায় পাকিস্তানের ইনিংস। সেটি হারিসের কল্যাণে।
শাহেবজাদা ফারহান জীবন পেয়েও ২৯ বলে ২৯ রানের বেশি করতে পারেননি। তবে হারিসের সঙ্গে তার ৬৪ বলে ৮৫ রানের জুটিই ম্যাচে পাকিস্তানের ইনিংসকে গতি দেয়।
৮৯ রানে ফারহান আর ১০২ রানে হারিস আউট হয়ে যাওয়ার পর অবশ্য চাপে পড়ে পাকিস্তান। হারিস আউট হওয়ার পরের বলেই আউট হয়ে যান সালমান আগা।
পরের দিকে ফখর জামানের ১৬ বলে ২৩ আর মোহাম্মদ নওয়াজের ১০ বলে ১৯ রানের ওপর ভর করে দেড় শ অতিক্রম করে পাকিস্তানের ইনিংস।
ওমানের হয়ে ৩১ রানে ৩ উইকেট নেন আমির কলিম। ৩৪ রানে ৩ উইকেট নেন শাহ ফয়সাল। একটি নিয়েছেন মোহাম্মদ নাদিম।

১৬০ রান টি-টুয়েন্টিতে খুব বড় সংগ্রহ নয়। তবে পাকিস্তানি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ওমানের কাছে সেটিই পরিণত হলো পাহাড় সমান সংগ্রহে। মাত্র ৬৭ রানেই গুটিয়ে গেছে তাদের ইনিংস। পাকিস্তান পেয়েছে ৯৩ রানের বিশাল জয়।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান মুখোমুখি হয়েছিল ওমানের। তাতেই এসেছে বিশাল জয়।
টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তান সংগ্রহ করেছিল ৭ উইকেটে ১৬০ রান। প্রতিপক্ষ ওমান বিবেচনায় পাকিস্তানের প্রত্যাশা হয়তো আরেকটু বেশি ছিল। তবে পরে বোলিংয়ে নেমে পাকিস্তানি স্পিনারদের ঘূর্ণিতে খাবি খেয়েছেন ওমানের ব্যাটাররা।
১৬১ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ওমানের শুরুটাই ভালো হয়নি। পাওয়ার প্লের মধ্যেই ওমানের দুই ওপেনারকে তুলে নেন অফস্পিনার সাইম আইয়ুব। আরেক রিস্ট স্পিনার সুফিয়ান মুকিমও থেমে থাকেননি। তাদের সঙ্গে যোগ দেন ডানহাতি পেসার ফাহিম আশরাফ। তিনজনই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। বাঁহাতি স্পিনার মোহাম্মদ নওয়াজ ও লেগ স্পিনার আবরার নেন একটি করে উইকেট। একটি উইকেট পেয়েছেন শাহীন শাহ আফ্রিদিও।
ব্যাট হাতে পুরোপুরি ব্যর্থ ওমান ব্যাটারদের মধ্যে কেবল তিনজন দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পেরেছেন। তাদের মধ্যে হাম্মাদ মির্জা করেছেন ২৩ বলে ২৭ রান। ১১ বলে ১৩ রান করেছেন আমির কলিম। আর শেষের দিকে ২৩ বলে ১০ রান করে শাকিল আহমেদ কেবল ওমানের ইনিংসের সময়টা দীর্ঘায়িত করেছেন।
এর আগে পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংস মূলত আবর্তিত হয়েছে মোহাম্মদ হারিসের ব্যাটে। ৪৩ বলে ৬৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন তিনি। তাতে ৭টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছিল ৩টি ছক্কা। এই ইনিংসের জণ্য ম্যাচসেরাও হন তিনি।
হারিস ভালো করলেও পাকিস্তানের শুরুটা ভালো হয়নি। প্রথম পাঁচ ওভারে মাত্র দুইটি বাউন্ডারির সঙ্গে স্কোরবোর্ডে জমা হয় মাত্র ৩১ রান। ওই সময় শূন্য রানে ফিরেছেন সাইম আয়ুব। ষষ্ঠ তথা পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে গিয়ে গতি পায় পাকিস্তানের ইনিংস। সেটি হারিসের কল্যাণে।
শাহেবজাদা ফারহান জীবন পেয়েও ২৯ বলে ২৯ রানের বেশি করতে পারেননি। তবে হারিসের সঙ্গে তার ৬৪ বলে ৮৫ রানের জুটিই ম্যাচে পাকিস্তানের ইনিংসকে গতি দেয়।
৮৯ রানে ফারহান আর ১০২ রানে হারিস আউট হয়ে যাওয়ার পর অবশ্য চাপে পড়ে পাকিস্তান। হারিস আউট হওয়ার পরের বলেই আউট হয়ে যান সালমান আগা।
পরের দিকে ফখর জামানের ১৬ বলে ২৩ আর মোহাম্মদ নওয়াজের ১০ বলে ১৯ রানের ওপর ভর করে দেড় শ অতিক্রম করে পাকিস্তানের ইনিংস।
ওমানের হয়ে ৩১ রানে ৩ উইকেট নেন আমির কলিম। ৩৪ রানে ৩ উইকেট নেন শাহ ফয়সাল। একটি নিয়েছেন মোহাম্মদ নাদিম।

ব্রায়ান ব্রবি ও কোডি গাকপোর জোড়া গোলে সুইডেনকে ৫-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে টুর্নামেন্টে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে রোনাল্ড কোম্যানের দল। এই জয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে ‘এফ’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে শেষ ৩২-এ ওঠার পথও অনেকটাই পরিষ্কার করেছে তারা।
২০ ঘণ্টা আগে
এ ম্যাচ জয়ের সঙ্গে নতুন ইতিহাসও হয়েছে। মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এই প্রথম এলো একাধিক জয়। এর আগে কখনোই এক বিশ্বকাপে একাধিক জয় পায়নি বাংলাদেশ। আবার প্রথম তিন ম্যাচেই এলো দুই জয়।
২১ ঘণ্টা আগে
অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। আগামী ২৫ জুন গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই বিশ্বকাপে ফিরতে যাচ্ছেন নেইমার।
১ দিন আগে
ম্যাচ শুরুর পরপরই আক্রমণে উঠে আসে প্যারাগুয়ে। তুরস্কের রক্ষণভাগকে অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলে মাত্র ৬৫ সেকেন্ডের মাথায় গোল করেন মাতিয়াস গালারজা। এটি এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম দ্রুততম গোল। এর আগে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মরক্কোর ইসমাইল সাইবারির ৭১ সেকেন্ডে গোল করেন।
১ দিন আগে