
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের এক ম্যাচ ডেতে চার ম্যাচের চারটিই ড্র! এবারের বিশ্বকাপের পঞ্চম দিন সাক্ষী হলো এমনই এক বিরল ঘটনার। স্পেন-কেপ ভার্দে ম্যাচ দিয়ে শুরু, শেষ ইরান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে। মাঝে বেলজিয়ামের বিপক্ষে খেলেছে মিসরের বিপক্ষে, উরুগুয়ের মুখোমুখি হয়েছিল সৌদি আরব। চার ম্যাচের কোনোটিতেই আসেনি জয়-পরাজয়, হয়েছে ড্র!
রেকর্ড বুক ঘেঁটে দেখা গেল, এর আগের একটি দিনের জন্য এ ঘটনাকে অনন্য বলা গেল না। ৬৮ বছর আগে ১৯৫৮ সালে অনুষ্ঠিত সুইডেন বিশ্বকাপে ঘটেছিল একই ঘটনা। একই ম্যাচডেতে চারটি ম্যাচ ড্রতে পর্যবসিত হয়েছিল! ফলে আমেরিকা বিশ্বকাপ ফিরিয়ে আনল ৬৮ বছর আগের স্মৃতি।
তবে এখানেই শেষ নয়। কাকতালীয়ভাবে চার ম্যাচ ড্রয়ের ঘটনা ৬৮ বছরের ব্যবধানে ঘটেছে একই দিনে— ১৫ জুন! এ যেন দেজা ভ্যু!
এবারের বিশ্বকাপে ১৫ জুন জি ও এইচ গ্রুপের আট দল নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামে। প্রথম ম্যাচটি ছিল ফেভারিট স্পেনের সঙ্গে কেপ ভার্দের। আফ্রিকা অঞ্চল থেকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে আসা দলটির দুর্দান্ত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি স্পেন। গোল পায়নি কেপ ভার্দও। গোলশূন্য ড্র হয় ম্যাচটি।
পরের ম্যাচে মুখোমুখি বেলজিয়াম আর মিসর। কাগজে-কলমে বেলজিয়ামই ছিল এগিয়ে। তবে ২০ মিনিটের মাথায় গোল পেয়ে মিসরই এগিয়ে যায়৷ প্রথমার্ধে সে লিড ধরেও রাখে তারা৷ এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করার রেকর্ড দলটির জন্য এই প্রথম! দ্বিতীয়ার্ধে খেলার ৬৮ মিনিটের মাথায় আত্মঘাতী গোলে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ সমতায় ফেরে। কোনো দলই আর গোল করতে না পারলে ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।
তৃতীয় ম্যাচে দুই প্রতিপক্ষ ছিল সৌদি আরব আর উরুগুয়ে। এ ম্যাচেও ফেভারিট উরুগুয়েকে চমকে দিয়ে ম্যাচে লিড নিয়েছিল সৌদি আরব। ম্যাচের তখন ৪১ মিনিট। আরও প্রায় ৪০ মিনিট লিড ধরে রেখেও ৮০ মিনিটের এক গোলে খেলায় ফেরে উরুগুয়ে। এ ম্যাচও ১-১ গোলে ড্র হয়।
দিনের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান৷ যুক্তরাষ্ট্রে খেলা হলেও যুদ্ধের জের ধরে তাদের থাকতে হচ্ছে মেক্সিকো। ম্যাচের দিনই কেবল ভেন্যুতে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে তারা। এ অবস্থায় ম্যাচ খেলতে নেমে ৭ মিনিটেই গোল খেয়ে বসে ইরান। ৩২ মিনিটেই সমতায় ফেরে দলটি। ৫৫ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ নিউজিল্যান্ড। তবে সে লিড ৯ মিনিটের বেশ ধরে রাখতে পারেনি। ৬৪ মিনিটের মাথায় দ্বিতীয় গোল করে সমতায় ফেরে ইরান। বাকি সময়ে আর কোনো দলেরই লক্ষ্যভেদ করা হয়ে ওঠেনি। ফলে ২-২ গোলে ড্র মেনে নিয়ে হহ দুই দলকে। বিশ্বকাপ দ্বিতীয়বারের মতো সাক্ষী হয়ে এক দিনে চার ড্রয়ের।
৬৮ বছর আগের ঘটনায় এক দিনে মাঠে গড়িয়েছিল আটটি ম্যাচ। চার গ্রুপের সব দলই নেমেছিল মাঠে। এর মধ্যে চারটি ম্যাচেই আসেনি কোনো ফলাফল। সেদিনও ছিল ১৫ জুন!
সেদিন গ্রুপ ওয়ানের এক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড আর পশ্চিম জার্মানি। তখন পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি ছিল দুটি স্বাধীন দেশ, ১৯৯০ সালে বার্লিন দেয়াল পতনের মাধ্যে যা একীভূত হয়ে এখনকার জার্মানির রূপ নিয়েছে। সেই পশ্চিম জার্মানি আর নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের ম্যাচটি ছিল উত্তেজনায় ভরপুর। দুই দলই গোল করে দুটি করে। ২-২ গোলে ড্র হয় ম্যাচটি।
আরেক ম্যাচে গ্রুপ টু থেকে মুখোমুখি হয় প্যারাগুয়ে আর যুগোস্লাভিয়া (পরবর্তী সময়ে যা ভেঙে সাতটি স্বাধীন দেশ জন্ম নিয়েছেল)। এ ম্যাচে রীতিমতো গোল বন্যা বইয়ে দেয় দুই দল, লড়াই হয় সমানে সমান। ৩-৩ গোলের সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি।
গ্রুপ থ্রি-এর সুইডেন আর ওয়েলসের মধ্যেকার প্রথম বরং ছিল তুলনামূলক ম্যাড়মেড়ে। দুই দলের কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচটি শেষ হয় ০-০ ড্রতে।
গ্রুপ ফোরের এক ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল ইংল্যান্ড আর অস্ট্রিয়া। আক্রমণ আর পালটা আক্রমণে জমজমাট ছিল ম্যাচটি। দুইবার করে গোলের দেখা পায় দুই দলই। তাতে ২-২ ড্র মেনে নিতে হয় দুই দলকে।
সেই প্রথম বিশ্বকাপ সাক্ষী হয় এক ম্যাচডেতে চার ড্রয়ের। এমন ঘটনা এতটাই বিরল যে তার পুনরাবৃত্তি হয়ে বিশ্বকে অপেক্ষা করতে হলো ৬৮ বছর!

বিশ্বকাপের এক ম্যাচ ডেতে চার ম্যাচের চারটিই ড্র! এবারের বিশ্বকাপের পঞ্চম দিন সাক্ষী হলো এমনই এক বিরল ঘটনার। স্পেন-কেপ ভার্দে ম্যাচ দিয়ে শুরু, শেষ ইরান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে। মাঝে বেলজিয়ামের বিপক্ষে খেলেছে মিসরের বিপক্ষে, উরুগুয়ের মুখোমুখি হয়েছিল সৌদি আরব। চার ম্যাচের কোনোটিতেই আসেনি জয়-পরাজয়, হয়েছে ড্র!
রেকর্ড বুক ঘেঁটে দেখা গেল, এর আগের একটি দিনের জন্য এ ঘটনাকে অনন্য বলা গেল না। ৬৮ বছর আগে ১৯৫৮ সালে অনুষ্ঠিত সুইডেন বিশ্বকাপে ঘটেছিল একই ঘটনা। একই ম্যাচডেতে চারটি ম্যাচ ড্রতে পর্যবসিত হয়েছিল! ফলে আমেরিকা বিশ্বকাপ ফিরিয়ে আনল ৬৮ বছর আগের স্মৃতি।
তবে এখানেই শেষ নয়। কাকতালীয়ভাবে চার ম্যাচ ড্রয়ের ঘটনা ৬৮ বছরের ব্যবধানে ঘটেছে একই দিনে— ১৫ জুন! এ যেন দেজা ভ্যু!
এবারের বিশ্বকাপে ১৫ জুন জি ও এইচ গ্রুপের আট দল নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামে। প্রথম ম্যাচটি ছিল ফেভারিট স্পেনের সঙ্গে কেপ ভার্দের। আফ্রিকা অঞ্চল থেকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে আসা দলটির দুর্দান্ত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি স্পেন। গোল পায়নি কেপ ভার্দও। গোলশূন্য ড্র হয় ম্যাচটি।
পরের ম্যাচে মুখোমুখি বেলজিয়াম আর মিসর। কাগজে-কলমে বেলজিয়ামই ছিল এগিয়ে। তবে ২০ মিনিটের মাথায় গোল পেয়ে মিসরই এগিয়ে যায়৷ প্রথমার্ধে সে লিড ধরেও রাখে তারা৷ এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করার রেকর্ড দলটির জন্য এই প্রথম! দ্বিতীয়ার্ধে খেলার ৬৮ মিনিটের মাথায় আত্মঘাতী গোলে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ সমতায় ফেরে। কোনো দলই আর গোল করতে না পারলে ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।
তৃতীয় ম্যাচে দুই প্রতিপক্ষ ছিল সৌদি আরব আর উরুগুয়ে। এ ম্যাচেও ফেভারিট উরুগুয়েকে চমকে দিয়ে ম্যাচে লিড নিয়েছিল সৌদি আরব। ম্যাচের তখন ৪১ মিনিট। আরও প্রায় ৪০ মিনিট লিড ধরে রেখেও ৮০ মিনিটের এক গোলে খেলায় ফেরে উরুগুয়ে। এ ম্যাচও ১-১ গোলে ড্র হয়।
দিনের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান৷ যুক্তরাষ্ট্রে খেলা হলেও যুদ্ধের জের ধরে তাদের থাকতে হচ্ছে মেক্সিকো। ম্যাচের দিনই কেবল ভেন্যুতে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে তারা। এ অবস্থায় ম্যাচ খেলতে নেমে ৭ মিনিটেই গোল খেয়ে বসে ইরান। ৩২ মিনিটেই সমতায় ফেরে দলটি। ৫৫ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ নিউজিল্যান্ড। তবে সে লিড ৯ মিনিটের বেশ ধরে রাখতে পারেনি। ৬৪ মিনিটের মাথায় দ্বিতীয় গোল করে সমতায় ফেরে ইরান। বাকি সময়ে আর কোনো দলেরই লক্ষ্যভেদ করা হয়ে ওঠেনি। ফলে ২-২ গোলে ড্র মেনে নিয়ে হহ দুই দলকে। বিশ্বকাপ দ্বিতীয়বারের মতো সাক্ষী হয়ে এক দিনে চার ড্রয়ের।
৬৮ বছর আগের ঘটনায় এক দিনে মাঠে গড়িয়েছিল আটটি ম্যাচ। চার গ্রুপের সব দলই নেমেছিল মাঠে। এর মধ্যে চারটি ম্যাচেই আসেনি কোনো ফলাফল। সেদিনও ছিল ১৫ জুন!
সেদিন গ্রুপ ওয়ানের এক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড আর পশ্চিম জার্মানি। তখন পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি ছিল দুটি স্বাধীন দেশ, ১৯৯০ সালে বার্লিন দেয়াল পতনের মাধ্যে যা একীভূত হয়ে এখনকার জার্মানির রূপ নিয়েছে। সেই পশ্চিম জার্মানি আর নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের ম্যাচটি ছিল উত্তেজনায় ভরপুর। দুই দলই গোল করে দুটি করে। ২-২ গোলে ড্র হয় ম্যাচটি।
আরেক ম্যাচে গ্রুপ টু থেকে মুখোমুখি হয় প্যারাগুয়ে আর যুগোস্লাভিয়া (পরবর্তী সময়ে যা ভেঙে সাতটি স্বাধীন দেশ জন্ম নিয়েছেল)। এ ম্যাচে রীতিমতো গোল বন্যা বইয়ে দেয় দুই দল, লড়াই হয় সমানে সমান। ৩-৩ গোলের সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি।
গ্রুপ থ্রি-এর সুইডেন আর ওয়েলসের মধ্যেকার প্রথম বরং ছিল তুলনামূলক ম্যাড়মেড়ে। দুই দলের কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচটি শেষ হয় ০-০ ড্রতে।
গ্রুপ ফোরের এক ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল ইংল্যান্ড আর অস্ট্রিয়া। আক্রমণ আর পালটা আক্রমণে জমজমাট ছিল ম্যাচটি। দুইবার করে গোলের দেখা পায় দুই দলই। তাতে ২-২ ড্র মেনে নিতে হয় দুই দলকে।
সেই প্রথম বিশ্বকাপ সাক্ষী হয় এক ম্যাচডেতে চার ড্রয়ের। এমন ঘটনা এতটাই বিরল যে তার পুনরাবৃত্তি হয়ে বিশ্বকে অপেক্ষা করতে হলো ৬৮ বছর!

পর্তুগিজ এই কোচের মতে, কোনো ফাউল হয়ে থাকলে সেটি খেলা চলাকালীনই নির্ধারণ করা উচিত ছিল। গোল হওয়ার পর ভিডিও প্রযুক্তির সাহায্যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে তা বাতিল করা ফুটবলের স্বাভাবিক ধারার সঙ্গে যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
২ দিন আগে
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার পর এবার সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টদাতার রেকর্ডও নিজের করে নিলেন লিওনেল মেসি। মিসরের বিপক্ষে ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট— দুটিই করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তবে রেকর্ডগড়া এই ম্যাচেই পেনাল্টি মিস করে আরেকটি অনাকাঙ্ক্ষিত নজিরও গড়েছেন তিনি।
২ দিন আগে
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তুলেছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একাধিক সদস্য। তাদের অভিযোগ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগের পর ফিফার নেওয়া সিদ্ধান্ত ফুটবলের ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
২ দিন আগে
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের নবম মিনিটে কর্নার থেকে কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার জন লুকুমির একটি হেড বারে লেগে ফিরে আসলে কপাল পোড়ে লাতিন আমেরিকার দলটির। এরপর জামিন্টন ক্যাম্পাজের একটি জোরালো শট কোবেল আটকে দেন।
২ দিন আগে