
ক্রীড়া ডেস্ক

কাগজে-কলমে শক্তিশালী দলের নাম বেলজিয়াম। কিন্তু ম্যাচের বড় একটি সময় ধরে প্রভাব বিস্তার করল মিসর। শুরুতে গোলও পেল। সম্ভাবনা জেগেছিল, ৯২ বছরের ইতিহাসে বিশ্বকাপে প্রথম জয়টি তুলেই নেবে আফ্রিকার দল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়ার্ধের আত্মঘাতী গোলে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। বেলজিয়ামের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত ড্র করে বিশ্বকাপ শুরু করেছে মোহাম্মদ সালাহর দল।
স্থানীয় সময় সোমবার (বাংলাদেশ সময় সোমবার দিবাগত রাত ১টা) সিয়াটলে ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বেলজিয়াম-মিসর। গত বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়া মিসর এগিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত বেলজিয়াম হার এড়াতে সক্ষম হয়েছে আক্রমণাত্মক খেলে। ম্যাচ ড্র হয়েছে ১-১ গোলে।
এটি ছিল বিশ্বকাপে মিসরের অষ্টম ম্যাচ। এর মধ্যে পাঁচটি ম্যাচ তারা হেরে গেছে। আজ করেছে তৃতীয় ড্র। এখনো তাদের বিশ্বকাপে প্রথম জয় অধরাই থেকে গেল।
সিয়াটল স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের শুরুর দিকে কোনো দলই পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। এর মধ্যে ২০ মিনিটের মাথায় সুযোগ পেয়ে যায় মিসর। মোহামেদ সালাহর পাস থেকে বেলজিয়ান ডি-বক্সের বাইরে বল পেয়ে যান ইমাম আশুর। বলটি দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে জোরালো শট নেন। থিবো কোর্তোয়া সে বল ঠেকানোর কোনো সুযোগই পায়নি।
বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে আশুর পেয়ে যান জাতীয় দলের জার্সি গায়ে নিজের প্রথম গোল। এ দিন মোহাম্মদ সালাহর ছিল জন্মদিন। গোল না করলেও দলকে ম্যাচে এগিয়ে দেওয়া গোলে অবদানটি রেখেছেন তিনিই।
গোল খেয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বেলজিয়াম। কিন্তু খুব গুছিয়ে আক্রমণ করতে পারছিল না ফুটবলের ‘ভালো ছাত্র’ তকমা পাওয়া দলটি। মিসরও ছেড়ে কথা বলছিল না। ৩৩ মিনিটে মোস্তাফা জিকো কোনাকুনি দারুণ একটি শটও করেছিলেন। কোর্তোয়া সে দফায় বাঁচিয়ে দেন দলকে।
প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে আবার দারুণ এক সুযোগ মিস করেন বেলজিয়ামের জেরেমি ডোকু। দারুণ পাস থেকে ডি-বক্সের মাথায় বল পেয়েও বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারলে সমতায় ফেরার সুযোগ হারায় বেলজিয়াম।
এক মিনিট পর আবার পালটা বিপদে পড়ে বেলজিয়ামই। বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়া ওমার মার্মুশ ওয়ান-টু-ওয়ানে পেয়ে যান কোর্তোয়াকে। তবে অভিজ্ঞ এ গোলরক্ষকের সামনে শট করার খুব বেশি জায়গা পাননি মার্মুশ। তিনি শট নিলেও অভিজ্ঞ কোর্তোয়াকে তা পরাস্ত করতে পারেনি।
ওই আক্রমণ থেকেই কর্নার কিকটিও দারুণ ছিল মিসরের। কোর্তোয়া সেটি ক্লিয়ার করতে পারেননি। কিন্তু মিসরের কোনো খেলোয়াড়ও বলের নাগাল না পেলে বিপদ হয়নি। ১-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় মিসর, যে অভিজ্ঞতা বিশ্বকাপে তাদের জন্য এই প্রথম।
দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটেই ম্যাচে ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল বেলজিয়াম। ডি-বক্সের বাইরে থেকে কেভিন ডি ব্রুইনার ফ্রি-কিক সবাইকেই পরাস্ত করেছিল, কিন্তু পরাস্ত করতে পারেনি গোলবারকে। গোলবঞ্চিত হন তিনি। পরের মিনিটেই সালাহর হেড ফিরিয়ে দেন কোর্তোয়া। আক্রমণ-পালটা আক্রমণে খেলা জমে ওঠে সে সময়। কিন্তু চূড়ান্ত সাফল্য পায়নি কোনো দলই।
দ্বিতীয়ার্ধের ২১ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন রোমেলু লুকাকু। বেলজিয়াম জাতীয় দলের হয়ে ৯০ গোল করা অভিজ্ঞ এ ফরোয়ার্ড দলে অবদান রাখতে বিন্দুমাত্র সময় নেননি। ডান দিক থেকে টমাস মুনিয়েরের পাস ধেয়ে যাচ্ছিল মিসরের ডি-বক্সের দিকে। লুকাকু দ্রুত দৌড়ে যান বলের দিকে। মিসরের দুই ডিফেন্ডার দুই দিক থেকে তাকে রুখতে এগিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত লুকাকুকে আটকাতে স্লাইড করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন মোহাম্মদ হানি। আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে ফেরে বেলজিয়াম।
সমতার পর শেষ দিকে দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ৮২ মিনিটে বেলজিয়ামের ব্র্যান্ডন মেখেলের একটি জোরালো হেডার শূন্যে লাফিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় রক্ষা করেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে ডি-বক্সের ঠিক লাইনে জিজো ফাউলের শিকার হলে মিসর পেনাল্টির আবেদন জানায়। তবে মাঠের রেফারির পাশাপশি ভিএআরের কাছ থেকেও পেনাল্টি মেলেনি।
খেলা ১-১ গোলে ড্র হলেও আক্রমণ-পালটা আক্রমণে ম্যাচ ছিল উপভোগ্য। গত বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে কানাডাকে হারালেও দ্বিতীয় ম্যাচে মরক্কোর কাছে হেরে বসেছিল বেলজিয়াম, তৃতীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে করেছিল ড্র। শেষ ২ ম্যাচে গোলের দেখাও পায়নি তারা। এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেও জয়বঞ্চিত হলো তারা।

কাগজে-কলমে শক্তিশালী দলের নাম বেলজিয়াম। কিন্তু ম্যাচের বড় একটি সময় ধরে প্রভাব বিস্তার করল মিসর। শুরুতে গোলও পেল। সম্ভাবনা জেগেছিল, ৯২ বছরের ইতিহাসে বিশ্বকাপে প্রথম জয়টি তুলেই নেবে আফ্রিকার দল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়ার্ধের আত্মঘাতী গোলে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। বেলজিয়ামের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত ড্র করে বিশ্বকাপ শুরু করেছে মোহাম্মদ সালাহর দল।
স্থানীয় সময় সোমবার (বাংলাদেশ সময় সোমবার দিবাগত রাত ১টা) সিয়াটলে ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বেলজিয়াম-মিসর। গত বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়া মিসর এগিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত বেলজিয়াম হার এড়াতে সক্ষম হয়েছে আক্রমণাত্মক খেলে। ম্যাচ ড্র হয়েছে ১-১ গোলে।
এটি ছিল বিশ্বকাপে মিসরের অষ্টম ম্যাচ। এর মধ্যে পাঁচটি ম্যাচ তারা হেরে গেছে। আজ করেছে তৃতীয় ড্র। এখনো তাদের বিশ্বকাপে প্রথম জয় অধরাই থেকে গেল।
সিয়াটল স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের শুরুর দিকে কোনো দলই পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। এর মধ্যে ২০ মিনিটের মাথায় সুযোগ পেয়ে যায় মিসর। মোহামেদ সালাহর পাস থেকে বেলজিয়ান ডি-বক্সের বাইরে বল পেয়ে যান ইমাম আশুর। বলটি দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে জোরালো শট নেন। থিবো কোর্তোয়া সে বল ঠেকানোর কোনো সুযোগই পায়নি।
বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে আশুর পেয়ে যান জাতীয় দলের জার্সি গায়ে নিজের প্রথম গোল। এ দিন মোহাম্মদ সালাহর ছিল জন্মদিন। গোল না করলেও দলকে ম্যাচে এগিয়ে দেওয়া গোলে অবদানটি রেখেছেন তিনিই।
গোল খেয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বেলজিয়াম। কিন্তু খুব গুছিয়ে আক্রমণ করতে পারছিল না ফুটবলের ‘ভালো ছাত্র’ তকমা পাওয়া দলটি। মিসরও ছেড়ে কথা বলছিল না। ৩৩ মিনিটে মোস্তাফা জিকো কোনাকুনি দারুণ একটি শটও করেছিলেন। কোর্তোয়া সে দফায় বাঁচিয়ে দেন দলকে।
প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে আবার দারুণ এক সুযোগ মিস করেন বেলজিয়ামের জেরেমি ডোকু। দারুণ পাস থেকে ডি-বক্সের মাথায় বল পেয়েও বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারলে সমতায় ফেরার সুযোগ হারায় বেলজিয়াম।
এক মিনিট পর আবার পালটা বিপদে পড়ে বেলজিয়ামই। বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়া ওমার মার্মুশ ওয়ান-টু-ওয়ানে পেয়ে যান কোর্তোয়াকে। তবে অভিজ্ঞ এ গোলরক্ষকের সামনে শট করার খুব বেশি জায়গা পাননি মার্মুশ। তিনি শট নিলেও অভিজ্ঞ কোর্তোয়াকে তা পরাস্ত করতে পারেনি।
ওই আক্রমণ থেকেই কর্নার কিকটিও দারুণ ছিল মিসরের। কোর্তোয়া সেটি ক্লিয়ার করতে পারেননি। কিন্তু মিসরের কোনো খেলোয়াড়ও বলের নাগাল না পেলে বিপদ হয়নি। ১-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় মিসর, যে অভিজ্ঞতা বিশ্বকাপে তাদের জন্য এই প্রথম।
দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটেই ম্যাচে ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল বেলজিয়াম। ডি-বক্সের বাইরে থেকে কেভিন ডি ব্রুইনার ফ্রি-কিক সবাইকেই পরাস্ত করেছিল, কিন্তু পরাস্ত করতে পারেনি গোলবারকে। গোলবঞ্চিত হন তিনি। পরের মিনিটেই সালাহর হেড ফিরিয়ে দেন কোর্তোয়া। আক্রমণ-পালটা আক্রমণে খেলা জমে ওঠে সে সময়। কিন্তু চূড়ান্ত সাফল্য পায়নি কোনো দলই।
দ্বিতীয়ার্ধের ২১ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন রোমেলু লুকাকু। বেলজিয়াম জাতীয় দলের হয়ে ৯০ গোল করা অভিজ্ঞ এ ফরোয়ার্ড দলে অবদান রাখতে বিন্দুমাত্র সময় নেননি। ডান দিক থেকে টমাস মুনিয়েরের পাস ধেয়ে যাচ্ছিল মিসরের ডি-বক্সের দিকে। লুকাকু দ্রুত দৌড়ে যান বলের দিকে। মিসরের দুই ডিফেন্ডার দুই দিক থেকে তাকে রুখতে এগিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত লুকাকুকে আটকাতে স্লাইড করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন মোহাম্মদ হানি। আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে ফেরে বেলজিয়াম।
সমতার পর শেষ দিকে দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ৮২ মিনিটে বেলজিয়ামের ব্র্যান্ডন মেখেলের একটি জোরালো হেডার শূন্যে লাফিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় রক্ষা করেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে ডি-বক্সের ঠিক লাইনে জিজো ফাউলের শিকার হলে মিসর পেনাল্টির আবেদন জানায়। তবে মাঠের রেফারির পাশাপশি ভিএআরের কাছ থেকেও পেনাল্টি মেলেনি।
খেলা ১-১ গোলে ড্র হলেও আক্রমণ-পালটা আক্রমণে ম্যাচ ছিল উপভোগ্য। গত বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে কানাডাকে হারালেও দ্বিতীয় ম্যাচে মরক্কোর কাছে হেরে বসেছিল বেলজিয়াম, তৃতীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে করেছিল ড্র। শেষ ২ ম্যাচে গোলের দেখাও পায়নি তারা। এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেও জয়বঞ্চিত হলো তারা।

বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্রাজিলকে রুখে দিয়ে শুধু মাঠের খেলাতেই নয়, একটি বিরল রেকর্ড গড়েও আলোচনায় এসেছে মরক্কো। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করা ম্যাচে মরক্কোর শুরুর একাদশে থাকা ১১ জন খেলোয়াড়ের কেউই দেশটির মাটিতে জন্মগ্রহণ করেননি।
১৬ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ মঞ্চে উড়ন্ত সূচনা করল সুইডেন। তিউনিসিয়ার রক্ষণভাগকে একতরফা খেলায় বিধ্বস্ত করে ৫–১ গোলের বড় জয় তুলে নিয়েছে ইউরোপীয় দলটি। ম্যাচে জোড়া গোল করেন ইয়াসিন আয়ারি। একটি করে গোল করেন আলেক্সান্দার ইসাক, ভিক্টর গিওকেরেস ও মাতিয়াস সভানবার্গ। তিউনিসিয়ার একমাত্র গোল করেন ওমর রেকিক।
১ দিন আগে
শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উত্তেজনা ধরে রাখা ম্যাচে নাটকীয় জয়ের স্বাদ পেল আইভরি কোস্ট। ইনজুরি টাইমের একেবারে শেষ দিকে আমাদ দিয়ালোর করা একমাত্র গোলে ইকুয়েডরকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে আফ্রিকান জায়ান্টরা।
১ দিন আগে
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের অবস্থানের পার্থক্য বেশ বড়। নেদারল্যান্ডস বিশ্বের পঞ্চম সেরা দল, জাপান ১৮তম। কিন্তু ফুটবল যে শুধু র্যাঙ্কিংয়ের হিসাব মেনে চলে না, সেটিই আবারও প্রমাণ করল এশিয়ার প্রতিনিধিরা। ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে দুবার পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়ে শক্তিশালী নে
১ দিন আগে