
ক্রীড়া প্রতিবেদক

পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অর্ধশত রান তুলে নিয়েছেন মুমিনুল হক, যা টেস্টে তার টানা পাঁচ ইনিংসে ফিফটি। শুধু তাই নয়, অর্ধশত রান পূরণ করার সময়েই দেশের তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি। তার আগে মুশফিকুর রহিম ও তামিম ইকবাল অতিক্রম করেছেন পাঁচ হাজার রানের গণ্ডি।
সোমবার (১১ মে) মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে নোমান আলীর করা ৩৮তম ওভারের শেষ বলটি সুইপ করে স্কয়ার লেগের দিকে ঠেলে দিয়েই সিংগেল তুলে নেন মুমিনুল হক। এর মধ্য দিয়েই পাঁচ হাজারি ক্লাবে প্রবেশ করেন তিনি।
ওই এক সিংগেলেই ইনিংসে অর্ধশত রানও পূরণ করেন মুমিনুল। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৭তম অর্ধশত রানের ইনিংস। এই টেস্টের প্রথম ইনিংসেও অর্ধশত রানের দেখা পেয়েছিলেন, শতক বঞ্চিত হয়েছিলন মাত্র ৯ রানের জন্য।
শুধু তাই নয়, অভিষেকেই ‘টেস্ট স্পেশালিস্ট’ খ্যাতি পাওয়া মুমিনুল এ নিয়ে টেস্টে সবশেষ টানা পাঁচ ইনিংসেই অর্ধশত রানের দেখা পেলেন। গত বছরের নভেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। ওই ইনিংসে মুমিনুল করেছিলেন ৮২ রান।
পরে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে দ্বিতীয় টেস্টের দুই ইনিংসে মুমিনুলের সংগ্রহ ছিল ৬৩ ও ৮৭। এবার পাকিস্তানের বিপক্ষে চলতি টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৯১ করার পর এ ইনিংসে থেমেছেন ৫৬ রানে।
টেস্টে মুমিনুলের অভিষেক ২০১৩ সালের মার্চে, শ্রীলংকার বিপক্ষে গল টেস্টের মধ্য দিয়ে। প্রথম ইনিংসেই করেছিলেন ৫৫ রান। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ধারাবাহিক রান করে গড় নিয়ে গিয়েছিলেন ৬০-এর কাছে। এরপর মাঝে দীর্ঘদিন ধরে রানখরায় ভুগেছেন তিনি। বড় ইনিংস খেলতে পেরেছেন বড় বড় বিরতিতে।
গত বছর থেকে আবার মোটামুটি রানে ফিরেছেন টপ অর্ডারের এই নির্ভরশীল ব্যাটার। এই সময়ের মধ্যে ১২ ইনিংসে তার সংগ্রহ ৫৯১ রান। এর মধ্যে শেষ পাঁচ ইনিংসসহ অর্ধশত রানের ইনিংস খেলেছেন মোট সাতটি, তবে দেখা পাননি শতকের। টেস্টে তার সবশেষ শতক ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে, সেটিও এসেছিল এক বছরের বেশি সময় বিরতির পর।
সব মিলিয়ে চলতি টেস্টসহ ৭৬ টেস্টে মুমিনুলের সংগ্রহ ৫০০৬ রান। ২৭টি অর্ধশত রানের ইনিংসের পাশাপাশি শতক রয়েছে ১৩টি। ৫৪ স্ট্রাইক রেটে টেস্টে মুমিনুলের গড় ৩৮-এর কিছু বেশি। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে করেছিলেন ১৮১ রান, যা এখনো তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।
মুমিনুলের আগে টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে পাঁচ হাজার রান করেছেন মুশফিক ও তামিম। এখনো খেলা চালিয়ে যাওয়া মুশফিকের ১০১ টেস্টে সংগ্রহ প্রায় ৩৯ গড়ে ৬ হাজার ৫৮১ রান। দেশের পক্ষে টেস্টে তিনিই সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তার পরেই রয়েছেন তামিম, অবসর নেওয়ার আগে যিনি ৭০ টেস্টে ৩৮ দশমিক ৮৯ গড়ে সংগ্রহ করেছেন ৫ হাজার ১৩৪ রান।

পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অর্ধশত রান তুলে নিয়েছেন মুমিনুল হক, যা টেস্টে তার টানা পাঁচ ইনিংসে ফিফটি। শুধু তাই নয়, অর্ধশত রান পূরণ করার সময়েই দেশের তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি। তার আগে মুশফিকুর রহিম ও তামিম ইকবাল অতিক্রম করেছেন পাঁচ হাজার রানের গণ্ডি।
সোমবার (১১ মে) মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে নোমান আলীর করা ৩৮তম ওভারের শেষ বলটি সুইপ করে স্কয়ার লেগের দিকে ঠেলে দিয়েই সিংগেল তুলে নেন মুমিনুল হক। এর মধ্য দিয়েই পাঁচ হাজারি ক্লাবে প্রবেশ করেন তিনি।
ওই এক সিংগেলেই ইনিংসে অর্ধশত রানও পূরণ করেন মুমিনুল। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৭তম অর্ধশত রানের ইনিংস। এই টেস্টের প্রথম ইনিংসেও অর্ধশত রানের দেখা পেয়েছিলেন, শতক বঞ্চিত হয়েছিলন মাত্র ৯ রানের জন্য।
শুধু তাই নয়, অভিষেকেই ‘টেস্ট স্পেশালিস্ট’ খ্যাতি পাওয়া মুমিনুল এ নিয়ে টেস্টে সবশেষ টানা পাঁচ ইনিংসেই অর্ধশত রানের দেখা পেলেন। গত বছরের নভেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। ওই ইনিংসে মুমিনুল করেছিলেন ৮২ রান।
পরে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে দ্বিতীয় টেস্টের দুই ইনিংসে মুমিনুলের সংগ্রহ ছিল ৬৩ ও ৮৭। এবার পাকিস্তানের বিপক্ষে চলতি টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৯১ করার পর এ ইনিংসে থেমেছেন ৫৬ রানে।
টেস্টে মুমিনুলের অভিষেক ২০১৩ সালের মার্চে, শ্রীলংকার বিপক্ষে গল টেস্টের মধ্য দিয়ে। প্রথম ইনিংসেই করেছিলেন ৫৫ রান। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ধারাবাহিক রান করে গড় নিয়ে গিয়েছিলেন ৬০-এর কাছে। এরপর মাঝে দীর্ঘদিন ধরে রানখরায় ভুগেছেন তিনি। বড় ইনিংস খেলতে পেরেছেন বড় বড় বিরতিতে।
গত বছর থেকে আবার মোটামুটি রানে ফিরেছেন টপ অর্ডারের এই নির্ভরশীল ব্যাটার। এই সময়ের মধ্যে ১২ ইনিংসে তার সংগ্রহ ৫৯১ রান। এর মধ্যে শেষ পাঁচ ইনিংসসহ অর্ধশত রানের ইনিংস খেলেছেন মোট সাতটি, তবে দেখা পাননি শতকের। টেস্টে তার সবশেষ শতক ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে, সেটিও এসেছিল এক বছরের বেশি সময় বিরতির পর।
সব মিলিয়ে চলতি টেস্টসহ ৭৬ টেস্টে মুমিনুলের সংগ্রহ ৫০০৬ রান। ২৭টি অর্ধশত রানের ইনিংসের পাশাপাশি শতক রয়েছে ১৩টি। ৫৪ স্ট্রাইক রেটে টেস্টে মুমিনুলের গড় ৩৮-এর কিছু বেশি। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে করেছিলেন ১৮১ রান, যা এখনো তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।
মুমিনুলের আগে টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে পাঁচ হাজার রান করেছেন মুশফিক ও তামিম। এখনো খেলা চালিয়ে যাওয়া মুশফিকের ১০১ টেস্টে সংগ্রহ প্রায় ৩৯ গড়ে ৬ হাজার ৫৮১ রান। দেশের পক্ষে টেস্টে তিনিই সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তার পরেই রয়েছেন তামিম, অবসর নেওয়ার আগে যিনি ৭০ টেস্টে ৩৮ দশমিক ৮৯ গড়ে সংগ্রহ করেছেন ৫ হাজার ১৩৪ রান।

দুশ্চিন্তাটুকু খাতা-কলমেই থেকে গেল। রোববার (১০ মে) রাতে মাঠে নামতে না নামতেই সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল মাত্র ১৮ মিনিটের মধ্যেই। অষ্টম মিনিটেই দুর্দান্ত এক ফ্রি কিক থেকে থিবো কোর্তোয়াকে পরাভূত করলেন রাশফোর্ড। ১০ মিনিট পরেই বার্সেলোনার ট্রেডমার্ক ফিল্ড প্লে থেকে ডি-বক্সের মাথায় দাঁড়িয়ে জাল খুঁজে
১২ ঘণ্টা আগে
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ৪১৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করেছিল পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। তবে মাঝপথে ছন্দ হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ৩৮৬ রানে অলআউট হয়েছে সফরকারীরা। ফলে ২৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড নিয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। মেহেদী হাসান মিরাজ তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের আরে
১ দিন আগে
আসন্ন নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগামী ১২ জুন থেকে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে শুরু হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দেবেন অভিজ্ঞ উইকেটকিপার-ব্যাটার নিগার সুলতানা জ্যোতি। সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন স্পিনার নাহিদা আক্তার।
১ দিন আগে
তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের তোপে পাকিস্তানের থিতু হওয়া দুই ব্যাটার আজান ওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজল দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। যদিও নো বলের কল্যাণে সালমান আলী আগা একবার জীবন ফিরে পেয়েছেন, তবে দিনের শুরুতেই প্রতিপক্ষের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে টাইগাররা।
১ দিন আগে