
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ ওডিআই সিরিজের শেষ ম্যাচে আগে ব্যাট করে সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকারের দারুণ জুটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৯৭ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় খেলাটি শুরু হয় দুপুর ১:৩০ মিনিটে। এদিন টস জিতে শুরুতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
বাংলাদেশের হয়ে এদিন ব্যাট হাতে ইনিংস শুরু করেন সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকার। দুই ওপেনারের ব্যাটে ভালো শুরু পেয়ে যায় টাইগাররা। তাদের দারুণ ব্যাটিংয়ে বড় রানের পথেই ছিল বাংলাদেশ।
মিরপুরের মাঠে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে যেখানে রান পাওয়া ছিল কষ্টকর, সেখানে আজকের ম্যাচে ইনিংসের প্রথম ১০ ওভারেই চলে আসে ৭৪ রান। পাওয়ার প্লে শেষ হলেও আরও মারকুটে স্বভাবে ব্যাট চালাতে থাকে দুই টাইগার ওপেনার।
তাদের মারকুটে ব্যাটিংয়ের সুবাধে দুজনেই পেয়ে যায় ফিফটির দেখা, ফিফটি পাওয়ার পর সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন দুই ব্যাটার। দলীয় ১৭৬ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ৮০ রানে ক্যাচ আউট হয়ে সাজঘরে ফেরে সাইফ হাসান।
সাইফ ফেরার কিছুক্ষণ পর দলীয় ১৮১ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ৯১ রানের মাথায় বড় শট খেলতে গিয়ে সীমানায় ধরা পড়েন আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার।
একটা সময় ইনিংসের ২২ ওভারে বাংলাদেশের রান ছিল কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৬০ রান, তখন মনে হয়েছিল বাংলাদেশর রান সহজেই পেড়িয়ে যাবে ৩৫০ এর উপরে। কিন্তু না, তা হলো না।
দুই ওপেনারের বিদায়ে নিজেদের পুরোনো স্বভাবে ফিরে আসে বাংলাদেশ। স্কোরবোর্ডে বাংলাদেশের রান যখন ২৬১, তখন সাজঘরে চলে গেছে ৭ ব্যাটার এবং ওভার সংখ্যা ৪৬।
শেষদিকে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ ও নুরুল হাসান সোহানের ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৯৬ রান করে টাইগাররা।
ব্যাট হাতে বাংলাদেশের হয়ে ৭২ বলে ৮০ রান করেন সাইফ হাসান, ৮৬ বলে ৯১ রান করেন সৌম্য সরকার, ৫৫ বলে ৪৪ রান করেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ ওডিআই সিরিজের শেষ ম্যাচে আগে ব্যাট করে সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকারের দারুণ জুটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৯৭ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় খেলাটি শুরু হয় দুপুর ১:৩০ মিনিটে। এদিন টস জিতে শুরুতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
বাংলাদেশের হয়ে এদিন ব্যাট হাতে ইনিংস শুরু করেন সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকার। দুই ওপেনারের ব্যাটে ভালো শুরু পেয়ে যায় টাইগাররা। তাদের দারুণ ব্যাটিংয়ে বড় রানের পথেই ছিল বাংলাদেশ।
মিরপুরের মাঠে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে যেখানে রান পাওয়া ছিল কষ্টকর, সেখানে আজকের ম্যাচে ইনিংসের প্রথম ১০ ওভারেই চলে আসে ৭৪ রান। পাওয়ার প্লে শেষ হলেও আরও মারকুটে স্বভাবে ব্যাট চালাতে থাকে দুই টাইগার ওপেনার।
তাদের মারকুটে ব্যাটিংয়ের সুবাধে দুজনেই পেয়ে যায় ফিফটির দেখা, ফিফটি পাওয়ার পর সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন দুই ব্যাটার। দলীয় ১৭৬ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ৮০ রানে ক্যাচ আউট হয়ে সাজঘরে ফেরে সাইফ হাসান।
সাইফ ফেরার কিছুক্ষণ পর দলীয় ১৮১ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ৯১ রানের মাথায় বড় শট খেলতে গিয়ে সীমানায় ধরা পড়েন আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার।
একটা সময় ইনিংসের ২২ ওভারে বাংলাদেশের রান ছিল কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৬০ রান, তখন মনে হয়েছিল বাংলাদেশর রান সহজেই পেড়িয়ে যাবে ৩৫০ এর উপরে। কিন্তু না, তা হলো না।
দুই ওপেনারের বিদায়ে নিজেদের পুরোনো স্বভাবে ফিরে আসে বাংলাদেশ। স্কোরবোর্ডে বাংলাদেশের রান যখন ২৬১, তখন সাজঘরে চলে গেছে ৭ ব্যাটার এবং ওভার সংখ্যা ৪৬।
শেষদিকে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ ও নুরুল হাসান সোহানের ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৯৬ রান করে টাইগাররা।
ব্যাট হাতে বাংলাদেশের হয়ে ৭২ বলে ৮০ রান করেন সাইফ হাসান, ৮৬ বলে ৯১ রান করেন সৌম্য সরকার, ৫৫ বলে ৪৪ রান করেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টের জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে ওই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
৫ দিন আগে
আজ রোববার ভুটানের থিম্পুতে আয়োজিত সাফ কংগ্রেসে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি জয়ী হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে ২০০৯ সাল থেকে টানা ১৭ বছর সংস্থাটির শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখলেন তিনি।
৭ দিন আগে
প্রথম দিকে ফিফা দাবি করেছিল, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলে আরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে। তবে সমালোচকদের আশঙ্কা ছিল, এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের মতো সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবল সম্পদের ওপর বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তৈরি হবে। সেই বিতর্কই শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনাটি ভেস্তে দেয়।
৭ দিন আগে
প্রথম ফ্লাইটে ১০ জন কোচিং স্টাফদের সঙ্গে উড়াল দিয়েছেন কয়েকজন ক্রিকেটারও। তানজিদ তামিম ও অমিত হাসান একসঙ্গে এলেও আলাদাভাবে বিমানবন্দরে পৌঁছান তাইজুল ইসলাম, মুশফিকুর রহিম, খালেদ আহমেদ ও সাদমান ইসলাম। প্রিয় তারকাদের কাছ থেকে দেখতে ভিড় করেন অনেক সমর্থক। তবে এদিন ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি কেউই।
৭ দিন আগে