
ক্রীড়া ডেস্ক

চার দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটাল মেক্সিকো। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা ৪০ বছর জয়ের দেখা না পাওয়া স্বাগতিকরা শেষ ৩২ দলের ম্যাচে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে জায়গা করে নিয়েছে শেষ ষোলোয়। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে বুলগেরিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর এবারই প্রথম নকআউট পর্বে জয়ের স্বাদ পেল মেক্সিকানরা।
কাকতালীয়ভাবে ১৯৮৬ সালের সেই স্মরণীয় জয়ও এসেছিল আজতেকা স্টেডিয়ামেই, বুলগেরিয়ার বিপক্ষে একই ২-০ ব্যবধানে। এরপর চার দশক ধরে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি মেক্সিকো। অবশেষে নিজেদের ঘরের মাঠেই সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটাল রাউল হিমিনেজ ও হুলিয়ান কিনিয়োনেসের দল।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিজেদের প্রথম জয়ের লক্ষ্য ছিল ইকুয়েডরেরও। তবে ম্যাচের প্রথমার্ধেই দুই গোল করে দক্ষিণ আমেরিকার দলটির আশা কার্যত শেষ করে দেয় মেক্সিকো। দ্বিতীয়ার্ধে ইকুয়েডর বলের দখল বেশি রাখলেও ম্যাচে ফেরার মতো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
পরিসংখ্যানেও ফুটে উঠেছে দুই দলের পার্থক্য। ম্যাচে ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ সময় বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল ইকুয়েডরের দখলে। কিন্তু তারা মাত্র পাঁচটি শট নিতে পারে, যার মধ্যে লক্ষ্যভেদ করে মাত্র একটি। অন্যদিকে মেক্সিকো ১৪টি শটের তিনটি লক্ষ্যে রাখে এবং সেখান থেকেই দুটি গোল আদায় করে নেয়।
২২ মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে ডান পায়ের জোরালো শটে মেক্সিকোকে এগিয়ে দেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। আর ৩১ মিনিটে সেই কিনিয়োনেসের ফিরতি পাস থেকে বক্সের ভেতর দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার রাউল হিমিনেজ।
ইকুয়েডরের হতাশা আরও বাড়ে যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে। মেক্সিকোর এক খেলোয়াড়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের সময় মুখ ঢেকে কথা বলার ঘটনায় ভিএআরের হস্তক্ষেপে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ইকুয়েডরের সেন্টারব্যাক পিয়েরো হেনকাপিয়ে। শেষ বাঁশি বাজার আগেই ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইকুয়েডর।
বজ্রঝড়ের কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা পর শুরু হয় ম্যাচটি। তবে অপেক্ষা মেক্সিকোর জয়ের আনন্দে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। এই জয় নিয়ে শেষ ষোলোয় উঠে এখন ইংল্যান্ড অথবা ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে লড়াইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে স্বাগতিকরা।
এই জয়ের মাধ্যমে আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপে টানা ১০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডও ধরে রাখল মেক্সিকো। এবারের আসরে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার পাশাপাশি গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই জয় পাওয়া তিন দলের একটি ছিল তারা। শুধু তাই নয়, গ্রুপ পর্বে একটি গোলও হজম করেনি মেক্সিকো। সেই দুর্দান্ত ধারাই ধরে রেখে নকআউটের প্রথম বাধাও সফলভাবে পেরিয়ে গেল স্বাগতিকরা।
ম্যাচটি মেক্সিকোর জন্য আরেকটি ঐতিহাসিক মুহূর্তও এনে দিয়েছে। শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়ে ১৭ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা নতুন কীর্তি গড়েছেন। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলের পর দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে শুরুর একাদশে মাঠে নামার ইতিহাস গড়েছেন এই তরুণ মিডফিল্ডার।

চার দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটাল মেক্সিকো। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা ৪০ বছর জয়ের দেখা না পাওয়া স্বাগতিকরা শেষ ৩২ দলের ম্যাচে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে জায়গা করে নিয়েছে শেষ ষোলোয়। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে বুলগেরিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর এবারই প্রথম নকআউট পর্বে জয়ের স্বাদ পেল মেক্সিকানরা।
কাকতালীয়ভাবে ১৯৮৬ সালের সেই স্মরণীয় জয়ও এসেছিল আজতেকা স্টেডিয়ামেই, বুলগেরিয়ার বিপক্ষে একই ২-০ ব্যবধানে। এরপর চার দশক ধরে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি মেক্সিকো। অবশেষে নিজেদের ঘরের মাঠেই সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটাল রাউল হিমিনেজ ও হুলিয়ান কিনিয়োনেসের দল।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিজেদের প্রথম জয়ের লক্ষ্য ছিল ইকুয়েডরেরও। তবে ম্যাচের প্রথমার্ধেই দুই গোল করে দক্ষিণ আমেরিকার দলটির আশা কার্যত শেষ করে দেয় মেক্সিকো। দ্বিতীয়ার্ধে ইকুয়েডর বলের দখল বেশি রাখলেও ম্যাচে ফেরার মতো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
পরিসংখ্যানেও ফুটে উঠেছে দুই দলের পার্থক্য। ম্যাচে ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ সময় বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল ইকুয়েডরের দখলে। কিন্তু তারা মাত্র পাঁচটি শট নিতে পারে, যার মধ্যে লক্ষ্যভেদ করে মাত্র একটি। অন্যদিকে মেক্সিকো ১৪টি শটের তিনটি লক্ষ্যে রাখে এবং সেখান থেকেই দুটি গোল আদায় করে নেয়।
২২ মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে ডান পায়ের জোরালো শটে মেক্সিকোকে এগিয়ে দেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। আর ৩১ মিনিটে সেই কিনিয়োনেসের ফিরতি পাস থেকে বক্সের ভেতর দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার রাউল হিমিনেজ।
ইকুয়েডরের হতাশা আরও বাড়ে যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে। মেক্সিকোর এক খেলোয়াড়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের সময় মুখ ঢেকে কথা বলার ঘটনায় ভিএআরের হস্তক্ষেপে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ইকুয়েডরের সেন্টারব্যাক পিয়েরো হেনকাপিয়ে। শেষ বাঁশি বাজার আগেই ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইকুয়েডর।
বজ্রঝড়ের কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা পর শুরু হয় ম্যাচটি। তবে অপেক্ষা মেক্সিকোর জয়ের আনন্দে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। এই জয় নিয়ে শেষ ষোলোয় উঠে এখন ইংল্যান্ড অথবা ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে লড়াইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে স্বাগতিকরা।
এই জয়ের মাধ্যমে আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপে টানা ১০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডও ধরে রাখল মেক্সিকো। এবারের আসরে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার পাশাপাশি গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই জয় পাওয়া তিন দলের একটি ছিল তারা। শুধু তাই নয়, গ্রুপ পর্বে একটি গোলও হজম করেনি মেক্সিকো। সেই দুর্দান্ত ধারাই ধরে রেখে নকআউটের প্রথম বাধাও সফলভাবে পেরিয়ে গেল স্বাগতিকরা।
ম্যাচটি মেক্সিকোর জন্য আরেকটি ঐতিহাসিক মুহূর্তও এনে দিয়েছে। শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়ে ১৭ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা নতুন কীর্তি গড়েছেন। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলের পর দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে শুরুর একাদশে মাঠে নামার ইতিহাস গড়েছেন এই তরুণ মিডফিল্ডার।

বিশ্বকাপে এর আগে কখনো নকআউট পর্বে জয়ের স্বাদ পায়নি নরওয়ে। ১৯৩৮ ও ১৯৯৮— দুবারই বিদায় নিতে হয়েছিল ইতালির কাছে। এবার ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেই সে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছে ইউরোপের দলটি। অন্যদিকে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আইভরি কোস্ট আরেকটি সাহসী লড়াই উপহার দিলেও বিদা
১৩ ঘণ্টা আগে
হারারের টেস্ট হয়ে থাকল জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট ইতিহাসের এক স্মরণীয় অধ্যায়। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা, আর সেই রেকর্ড গড়ার দিনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে বাংলাদেশ।
১ দিন আগে
মন্টেরি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরুতে কোডি গাকপোর গোলে লিড নেয় নেদারল্যান্ডস। তবে নির্ধারিত সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে (৯০ মিনিটে) ইসা দিওপের দুর্দান্ত গোলে সমতায় ফেরে মরক্কো। অতিরিক্ত সময়েও আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর টিকিটের এই লড়াইয়ে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতায় থাকার পর টাইব্রেকারে জিতে বিশ্বকাপের শেষ ১৬ নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টাইব্রেকারে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেল জার্মানি।
২ দিন আগে