
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড গড়া মহাকাব্যিক সেঞ্চুরি এবং প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাসের আরও একটি দারুণ ফিফটিতে সিলেট টেস্টে চালকের আসনে বসেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রানে অলআউট হলেও, প্রথম ইনিংসের ৪৬ রানের লিডসহ পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ৪৩৭ রানের পাহাড়সম পর্বত।
টেস্ট ক্রিকেটের দেড় শ বছরের ইতিহাসে এত রান তাড়া করে জেতার কোনো রেকর্ড নেই। ফলে ঐতিহাসিক এক জয়ের হাতছানি নিয়ে আগামীকাল ম্যাচের চতুর্থ দিনে মাঠে নামবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আজ তৃতীয় দিনের শেষ বেলায় পাকিস্তান কেবল ২ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পায়।
এরপরই সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আলোকস্বল্পতা দেখা দিলে নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগেই দিনের খেলার সমাপ্তি ঘোষণা করেন আম্পায়াররা। যে ২ ওভার খেলা হয়েছে, তাতে কোনো রান তুলতে পারেনি পাকিস্তান। পেসার তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলামের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দুই পাকিস্তানি ওপেনার আজান আওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজল কোনো রান না করেই (০/০) মাঠ ছাড়েন।

৩ উইকেটে ১১০ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। সকালের সেশনেই খুররম শেহজাদের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত (১৫) বিদায় নিলে কিছুটা চাপে পড়ে টাইগাররা। তবে সেই চাপকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম।
পঞ্চম উইকেটে এই দুজনে যোগ করেন মূল্যবান ১২৩ রান। ওয়ানডের মেজাজে খেলা লিটন ৯২ বলে ৬৯ রান করে বিদায় নিলেও মুশফিক ছিলেন অবিচল। চা বিরতির ঠিক পরপরই ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট শতক পূর্ণ করেন মুশফিক। এই সেঞ্চুরির পথেই তিনি গড়েন জোড়া ইতিহাস।
প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন সংস্করণ টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ১৬ হাজার রানের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’। পাশাপাশি মুমিনুল হককে (১৩টি সেঞ্চুরি) টপকে বাংলাদেশের পক্ষে টেস্টে এককভাবে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক এখন শুধুই মুশফিক। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ২৩৩ বলে ১২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৩৭ রানের এক রাজকীয় ইনিংস খেলেন তিনি।
লিটন ও মেহেদী হাসান মিরাজের (১৯) বিদায়ের পর লোয়ার অর্ডারে স্পিনার তাইজুল ইসলামকে নিয়ে আরও একটি চমৎকার জুটি গড়েন মুশফিক। সপ্তম উইকেটে এই দুজন স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ৭৭ রান। ৫১ বলে ২২ রান করে তাইজুল বিদায় নেওয়ার পর দ্রুত রান তুলতে গিয়ে তাসকিন আহমেদ (৬) ও শরীফুল ইসলাম দ্রুত সাজঘরে ফিরলে ৩৯০ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস। পাকিস্তানের পক্ষে বল হাতে খুররম শেহজাদ ৪টি ও অফস্পিনার সাজিদ খান ৩টি উইকেট নেন।
জিততে হলে ভাঙতে হবে বিশ্বরেকর্ড
সিলেট টেস্ট জিততে হলে চতুর্থ ইনিংসে পাকিস্তানকে করতে হবে ৪৩৭ রান। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে জেতার বিশ্বরেকর্ড রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
অন্যদিকে পাকিস্তানের নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩৭৭ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড রয়েছে, যা তারা করেছিল ২০১৫ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। আর বাংলাদেশের মাটিতে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডটি ৩৯৫ রানের, যা ২০২১ সালে চট্টগ্রামে গড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
পাকিস্তানের হাতে রয়েছে গোটা দুই দিন। তবে পরিসংখ্যান ও সিলেটের পিচের চরিত্র বলছে, চতুর্থ ইনিংসে ৪৩৭ রান তাড়া করা যেকোনো দলের জন্যই প্রায় অসম্ভব এক চ্যালেঞ্জ। চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের স্পিনাররা চেনা ছন্দ দেখাতে পারলে পাকিস্তানের ১০ উইকেট তুলে নিয়ে ঐতিহাসিক জয়ের উল্লাসে মাতবে টাইগাররা, আর বাংলাদেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ হারের লজ্জা পাবে পাকিস্তান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ২৭৮ ও ৩৯০ (মুশফিক ১৩৭, লিটন ৬৯, মাহমুদুল ৫২; খুররম ৪/৮৬, সাজিদ ৩/১২৬)।
পাকিস্তান: ২৩২ ও ০/০।
রাজনীতি/একে

মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড গড়া মহাকাব্যিক সেঞ্চুরি এবং প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাসের আরও একটি দারুণ ফিফটিতে সিলেট টেস্টে চালকের আসনে বসেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রানে অলআউট হলেও, প্রথম ইনিংসের ৪৬ রানের লিডসহ পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ৪৩৭ রানের পাহাড়সম পর্বত।
টেস্ট ক্রিকেটের দেড় শ বছরের ইতিহাসে এত রান তাড়া করে জেতার কোনো রেকর্ড নেই। ফলে ঐতিহাসিক এক জয়ের হাতছানি নিয়ে আগামীকাল ম্যাচের চতুর্থ দিনে মাঠে নামবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আজ তৃতীয় দিনের শেষ বেলায় পাকিস্তান কেবল ২ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পায়।
এরপরই সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আলোকস্বল্পতা দেখা দিলে নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগেই দিনের খেলার সমাপ্তি ঘোষণা করেন আম্পায়াররা। যে ২ ওভার খেলা হয়েছে, তাতে কোনো রান তুলতে পারেনি পাকিস্তান। পেসার তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলামের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দুই পাকিস্তানি ওপেনার আজান আওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজল কোনো রান না করেই (০/০) মাঠ ছাড়েন।

৩ উইকেটে ১১০ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। সকালের সেশনেই খুররম শেহজাদের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত (১৫) বিদায় নিলে কিছুটা চাপে পড়ে টাইগাররা। তবে সেই চাপকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম।
পঞ্চম উইকেটে এই দুজনে যোগ করেন মূল্যবান ১২৩ রান। ওয়ানডের মেজাজে খেলা লিটন ৯২ বলে ৬৯ রান করে বিদায় নিলেও মুশফিক ছিলেন অবিচল। চা বিরতির ঠিক পরপরই ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট শতক পূর্ণ করেন মুশফিক। এই সেঞ্চুরির পথেই তিনি গড়েন জোড়া ইতিহাস।
প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন সংস্করণ টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ১৬ হাজার রানের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’। পাশাপাশি মুমিনুল হককে (১৩টি সেঞ্চুরি) টপকে বাংলাদেশের পক্ষে টেস্টে এককভাবে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক এখন শুধুই মুশফিক। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ২৩৩ বলে ১২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৩৭ রানের এক রাজকীয় ইনিংস খেলেন তিনি।
লিটন ও মেহেদী হাসান মিরাজের (১৯) বিদায়ের পর লোয়ার অর্ডারে স্পিনার তাইজুল ইসলামকে নিয়ে আরও একটি চমৎকার জুটি গড়েন মুশফিক। সপ্তম উইকেটে এই দুজন স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ৭৭ রান। ৫১ বলে ২২ রান করে তাইজুল বিদায় নেওয়ার পর দ্রুত রান তুলতে গিয়ে তাসকিন আহমেদ (৬) ও শরীফুল ইসলাম দ্রুত সাজঘরে ফিরলে ৩৯০ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস। পাকিস্তানের পক্ষে বল হাতে খুররম শেহজাদ ৪টি ও অফস্পিনার সাজিদ খান ৩টি উইকেট নেন।
জিততে হলে ভাঙতে হবে বিশ্বরেকর্ড
সিলেট টেস্ট জিততে হলে চতুর্থ ইনিংসে পাকিস্তানকে করতে হবে ৪৩৭ রান। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে জেতার বিশ্বরেকর্ড রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
অন্যদিকে পাকিস্তানের নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩৭৭ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড রয়েছে, যা তারা করেছিল ২০১৫ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। আর বাংলাদেশের মাটিতে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডটি ৩৯৫ রানের, যা ২০২১ সালে চট্টগ্রামে গড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
পাকিস্তানের হাতে রয়েছে গোটা দুই দিন। তবে পরিসংখ্যান ও সিলেটের পিচের চরিত্র বলছে, চতুর্থ ইনিংসে ৪৩৭ রান তাড়া করা যেকোনো দলের জন্যই প্রায় অসম্ভব এক চ্যালেঞ্জ। চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের স্পিনাররা চেনা ছন্দ দেখাতে পারলে পাকিস্তানের ১০ উইকেট তুলে নিয়ে ঐতিহাসিক জয়ের উল্লাসে মাতবে টাইগাররা, আর বাংলাদেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ হারের লজ্জা পাবে পাকিস্তান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ২৭৮ ও ৩৯০ (মুশফিক ১৩৭, লিটন ৬৯, মাহমুদুল ৫২; খুররম ৪/৮৬, সাজিদ ৩/১২৬)।
পাকিস্তান: ২৩২ ও ০/০।
রাজনীতি/একে

এর আগে মার্কিন কর্মকর্তারা শুক্রবার জানান, ইরানের সব খেলোয়াড় এবং ‘প্রয়োজনীয় সহায়ক কর্মীদের’ ভিসা দেওয়া হয়েছে। ইরানকে ‘মিথ্যা অজুহাতে সন্ত্রাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকিয়ে দেওয়ার জন্য এই ব্যবস্থার অপব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।’
২ দিন আগে
জয়ে প্রস্তুতি সারলেও ম্যাচের মাত্র ১৫ মিনিটের মাথায় বাঁ কুঁচকির ব্যথায় মাঠ ছাড়তে হয়েছে ব্রাজিলিয়ান রাইটব্যাক ওয়েসলিকে। তাকে নিয়ে বিশ্বকাপে অনিশ্চয়তাও তৈরি হয়েছে। কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ খেলতে না পারলে তার বিকল্প
২ দিন আগে
স্কালোনি বলেন, ‘লিও ভালো আছে। শুক্রবার সে দলের সঙ্গে অনুশীলনের একটি অংশে অংশ নিয়েছে, যা ইতিবাচক। সে পুরোপুরি আলাদা নয়, ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। এই দুই প্রীতি ম্যাচের যেকোনো একটিতে কিছু সময়ের জন্য তাকে মাঠে দেখা যেতে পারে। সেটা আগামী ম্যাচে হবে নাকি তার পরেরটিতে, সেটি আমরা দেখব।’
২ দিন আগে
টানা তৃতীয়বার সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। তবে ফাইনালে স্বাগতিক ভারতের কাছে ৩-১ গোলে হেরে সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল। এই জয়ে ষষ্ঠবারের মতো সাফের শিরোপা ঘরে তুলেছে ভারত।
৩ দিন আগে