
ক্রীড়া ডেস্ক

শুরু থেকে এলোমেলো ব্যাটিংয়ে যখন দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় বাংলাদেশ, তখন শেষ ভরসা হয়ে দাঁড়ান শেখ মেহেদী হাসান। তার ২২ বলে অপরাজিত ২৯ রানের ইনিংস এবং মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে শেষ জুটির অবদানে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি–টোয়েন্টিতে ১৩১ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা।
বুধবার (১৭ জুন) তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। তবে শুরুটা ভালো হলেও ইনিংসের মাঝপথে ব্যাটিং ধস নামে বাংলাদেশের।
প্রথম ওভারে সাইফ হাসানের বাউন্ডারিতে আসে ৬ রান। এরপর তানজিদ হাসান ও সাইফ দুজনই দ্রুত বিদায় নিলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তানজিদ ৯ বলে ১০ এবং সাইফ ১৪ বলে ২০ রান করে আউট হন।
এরপর ক্রিজে এসে প্রথম বলেই ছক্কায় উড়িয়ে ইতিবাচক বার্তা দেন অধিনায়ক হৃদয়। কিন্তু সেই আশা বেশিক্ষণ টেকেনি। অ্যাডাম জাম্পার বলে বোল্ড হন হৃদয়, আর সৌম্য সরকারও ফিরে যান দ্রুত। ৮.২ ওভারে ৬৪ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এরপর পারভেজ হোসেন, শামীম হোসেন ও অভিষিক্ত আব্দুল গাফফার সাকলায়েনও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। একের পর এক উইকেট হারিয়ে ১৩ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৮৬ রানে ৭ উইকেট।
রিশাদ হোসেনও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। একশ রানের আগেই অষ্টম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। পরে শরিফুল ইসলাম উইকেটে এসে দ্বিতীয় বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে একশ রানের গণ্ডি পার করান। তবে ৭ বলে ৭ রান করে তিনিও বিদায় নেন।
১৭ ওভারে ৯ উইকেটে ১০৮ রান নিয়ে বড় বিপদের মুখে পড়া বাংলাদেশকে টেনে তোলেন শেখ মেহেদী হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। শেষ জুটিতে দুজন দ্রুত রান তুলে স্কোরকে ১৩০-এর ওপরে নিয়ে যান। মেহেদী শেষ পর্যন্ত ২২ বলে ৪ চারসহ ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন।
তবে ইনিংসের শেষ দিকে জোয়েল ডেভিসের বলে এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্তে আউট হন মোস্তাফিজুর রহমান। অস্ট্রেলিয়ার রিভিউয়ের পর আম্পায়ার সিদ্ধান্ত বদলালে ১৯ ওভারে ১৩১ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
এই ম্যাচ দিয়েই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয়েছে বাংলাদেশি পেস বোলিং অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফারের। নিউজিল্যান্ড সিরিজে দলে থাকলেও একাদশে সুযোগ পাননি তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে ব্যাট হাতে ১০ রান করেছেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বল হাতে সবচেয়ে বেশি চাপ তৈরি করেন অ্যাডাম জাম্পা, জোয়েল ডেভিস ও জেভিয়ার বার্টলেট। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে তারা বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে বড় সংগ্রহ গড়তে দেননি।

শুরু থেকে এলোমেলো ব্যাটিংয়ে যখন দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় বাংলাদেশ, তখন শেষ ভরসা হয়ে দাঁড়ান শেখ মেহেদী হাসান। তার ২২ বলে অপরাজিত ২৯ রানের ইনিংস এবং মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে শেষ জুটির অবদানে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি–টোয়েন্টিতে ১৩১ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা।
বুধবার (১৭ জুন) তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। তবে শুরুটা ভালো হলেও ইনিংসের মাঝপথে ব্যাটিং ধস নামে বাংলাদেশের।
প্রথম ওভারে সাইফ হাসানের বাউন্ডারিতে আসে ৬ রান। এরপর তানজিদ হাসান ও সাইফ দুজনই দ্রুত বিদায় নিলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তানজিদ ৯ বলে ১০ এবং সাইফ ১৪ বলে ২০ রান করে আউট হন।
এরপর ক্রিজে এসে প্রথম বলেই ছক্কায় উড়িয়ে ইতিবাচক বার্তা দেন অধিনায়ক হৃদয়। কিন্তু সেই আশা বেশিক্ষণ টেকেনি। অ্যাডাম জাম্পার বলে বোল্ড হন হৃদয়, আর সৌম্য সরকারও ফিরে যান দ্রুত। ৮.২ ওভারে ৬৪ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এরপর পারভেজ হোসেন, শামীম হোসেন ও অভিষিক্ত আব্দুল গাফফার সাকলায়েনও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। একের পর এক উইকেট হারিয়ে ১৩ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৮৬ রানে ৭ উইকেট।
রিশাদ হোসেনও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। একশ রানের আগেই অষ্টম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। পরে শরিফুল ইসলাম উইকেটে এসে দ্বিতীয় বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে একশ রানের গণ্ডি পার করান। তবে ৭ বলে ৭ রান করে তিনিও বিদায় নেন।
১৭ ওভারে ৯ উইকেটে ১০৮ রান নিয়ে বড় বিপদের মুখে পড়া বাংলাদেশকে টেনে তোলেন শেখ মেহেদী হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। শেষ জুটিতে দুজন দ্রুত রান তুলে স্কোরকে ১৩০-এর ওপরে নিয়ে যান। মেহেদী শেষ পর্যন্ত ২২ বলে ৪ চারসহ ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন।
তবে ইনিংসের শেষ দিকে জোয়েল ডেভিসের বলে এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্তে আউট হন মোস্তাফিজুর রহমান। অস্ট্রেলিয়ার রিভিউয়ের পর আম্পায়ার সিদ্ধান্ত বদলালে ১৯ ওভারে ১৩১ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
এই ম্যাচ দিয়েই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয়েছে বাংলাদেশি পেস বোলিং অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফারের। নিউজিল্যান্ড সিরিজে দলে থাকলেও একাদশে সুযোগ পাননি তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে ব্যাট হাতে ১০ রান করেছেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বল হাতে সবচেয়ে বেশি চাপ তৈরি করেন অ্যাডাম জাম্পা, জোয়েল ডেভিস ও জেভিয়ার বার্টলেট। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে তারা বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে বড় সংগ্রহ গড়তে দেননি।

এই জয়কে আরও স্মরণীয় করে তুলেছেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। জোড়া গোল করে তিনি একদিকে যেমন ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন, তেমনি বিশ্বকাপেও উঠে এসেছেন সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে।
১১ ঘণ্টা আগে
শুরুটা শঙ্কায়। শেষটা স্বস্তিতে। মাঝের সময়টা আর্জেন্টিনা পার করেছে লিওনেল মেসিতে ভর করে। একাধিক রেকর্ড গড়েছেন। পেয়েছেন নিজের প্রথম বিশ্বকাপ হ্যাটট্রিক। সেইসঙ্গে ১৬ গোল করে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিকও এখন তিনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
এক ম্যাচেই যেন সময়কে আবারও হারিয়ে দিলেন মেসি। এর বাইরেও আরও এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি জাতীয় দলের হয়ে। ২০ বছর আগে ঠিক ১৬ জুন সার্বিয়ার বিরুদ্ধে গোল করে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্বকাপে গোলস্কোরার হয়েছিলেন তিনি। আলজেরিয়ার এ ম্যাচে গোল করে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করার রেকর্ডও নিজের করে নিয়ে
১৩ ঘণ্টা আগে
বিস্ময়কর হলো— ঠিক ঠিক ২০ বছরের ব্যবধানে এই দুই গোল করা ফুটবলার একজনই— লিওনেল মেসি!
১৪ ঘণ্টা আগে