
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায়ের পর ম্যাচের রেফারির কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম। বিশেষ করে স্পেনের প্রথম গোলের উৎস পেনাল্টিকে ‘বিতর্কিত’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
ম্যাচে রেফারির দায়িত্বে ছিলেন এল সালভাদরের ইভান বার্টন। তার পেনাল্টির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে দেশম প্রশ্ন তুলেছেন, বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পরিচালনার মতো মান আদৌ রেফারির ছিল কি না। তবে একই সঙ্গে স্পেনের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে হারের দায়ও নিজেদের কাঁধেই নিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ফরাসি কোচ।
পুরো বিশ্বকাপ জুড়েই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখানো ফ্রান্সের পথ থেমে গেছে মঙ্গলবারের সেমিফাইনালে। শক্তিশালী রক্ষণে ভর করে স্পেন ২-০ গোলে হারিয়েছে ফরাসিদের। সাত ম্যাচে এটি স্পেনের সপ্তম জয়। এই সময়ে তারা মাত্র একটি গোল হজম করেছে।
ম্যাচে ফ্রান্সের দুই তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলেকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাখে স্পেনের রক্ষণভাগ। একেক অর্ধে একটি করে গোল করে তারা নিশ্চিত করে ফাইনালের টিকিট। তবে স্পেনের প্রথম গোলটি আসে একটি বিতর্কিত পেনাল্টি থেকে। বক্সের ভেতরে লামিনে ইয়ামালের সঙ্গে লুকাস দিনের সংস্পর্শকে ফাউল হিসেবে দেখিয়ে পেনাল্টি দেন রেফারি ইভান বার্টন, যদিও তখন ইয়ামালের কাছে বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল না।

ম্যাচ শেষে রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন করা হলে দেশম নিজের অসন্তোষ গোপন করেননি। তিনি বলেন, “এখন আমি আপনাদেরই প্রশ্ন করছি, আমি এর উত্তর দেবো না। আমরা হেরেছি বলে অভিযোগ করছি— এমনটা মনে হোক, সেটা চাই না। তবে আজকের রেফারির কি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পরিচালনার মতো মান ছিল?”
আরেকটি প্রশ্নের জবাবে দেশম বলেন, আপত্তি শুধু পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নিয়েই নয়। তার ভাষায়, “শুধু ওই পেনাল্টির বিষয় নয়, পুরো ম্যাচে এমন অনেক সিদ্ধান্ত জমা হয়েছে। অবশ্য কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের পক্ষেও গেছে।”
পেনাল্টির সিদ্ধান্তটি কি সঠিক ছিল?
বিতর্কিত ঘটনাটি ঘটে ফ্রান্সের গোলের সামনে। স্পেনের একটি ক্রস নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেন লুকাস দিনে। বুক দিয়ে বল থামানোর পর ঘুরে দাঁড়িয়ে তিনি বলটি দূরে পাঠাতে যান।
ঠিক সেই সময় দিনের অগোচরে পেছন দিক থেকে দৌড়ে আসেন লামিনে ইয়ামাল। ফলে বলে আঘাত করার বদলে ইয়ামালের পায়ে লাথি লাগে দিনের। ঘটনাটি বক্সের ভেতরে হওয়ায় রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান।

পরে সেই স্পট কিক থেকে গোল করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। বিশ্বকাপে এই প্রথম কোনো ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে ফ্রান্স।
ফুটবল আইনের দৃষ্টিতে দেখলে, বক্সের ভেতরে বল খেলার চেষ্টার সময় আক্রমণভাগের একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে অবৈধ সংস্পর্শ হয়েছে। সে হিসেবে প্রযুক্তিগতভাবে পেনাল্টির সিদ্ধান্তটি সঠিক। তবে ফ্রান্সের জন্য সিদ্ধান্তটি মেনে নেওয়া কঠিন ছিল, কারণ ইয়ামালের কাছে তখন বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল না। আর ওই পেনাল্টির পরই ম্যাচের গতি পুরোপুরি স্পেনের দিকে চলে যায়।
রিয়েল টাইমেই দেশমের প্রতিক্রিয়া দেখে বোঝা যাচ্ছিল, সিদ্ধান্তটি নিয়ে তিনি ভীষণ ক্ষুব্ধ ছিলেন।
তবে পেনাল্টির সিদ্ধান্তটি ‘বিতর্কিত’ হোক বা না হোক, স্পেনের জয় প্রাপ্য ছিল না— এমন দাবি করা কঠিন। সেমিফাইনালে আক্রমণ ও রক্ষণ— দুই বিভাগেই স্পষ্টভাবে এগিয়ে ছিল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। এখন দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জিততে তারা আর মাত্র একটি জয়ের দূরত্বে।
অন্যদিকে, অনেকের চোখে এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী ফ্রান্সের জন্য এটি ছিল তিক্ত বিদায়।
ফ্রান্সের কোচ হিসেবে ১৪ বছরে দেশমকে প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। অভিযোগ ছিল, তিনি অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক, ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে বেশি মনোযোগী এবং দলে থাকা অসাধারণ সব আক্রমণভাগের খেলোয়াড়কে পুরো স্বাধীনতা দেন না।
তবে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিজের শেষ টুর্নামেন্টে কৌশলগতভাবে সেই অবস্থান কিছুটা বদলেছিলেন তিনি। এই বিশ্বকাপে ফ্রান্স কয়েক সপ্তাহ ধরে দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। কিন্তু প্রথম সত্যিকারের শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েই তারা ছন্দ হারিয়ে ফেলে। অনেকের মতে, এই ম্যাচে ফ্রান্সের আরও কিছুটা ‘দেশম-ধাঁচের’ বাস্তববাদী ফুটবলের প্রয়োজন ছিল।
বরং এবারের টুর্নামেন্টে দেখা গেছে ছন্দ, সৃজনশীলতা ও নান্দনিকতায় ভরপুর এক ফ্রান্সকে। এই ফুটবল অনেকের মনে ১৯৮০-এর দশকের দুর্দান্ত ফরাসি দলের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। কেউ কেউ আবার দলটিকে ২০০২ সালের ব্রাজিলের সঙ্গেও তুলনা করেছিলেন। কিন্তু ডালাসের সেমিফাইনালে সেই সব তুলনা ম্লান করে দেয় স্পেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রেখে ফ্রান্সকে কার্যত কোনো সুযোগই দেয়নি তারা।
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বাদ দিলে এই হার দিয়েই শেষ হচ্ছে ফরাসি ফুটবলে দেশম-অধ্যায়। ২০১৮ সালে ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ জেতানো এই কোচ টুর্নামেন্ট শেষে দায়িত্ব ছাড়ার পরিকল্পনা করেছেন। ফলে শনিবারের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচই হতে যাচ্ছে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে তার শেষ ম্যাচ।
দেশমের অর্জন অবশ্য কম নয়। তার অধীনে ফ্রান্স একটি বিশ্বকাপ জিতেছে, আরেকটি বিশ্বকাপের ফাইনাল ও একটি সেমিফাইনালে খেলেছে। ইউরোতেও দলকে একবার ফাইনাল ও একবার সেমিফাইনালে তুলেছেন। ১৪ বছরে পাঁচটি বড় টুর্নামেন্টের মধ্যে চারটিতেই শেষ চারে ওঠা নিঃসন্দেহে বড় সাফল্য।
তবে সমালোচকদের মতে, একের পর এক প্রতিভাবান প্রজন্ম হাতে পেয়েও মাত্র একটি বড় শিরোপা জেতা প্রত্যাশার তুলনায় কম। তবু তার নামের পাশে যোগ হয়েছে অসংখ্য মাইলফলক।
ডালাস স্টেডিয়ামে হারের পর খেলোয়াড়দের মানসিক অবস্থার কথাও তুলে ধরেন দেশম। বলেন, “অবশ্যই হতাশা অনেক। আমাদের খেলোয়াড়েরা ভেঙে পড়েছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল অনেক বড়। তবে বাস্তবতাও মেনে নিতে হবে। আজ কৌশলগত দিক থেকে আমরা প্রতিপক্ষের চেয়ে এক ধাপ পিছিয়ে ছিলাম। স্পেন ম্যাচটি খুব ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছে।”
তবে হারের দায় অন্য কারও ওপর চাপাতে চাননি ফরাসি কোচ। তিনি বলেন, “সবার আগে এটা আমাদেরই ব্যর্থতা। আমি এর জন্য অন্য কাউকে দোষ দিতে চাই না।”

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায়ের পর ম্যাচের রেফারির কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম। বিশেষ করে স্পেনের প্রথম গোলের উৎস পেনাল্টিকে ‘বিতর্কিত’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
ম্যাচে রেফারির দায়িত্বে ছিলেন এল সালভাদরের ইভান বার্টন। তার পেনাল্টির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে দেশম প্রশ্ন তুলেছেন, বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পরিচালনার মতো মান আদৌ রেফারির ছিল কি না। তবে একই সঙ্গে স্পেনের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে হারের দায়ও নিজেদের কাঁধেই নিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ফরাসি কোচ।
পুরো বিশ্বকাপ জুড়েই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখানো ফ্রান্সের পথ থেমে গেছে মঙ্গলবারের সেমিফাইনালে। শক্তিশালী রক্ষণে ভর করে স্পেন ২-০ গোলে হারিয়েছে ফরাসিদের। সাত ম্যাচে এটি স্পেনের সপ্তম জয়। এই সময়ে তারা মাত্র একটি গোল হজম করেছে।
ম্যাচে ফ্রান্সের দুই তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলেকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাখে স্পেনের রক্ষণভাগ। একেক অর্ধে একটি করে গোল করে তারা নিশ্চিত করে ফাইনালের টিকিট। তবে স্পেনের প্রথম গোলটি আসে একটি বিতর্কিত পেনাল্টি থেকে। বক্সের ভেতরে লামিনে ইয়ামালের সঙ্গে লুকাস দিনের সংস্পর্শকে ফাউল হিসেবে দেখিয়ে পেনাল্টি দেন রেফারি ইভান বার্টন, যদিও তখন ইয়ামালের কাছে বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল না।

ম্যাচ শেষে রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন করা হলে দেশম নিজের অসন্তোষ গোপন করেননি। তিনি বলেন, “এখন আমি আপনাদেরই প্রশ্ন করছি, আমি এর উত্তর দেবো না। আমরা হেরেছি বলে অভিযোগ করছি— এমনটা মনে হোক, সেটা চাই না। তবে আজকের রেফারির কি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পরিচালনার মতো মান ছিল?”
আরেকটি প্রশ্নের জবাবে দেশম বলেন, আপত্তি শুধু পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নিয়েই নয়। তার ভাষায়, “শুধু ওই পেনাল্টির বিষয় নয়, পুরো ম্যাচে এমন অনেক সিদ্ধান্ত জমা হয়েছে। অবশ্য কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের পক্ষেও গেছে।”
পেনাল্টির সিদ্ধান্তটি কি সঠিক ছিল?
বিতর্কিত ঘটনাটি ঘটে ফ্রান্সের গোলের সামনে। স্পেনের একটি ক্রস নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেন লুকাস দিনে। বুক দিয়ে বল থামানোর পর ঘুরে দাঁড়িয়ে তিনি বলটি দূরে পাঠাতে যান।
ঠিক সেই সময় দিনের অগোচরে পেছন দিক থেকে দৌড়ে আসেন লামিনে ইয়ামাল। ফলে বলে আঘাত করার বদলে ইয়ামালের পায়ে লাথি লাগে দিনের। ঘটনাটি বক্সের ভেতরে হওয়ায় রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান।

পরে সেই স্পট কিক থেকে গোল করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। বিশ্বকাপে এই প্রথম কোনো ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে ফ্রান্স।
ফুটবল আইনের দৃষ্টিতে দেখলে, বক্সের ভেতরে বল খেলার চেষ্টার সময় আক্রমণভাগের একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে অবৈধ সংস্পর্শ হয়েছে। সে হিসেবে প্রযুক্তিগতভাবে পেনাল্টির সিদ্ধান্তটি সঠিক। তবে ফ্রান্সের জন্য সিদ্ধান্তটি মেনে নেওয়া কঠিন ছিল, কারণ ইয়ামালের কাছে তখন বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল না। আর ওই পেনাল্টির পরই ম্যাচের গতি পুরোপুরি স্পেনের দিকে চলে যায়।
রিয়েল টাইমেই দেশমের প্রতিক্রিয়া দেখে বোঝা যাচ্ছিল, সিদ্ধান্তটি নিয়ে তিনি ভীষণ ক্ষুব্ধ ছিলেন।
তবে পেনাল্টির সিদ্ধান্তটি ‘বিতর্কিত’ হোক বা না হোক, স্পেনের জয় প্রাপ্য ছিল না— এমন দাবি করা কঠিন। সেমিফাইনালে আক্রমণ ও রক্ষণ— দুই বিভাগেই স্পষ্টভাবে এগিয়ে ছিল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। এখন দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জিততে তারা আর মাত্র একটি জয়ের দূরত্বে।
অন্যদিকে, অনেকের চোখে এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী ফ্রান্সের জন্য এটি ছিল তিক্ত বিদায়।
ফ্রান্সের কোচ হিসেবে ১৪ বছরে দেশমকে প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। অভিযোগ ছিল, তিনি অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক, ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে বেশি মনোযোগী এবং দলে থাকা অসাধারণ সব আক্রমণভাগের খেলোয়াড়কে পুরো স্বাধীনতা দেন না।
তবে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিজের শেষ টুর্নামেন্টে কৌশলগতভাবে সেই অবস্থান কিছুটা বদলেছিলেন তিনি। এই বিশ্বকাপে ফ্রান্স কয়েক সপ্তাহ ধরে দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। কিন্তু প্রথম সত্যিকারের শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েই তারা ছন্দ হারিয়ে ফেলে। অনেকের মতে, এই ম্যাচে ফ্রান্সের আরও কিছুটা ‘দেশম-ধাঁচের’ বাস্তববাদী ফুটবলের প্রয়োজন ছিল।
বরং এবারের টুর্নামেন্টে দেখা গেছে ছন্দ, সৃজনশীলতা ও নান্দনিকতায় ভরপুর এক ফ্রান্সকে। এই ফুটবল অনেকের মনে ১৯৮০-এর দশকের দুর্দান্ত ফরাসি দলের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। কেউ কেউ আবার দলটিকে ২০০২ সালের ব্রাজিলের সঙ্গেও তুলনা করেছিলেন। কিন্তু ডালাসের সেমিফাইনালে সেই সব তুলনা ম্লান করে দেয় স্পেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রেখে ফ্রান্সকে কার্যত কোনো সুযোগই দেয়নি তারা।
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বাদ দিলে এই হার দিয়েই শেষ হচ্ছে ফরাসি ফুটবলে দেশম-অধ্যায়। ২০১৮ সালে ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ জেতানো এই কোচ টুর্নামেন্ট শেষে দায়িত্ব ছাড়ার পরিকল্পনা করেছেন। ফলে শনিবারের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচই হতে যাচ্ছে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে তার শেষ ম্যাচ।
দেশমের অর্জন অবশ্য কম নয়। তার অধীনে ফ্রান্স একটি বিশ্বকাপ জিতেছে, আরেকটি বিশ্বকাপের ফাইনাল ও একটি সেমিফাইনালে খেলেছে। ইউরোতেও দলকে একবার ফাইনাল ও একবার সেমিফাইনালে তুলেছেন। ১৪ বছরে পাঁচটি বড় টুর্নামেন্টের মধ্যে চারটিতেই শেষ চারে ওঠা নিঃসন্দেহে বড় সাফল্য।
তবে সমালোচকদের মতে, একের পর এক প্রতিভাবান প্রজন্ম হাতে পেয়েও মাত্র একটি বড় শিরোপা জেতা প্রত্যাশার তুলনায় কম। তবু তার নামের পাশে যোগ হয়েছে অসংখ্য মাইলফলক।
ডালাস স্টেডিয়ামে হারের পর খেলোয়াড়দের মানসিক অবস্থার কথাও তুলে ধরেন দেশম। বলেন, “অবশ্যই হতাশা অনেক। আমাদের খেলোয়াড়েরা ভেঙে পড়েছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল অনেক বড়। তবে বাস্তবতাও মেনে নিতে হবে। আজ কৌশলগত দিক থেকে আমরা প্রতিপক্ষের চেয়ে এক ধাপ পিছিয়ে ছিলাম। স্পেন ম্যাচটি খুব ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছে।”
তবে হারের দায় অন্য কারও ওপর চাপাতে চাননি ফরাসি কোচ। তিনি বলেন, “সবার আগে এটা আমাদেরই ব্যর্থতা। আমি এর জন্য অন্য কাউকে দোষ দিতে চাই না।”

স্পেন, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড—শেষ চারে থাকা চার দলই এবার এমন এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে, যেখানে বর্তমানের প্রতিপক্ষের পাশাপাশি লড়তে হবে নিজেদের অতীতের স্মৃতি, সাফল্য ও ব্যর্থতার সঙ্গেও। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, বিশ্বকাপের ইতিহাস কীভাবে প্রতিটি সেমিফাইনালকে আরও বেশি চা
১ দিন আগে
ফ্রান্সের ট্রানজিশনাল আর স্পেনের পজেশনাল ফুটবলের লড়াইয়ে তেমন পার্থক্য গড়ে দেওয়ার মতো ফুটবলারের ঘাটতি নেই, দেশম বা ফুয়েন্তেরও ট্যাকটিক্যাল মাস্টারক্লাস দেখানোর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন নেই। আর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ডালাস স্টেডিয়ামেই উত্তর মিলবে— এমবাপ্পে নাকি ইয়ামাল— ফাইনাল ম্যাচে দেখা যাবে কাকে।
১ দিন আগে
লতি বিশ্বকাপে গোলের দিক থেকে নিজের নাম সেভাবে উজ্জ্বল করতে না পারলেও দলের আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন ইয়ামাল। ১৮ বছর বয়সী এই উইঙ্গার মনে করেন, বড় ম্যাচেই নিজের সেরাটা দিতে পারবেন তিনি।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ-সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক ও হোয়াইট হাউজের বিশেষ সহকারী অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইলকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি আমাদের ২৫০তম স্বাধীনতাবার্ষিকীতে বিশ্বকাপ জিততে না-ও পারে, তাহলে ইংল্যান্ডের আমেরিকায় এসে এই উদ্যাপনের মধ্যেই বিশ্বকাপ জেতা একটি
২ দিন আগে