
ক্রীড়া ডেস্ক

মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের মেয়েদের ৬ উইকেটে হারিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। বিশ্বকাপের আগে ৯ ম্যাচে সাত পরাজয়ের সাক্ষী হওয়ায় প্রথম ম্যাচেই জয় স্বস্তি এনেছে টাইগ্রেস শিবিরে।
রোববার (১৪ জুন) বার্মিংহামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় ডাচ মেয়েরা। বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সে সিদ্ধান্ত খুব বেশি কার্যকর প্রমাণিত হয়নি।
দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম উইকেট তুলে নেন মারুফা আক্তার। পঞ্চম ওভারে ডাচদের ৩৬ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন ফারিহা তৃষ্ণা। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিতে থাকেন সানজিদা আক্তার, রাবেয়া খান, রিতু মনিরা।
বাংলাদেশি বোলারদের মুখে বাবেট ডি লিডি ছাড়া আর কোনো ডাচ ব্যাটারই স্বচ্ছন্দ্যে দাঁড়াতে পারেননি। বাবেট ৪৫ বলে করেন ৫০ রান। ১৩ বলে ১৬ রান করেন হিদার সিগারস, ১৪ বলে ১৩ রান করেন রবিন রাইকি, ১১ বলে ১৩ রান করেন আইরিস জুইলিং, ৮ বলে ১০ রান করেন সিলভার সিগারস।
বাংলাদেশের হয়ে ৩১ রানে ২ উইকেট নেন মারুফা আক্তার। রিতু মনি, রাবেয়া, ফারিহা তৃষ্ণা ও সানজিদা মেঘলা নেন একটি করে উইকেট।
রান তাড়া করতে নেমে ৭ ওভার ৫ বলেই ৬৭ রানের উড়ন্ত সূচনা পায় বাংলাদেশ। জুয়াইরা ফেরদৌস মাত্র ৩২ বলেই ফিফটি তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত ৩৩ বলে ওই ৫০ করেই আউট হন তিনি। আরেক ওপেনার দিলারা আক্তার আউট হন ২৩ বলে ২৬ রান করে।
উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর অবশ্য ২৫ বলে ১৮ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। পঞ্চম উইকেটে শারমিন আক্তার ও স্বর্ণ আক্তার জুটি গড়ে আর কোনো বিপদ হতে দেননি। তাদের দুজনের ৪৪ বলে ৫৬ রানের অপরাজিত জুটি ৫ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে ভিড়িয়ে দেয় বাংলাদেশকে।
৩২ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন শারমিন, ১৭ বলে ১৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন স্বর্ণা। ডাচ বোলারদের মধ্যে ক্যারোলিন ডি ল্যাং ২৭ রানে তুলে নেন ২ উইকেট, একটি উইকেট নিয়েছেন সিলভার সিগারস।
দারুণ অর্ধশত করে ম্যাচসেরা হয়েছেন জুয়াইরা ফেরদৌস।

মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের মেয়েদের ৬ উইকেটে হারিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। বিশ্বকাপের আগে ৯ ম্যাচে সাত পরাজয়ের সাক্ষী হওয়ায় প্রথম ম্যাচেই জয় স্বস্তি এনেছে টাইগ্রেস শিবিরে।
রোববার (১৪ জুন) বার্মিংহামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় ডাচ মেয়েরা। বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সে সিদ্ধান্ত খুব বেশি কার্যকর প্রমাণিত হয়নি।
দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম উইকেট তুলে নেন মারুফা আক্তার। পঞ্চম ওভারে ডাচদের ৩৬ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন ফারিহা তৃষ্ণা। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিতে থাকেন সানজিদা আক্তার, রাবেয়া খান, রিতু মনিরা।
বাংলাদেশি বোলারদের মুখে বাবেট ডি লিডি ছাড়া আর কোনো ডাচ ব্যাটারই স্বচ্ছন্দ্যে দাঁড়াতে পারেননি। বাবেট ৪৫ বলে করেন ৫০ রান। ১৩ বলে ১৬ রান করেন হিদার সিগারস, ১৪ বলে ১৩ রান করেন রবিন রাইকি, ১১ বলে ১৩ রান করেন আইরিস জুইলিং, ৮ বলে ১০ রান করেন সিলভার সিগারস।
বাংলাদেশের হয়ে ৩১ রানে ২ উইকেট নেন মারুফা আক্তার। রিতু মনি, রাবেয়া, ফারিহা তৃষ্ণা ও সানজিদা মেঘলা নেন একটি করে উইকেট।
রান তাড়া করতে নেমে ৭ ওভার ৫ বলেই ৬৭ রানের উড়ন্ত সূচনা পায় বাংলাদেশ। জুয়াইরা ফেরদৌস মাত্র ৩২ বলেই ফিফটি তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত ৩৩ বলে ওই ৫০ করেই আউট হন তিনি। আরেক ওপেনার দিলারা আক্তার আউট হন ২৩ বলে ২৬ রান করে।
উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর অবশ্য ২৫ বলে ১৮ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। পঞ্চম উইকেটে শারমিন আক্তার ও স্বর্ণ আক্তার জুটি গড়ে আর কোনো বিপদ হতে দেননি। তাদের দুজনের ৪৪ বলে ৫৬ রানের অপরাজিত জুটি ৫ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে ভিড়িয়ে দেয় বাংলাদেশকে।
৩২ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন শারমিন, ১৭ বলে ১৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন স্বর্ণা। ডাচ বোলারদের মধ্যে ক্যারোলিন ডি ল্যাং ২৭ রানে তুলে নেন ২ উইকেট, একটি উইকেট নিয়েছেন সিলভার সিগারস।
দারুণ অর্ধশত করে ম্যাচসেরা হয়েছেন জুয়াইরা ফেরদৌস।

ডারউইনে টেস্টের প্রথম দিন থেকেই দাপট দেখানো বাংলাদেশ চতুর্থ দিনের শুরু থেকেই ছিল জয়ের অপেক্ষায়। দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট দল অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। পুরো ম্যাচে প্রতিটি দিন ও প্রতিটি সেশনে দাপট দেখানো দলের পারফরম্যা
৫ দিন আগে
জাতীয় পর্যায়ে নারী বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একাধিক পদক ও রেকর্ড গড়া বাংলাদেশি দুই অ্যাথলেট জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়কে নারী বিভাগে প্রতিযোগিতা থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন। একই সঙ্গে জাতীয় প্রতিযোগিতায় তাদের অর্জিত পদক ও রেকর্ড বাতিল করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৬ দিন আগে