রোববার (১০ মার্চ) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিন্ডিকেট সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নবগঠিত এ আংশিক কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, সিনিয়র সহ-সভাপতি শ্যামল মালুম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহা. জাহাঙ্গীর আলম, দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) এবং শরিফ প্রধান শুভ, প্রচার সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর ১৫ শতাংশ ট্যাক্স আরোপের একটি রায় প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এতে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, ডেন্টাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ১৫ শতাংশ ট্যাক্স দিতে হবে। এই ট্যাক্স প্রতিষ্ঠানের ওপর আরোপিত হলেও এর প্রভাবট শিক্ষার্থ
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক মাসুদ ইমরান মান্নু, প্রাক্তন শিক্ষার্থী মনি জামান, অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন, সোহেল জাফর, পাভেল পার্থ, কল্লোল বণিক, অনিন্দ্য আরিফ, মাহি মাহফুজ, সৌমিত জয়দ্বীপ, সিনা হাসান, তন্ময় ধর, দীপ
দাবিগুলো হলো- ধর্ষক ও তার সহায়তাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা; মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হল থেকে দ্রুত বের করে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত করা ও র্যাগিং সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা; নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির বিচার নিষ্পত্তি করাসহ ক্যাম্পাসে
এই দেশে সন্ত্রাসীরা অপরাধ করেও ক্ষমতাসীনদের প্রশ্রয়ে বুক ফুলিয়ে নির্বিঘ্নে বিচরণ করে আর ভুক্তভোগীদের মাথা নিচু করে, মুখ বুজে সয়ে যায় অসহনীয় লাঞ্ছনা। গত ১৫ বছর জোর জবরদস্তির ক্ষমতার জোরে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মানুষের জীবনকে বিপন্ন ও দুর্বিসহ করে তুলছে, নারীদের জন্য ঘর থেকে
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতায় বসে সমস্ত ধরনের গণতান্ত্রিক প্রথা—প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের মধ্যে এ মনোভাব কাজ করছে ‘আমরা যাই করি, আমাদের কিছু হবে না’। ফলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি প্রতিষ্ঠানে এমন ন্
এই ঘটনা ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা সিটি কলেজের দিকে এগিয়ে যায়। এর মধ্যে সিটি কলেজের সামনে, সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকা এবং ঢাকা কলেজের সামনের রাস্তায় কয়েকদফা