
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ‘বন্ধ’ ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সতর্ক করে জানিয়েছে, এ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের চেষ্টা করলে জাহাজগুলোকে ‘কঠোর ব্যবস্থা’র মুখে পড়তে হবে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট এ খবর জানিয়েছে।
ইন্ডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, ‘ইসরায়েল-আমেরিকার মিত্র ও তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কোনো জাহাজ’ হরমুজের কোনো করিডর ব্যবহার করে চলাচল করতে পারবে না।
এ ঘোষণার পর বিভিন্ন দেশের পতাকাবাহী অন্তত তিনটি কনটেইনারবাহী জাহাজ সতর্কবার্তা পেয়ে দিক পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে ইরান এই নৌ রুটে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ রেখেছে। এরপর থেকেই বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার সেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। ধারণা করা হচ্ছে, এসব সেনা ইরান ও পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপের কাছাকাছি মোতায়েন করা হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে উত্তেজনা বাড়লেও কূটনৈতিক তৎপরতাও পুরোপুরি থেমে নেই। জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শুক্রবার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা হয়েছে এবং সংঘাত নিরসনে শিগগিরই পাকিস্তানে প্রতিনিধিদের বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাম্প আবারও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে ইরানকে নতুন সময়সীমা দেওয়া হবে। তা না হলে দেশটির জ্বালানি স্থাপনাগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হতে পারে। এর আগে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফা প্রস্তাবকে ‘অন্যায্য’ উল্লেখ করে প্রত্যাখ্যান করেছিল তেহরান।

বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ‘বন্ধ’ ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সতর্ক করে জানিয়েছে, এ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের চেষ্টা করলে জাহাজগুলোকে ‘কঠোর ব্যবস্থা’র মুখে পড়তে হবে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট এ খবর জানিয়েছে।
ইন্ডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, ‘ইসরায়েল-আমেরিকার মিত্র ও তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কোনো জাহাজ’ হরমুজের কোনো করিডর ব্যবহার করে চলাচল করতে পারবে না।
এ ঘোষণার পর বিভিন্ন দেশের পতাকাবাহী অন্তত তিনটি কনটেইনারবাহী জাহাজ সতর্কবার্তা পেয়ে দিক পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে ইরান এই নৌ রুটে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ রেখেছে। এরপর থেকেই বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার সেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। ধারণা করা হচ্ছে, এসব সেনা ইরান ও পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপের কাছাকাছি মোতায়েন করা হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে উত্তেজনা বাড়লেও কূটনৈতিক তৎপরতাও পুরোপুরি থেমে নেই। জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শুক্রবার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা হয়েছে এবং সংঘাত নিরসনে শিগগিরই পাকিস্তানে প্রতিনিধিদের বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাম্প আবারও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে ইরানকে নতুন সময়সীমা দেওয়া হবে। তা না হলে দেশটির জ্বালানি স্থাপনাগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হতে পারে। এর আগে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফা প্রস্তাবকে ‘অন্যায্য’ উল্লেখ করে প্রত্যাখ্যান করেছিল তেহরান।

চার দিন ধরে চালানো ওই জরিপে অংশ নেওয়া মাত্র ৩৩ শতাংশ মানুষ হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের কার্যক্রমে অনুমোদন জানিয়েছেন। বিপরীতে ৬৪ শতাংশ তার কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চলতি মাসের শুরুতে শেষ হওয়া আগের জরিপে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ছিল ৩৫ শতাংশ। এবার তা আরও কমে তার বর্তমান মেয়াদের যেকোনো সময়ের চেয়ে নিচে নে
২০ ঘণ্টা আগে
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট পদে এটি ছিল হিচিলেমার সপ্তম প্রচেষ্টা। ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাড়তি সুবিধা থাকায় তাঁর এই জয় অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল। অন্যদিকে, মুন্ডুবিলের জন্য এটি ছিল প্রেসিডেন্ট পদে প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
১ দিন আগে
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুতর’ নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে দুই দেশের আলোচনা চালানোর নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমা এখন ‘পুরোপুরি অর্থহীন’ হয়ে পড়েছে। এই সমঝোতার আওতায় তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ বিষয় সমাধানের আলোচনা করার কথা ছিল।
১ দিন আগে
রোববার (১৬ আগস্ট) মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের নামের তালিকা মিয়ানমারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে বাংলাদেশে অবস্থানরত রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
২ দিন আগে