
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানে ‘স্বল্পমেয়াদি কিন্তু শক্তিশালী’ একগুচ্ছ হামলার পরিকল্পনা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি এবং হরমুজ প্রণালি আংশিক খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের তিন স্তরের শান্তি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করার পর এ হামলার পরিকল্পনাটি সামনে এনেছে সেন্টকম।
সেন্টকমের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এ হামলার রূপরেখাটি তুলে ধরেন। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো এতে অনুমোদন দেননি। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে চলা নৌ-অবরোধ ও অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন। নৌ-অবরোধের ওপরই ভরসা রাখলেও কূটনীতি পুরোপুরি ব্যর্থ হলে যেকোনো সময় সামরিক আঘাত হানার পথ খোলা রেখেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যম এক্সিওস ও বিবিসির বরাত দিয়ে গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সেন্টকমের পরিকল্পনা ট্রাম্পের কাছে একটি ‘উচ্চমানের প্রভাবশালী বিকল্প’ হিসেবে পেশ করা হয়েছে, যা পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের চেয়ে কিছুটা সীমিত।
তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ পরিকল্পনার অর্থ এই নয় যে হামলা আসন্ন, বরং এটি ট্রাম্প প্রশাসনের এমন একটি কৌশল, যাতে তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আলোচনার টেবিলে বাড়তি সুবিধা যায়।
কী আছে পরিকল্পনায়
সেন্টকমের এ পরিকল্পনায় ইরানের তেল রপ্তানি স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি, কমান্ড সেন্টার ও আঞ্চলিক মিলিশিয়া নেটওয়ার্কের মতো অবকাঠামোগুলো লক্ষ্যবস্তু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এক্সিওস ও বিবিসি।
দীর্ঘদিন ধরে হামলা না চালিয়ে দ্রুত বড় ধরনের ক্ষতি করাই লক্ষ্য, যাতে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়। আরেকটি পরিকল্পনায় হরমুজ প্রণালির কিছু অংশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে স্থল অভিযানেরও প্রয়োজন হতে পারে।
এদিকে ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, সেন্টকম ইরানে হামলায় ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পেন্টাগনের কাছে মধ্যপ্রাচ্যে সেনাবাহিনীর ‘ডার্ক ঈগল’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছে। এটি মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রথম মোতায়েনযোগ্য হাইপারসনিক অস্ত্র, যা শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি গতিতে ১ হাজার ৭২৫ মাইলের বেশি দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম।

ইরানে ‘স্বল্পমেয়াদি কিন্তু শক্তিশালী’ একগুচ্ছ হামলার পরিকল্পনা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি এবং হরমুজ প্রণালি আংশিক খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের তিন স্তরের শান্তি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করার পর এ হামলার পরিকল্পনাটি সামনে এনেছে সেন্টকম।
সেন্টকমের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এ হামলার রূপরেখাটি তুলে ধরেন। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো এতে অনুমোদন দেননি। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে চলা নৌ-অবরোধ ও অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন। নৌ-অবরোধের ওপরই ভরসা রাখলেও কূটনীতি পুরোপুরি ব্যর্থ হলে যেকোনো সময় সামরিক আঘাত হানার পথ খোলা রেখেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যম এক্সিওস ও বিবিসির বরাত দিয়ে গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সেন্টকমের পরিকল্পনা ট্রাম্পের কাছে একটি ‘উচ্চমানের প্রভাবশালী বিকল্প’ হিসেবে পেশ করা হয়েছে, যা পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের চেয়ে কিছুটা সীমিত।
তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ পরিকল্পনার অর্থ এই নয় যে হামলা আসন্ন, বরং এটি ট্রাম্প প্রশাসনের এমন একটি কৌশল, যাতে তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আলোচনার টেবিলে বাড়তি সুবিধা যায়।
কী আছে পরিকল্পনায়
সেন্টকমের এ পরিকল্পনায় ইরানের তেল রপ্তানি স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি, কমান্ড সেন্টার ও আঞ্চলিক মিলিশিয়া নেটওয়ার্কের মতো অবকাঠামোগুলো লক্ষ্যবস্তু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এক্সিওস ও বিবিসি।
দীর্ঘদিন ধরে হামলা না চালিয়ে দ্রুত বড় ধরনের ক্ষতি করাই লক্ষ্য, যাতে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়। আরেকটি পরিকল্পনায় হরমুজ প্রণালির কিছু অংশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে স্থল অভিযানেরও প্রয়োজন হতে পারে।
এদিকে ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, সেন্টকম ইরানে হামলায় ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পেন্টাগনের কাছে মধ্যপ্রাচ্যে সেনাবাহিনীর ‘ডার্ক ঈগল’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছে। এটি মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রথম মোতায়েনযোগ্য হাইপারসনিক অস্ত্র, যা শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি গতিতে ১ হাজার ৭২৫ মাইলের বেশি দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম।

ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১২ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
১৬ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
১৭ ঘণ্টা আগে
কোস্টগার্ডের ক্যাপ্টেন নোয়েমি কায়াবিয়াব ফেরিতে থাকা মোট আরোহীর সংখ্যা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার কাজ জোরদার করা হয়েছে। কোড়ন এলাকাটি স্বচ্ছ নীল পানি ও প্রবাল প্রাচীরের জন্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায়, নিখোঁজদের মধ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক থাকতে পারেন বলে ধারণা ক
২০ ঘণ্টা আগে